কালীগঞ্জ (গাজীপুর) প্রতিনিধি

গাজীপুর জেলার কাপাসিয়া উপজেলার ভাওয়াল চাঁদপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে নিয়োগের উপর মহামান্যহাইকোর্টের স্থগিত আদেশ অমান্য করে প্রধান শিক্ষক হিসেবে মোস্তফা কামাল কে নিয়োগ প্রদান করেন।
ফলে তিনি নিয়োগের উপর হাইকোর্ট কর্তৃক নিয়োগের প্রতি স্থগিত আদেশ টি গোপন করে এম পিও ভুক্ত হয়ে বেতন ভাতা উত্তোলন করতে থাকেন। তাতে এলাকার শিক্ষানুরাগী সচেতন জনমানুষের ভিতর অসন্তোষ দেখা দিলে এলাকার মানুষের পক্ষ থেকে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরে অবৈধ প্রধান শিক্ষক নিয়োগের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হলে গাজীপুর সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর জেরিনা সুলতানা কে তদন্ত পূর্বক প্রতিবেদন প্রদান এর দায়িত্ব দিলে তিনি বিগত ১৪/০২/২০১১ ইং তারিখ তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন।
যাতে তিনি প্রধান শিক্ষক নিয়োগ এবং এম পিও ভুক্ত হয়ে বেতন ভাতা উত্তোলন বৈধ নয় বলে উল্লেখ করেন।
তিনি আরো উল্লেখ করেন যে, তিনজনের সাক্ষাৎ কারের মাধ্যমে প্রধান শিক্ষক নিয়োগ প্রদান করা হয়েছে তার মধ্য থেকে খোরশেদ আলম টি কিউ আই এর প্রশিক্ষণ গ্রহন করেন।
সাক্ষাৎ কার গ্রহনের দিন বিগত ২৯/০৫/২০১০ইং তারিখ প্রশিক্ষণ গ্রহণের জন্য তিনি সকাল ৯.০০ঘটিকা হইতে বিকাল ৫.০০ঘটিকা পর্যন্ত সরকারি রাণী বিলাস মনি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ে উপস্থিত ছিলেন।
প্রশিক্ষণ কালীন হাজিরায় তার স্বাক্ষর পাওয়া যায়।
তাই প্রধান শিক্ষক হিসেবে মোঃমোস্তফা কামালের নিয়োগ অবৈধ উল্লেখ করে তার বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যাবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করেন।
তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল এর পর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক (মা-২)নংজি/৩৪৪৮ম/১০/১৫৩০/২তারিখ২৭/০৪/২০১১ স্মারকের মাধ্যমে বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি কে অবৈধ নিয়োগ প্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোঃমোয়াজ্জেম কামাল এর বেতন ভাতা বন্ধ করে আইন অনুযায়ী ব্যাবস্থা গ্রহনে নির্দেশ প্রদান করেন।
উক্ত আদেশ স্থগিত করার উদ্দেশ্যে অবৈধ প্রধান শিক্ষক মোঃমোস্তফা কামাল বাদি হয়ে একটি রীট পিটিশন দায়ের করেন।
রীট পিটিশনের পরিপেক্ষিতে শিক্ষা অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক কর্তৃক দেওয়া আদশটি স্থগিত করেন।
যা ১৩/০১/২০১৩ইং তারিখের পর আর বর্ধিত করা হয়নি। তাই মামলাটি হাইকোর্ট এ বিচারাধীন অবস্থায় আছে।
এমতাবস্থায় মোঃমোস্তফা কামাল এর প্রধানশিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করা ও এম পিওএর মাধ্যমে সরকারি বেতন ভাতা সহ অন্যান্য আর্থিক সুবিধা ভোগ করা সম্পুর্ণ অবৈধ।

এই মর্মে এলাকার সচেতন নাগরিক সমাজের পক্ষে বাদি হয়ে ভাওয়াল চাঁদপুর গ্রামের মোঃখোরসেদ আলম, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহা পরিচালক বরাবর অবৈধভাবে ভাবে নিয়োগ প্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক কর্তৃক উত্তোলিত সকল সরকারি অর্থ সরকারি কোষাগারে ফেরত ও তাকে চাঁদপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব থেকে অপসারণ করে আইন অনুযায়ী ব্যাবস্থা গ্রহনের জন্য গত ১৫/১২/২০২১তারিখ একটি আবেদন করেন যার গ্রহন নং-২৮৭১।
আবেদনকারীর আবেদনে আরো উল্লেখ করেন যে গত ০২/০২/২০২১ ইং তারিখে গন প্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক বিভাগ বেসরকারি মাধ্যমিক -৩,বাংলাদেশ সচিবালয়,ঢাকা।www.shed.gov.bd হইতে স্মারক নং-৩৭০০০০০০০,৭৪০২৭০০১,২০২১,৩২এর মাধ্যমে এর মাধ্যমে অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক এর বকেয়া সহ সকল বেতন ভাতা দিয়ে এম পিও বহাল রাখার নির্দেশ প্রদান করেন। মহামান্য হাইকোর্ট এ বিচারাধীন থাকা অবস্থায় এধরণের নির্দেশ কি কোর্ট অবমাননার সামিল নয়।
অভিযোগ নিয়ে অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক এর সাথে মোবাইল ফোনে কথা বলতে চাইলে ব্যস্ততার অযুহাত দেখিয়ে ফোন কেটে দেন।