লালমনিরহাট প্রতিনিধিঃ লালমনিরহাটে পাটগ্রাম ও হাতীবান্ধা উপজেলায় করোনায় বিপর্যস্ত অসহায় প্রায় ৩শত কর্মহীন মানুষকে খাদ্য সহায়তা প্রদান করল মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল মোহাম্মদ মুসা, ও এসপি, এনপিপি, আরসিডিএস,এএফডব্লিউসি, পিএসসি।শুক্রবার (৩০ জুলাই) দুপুরে অসহায় পরিবারগুলোকে খাদ্যসামগ্রী বাড়ি বাড়ি পৌঁছে দেন আলোকিত বাংলাদেশ ফাউন্ডেশনের সদস্য বৃন্দ।এর আগে শুক্রবার সকাল ১০ টায় এই খাদ্য সহায়তা কার্যক্রমের ভার্চুয়ালী উদ্বোধন করেন আলোকিত বাংলাদেশ ফাউন্ডেশন এর নির্বাহী পরিচালক কম্পিউটার প্রকৌশলী জনাব ইফতেখার হোসেন মাসুদ। এ সময় তিনি বলেন, এই কঠিন দুঃসময়ে আমাদের সকল সামর্থ্যবানদের এগিয়ে আসা উচিত। তিনি রিয়ার এডমিরাল মোহাম্মদ মুসা কে আমাদের এলাকার অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান এবং তার জন্য দোয়া কামনা করেন।জানা গেছে, লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা ও পাটগ্রাম উপজেলায় করোনায় বিপর্যস্ত অসহায় ৩১০টি পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করছেন। বিতরণে সহায়তা করছেন আলোকিত বাংলাদেশ ফাউন্ডেশনের স্বেচ্ছাসেবকগণ। হাতীবান্ধা ও পাটগ্রামের বিভিন্ন এলাকায় আলোকিত বাংলাদেশ ফাউন্ডেশনের নিঃস্বার্থ স্বেচ্ছাসেবীগণ খাদ্য সামগ্রীরর (চাল, ডাল, তেল, লবন, পিয়াজ ও আলু) প্যাকেটগুলো বাড়ি বাড়ি পৌঁছে দিবেন।মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল মোহাম্মদ মুসা বলেন,”আলোকিত বাংলাদেশ ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে দুস্থ মানুষের পাশে দাঁড়াতে পেরে আমি মহান আল্লাহর কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।দেশে বিরাজমান করোনা পরিস্থিতিতে দেশের গরিব ও দুস্থ মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য সকল সামর্থ্যবান নাগরিককে এগিয়ে আসার জন্য আহ্বান জানাচ্ছি।”হাতীবান্ধার পঃ ফকির পাড়া গ্রামের ভ্যান চালক বাহেজ আলী বলেন, এই কলডাউনোত কোন ভাড়া নাই বসি বসি আছি। বাচ্চার দের নিয়া কষ্ট দিন কাটাচ্ছি। যে খাবার পাইচি তাতে তিন দিন খাবার পামো।পাটগ্রাম উপজেলার বাউরা ইউনিয়নের দিন মজুর আব্দুল জলিল বলেন,চাউল,ডাল, আলু,পিয়াজ,তেল পেয়া মোর ভাল হইল। আল্লাহ তোমাদের ভাল করবে।এদিকে আলোকিত বাংলাদেশ ফান্ডেশন ঈদ-উল-আযহা উপলক্ষে অসহায় কর্মহীন তিন শত পরিবারের মুখে হাসি ফোটান।উল্লেখ্য যে, করোনাকালীন সময়ে ও বিগত ঈদগুলোতে মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান হিসেবে রিয়ার এডমিরাল মোহাম্মদ মুসা চার হাজারের অধিক অসহায় পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন।