প্রতিবেদক, তানোর (রাজশাহী)
রাজশাহীর তানোরে প্রত্যন্ত পল্লী ও গ্রামীণ জনপদের অধিবাসিদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের (ছেলে-মেয়ে) মধ্যে শিক্ষা বিস্তারে অনন্য অবদান রেখে চলেছে এবং গ্রামীণ পরিবেশেও শহরের মতো আধূনিক পাঠদান দিয়ে অন্যদের কাছে মডেল
হয়ে উঠেছে বিল্লী স্কুল এ্যান্ড কলেজ।

দৃস্টিনন্দন সীমানা প্রাচীর বেষ্টিত বিল্লী স্কুল এ্যান্ড কলেজের অত্যন্ত মনোরম ও নিরিবিলি পরিবেশ, নেই কোনো হৈ-হুল্লোড় আশপাশেও নেই কোনো কোলাহল একদম নিরব-নিস্তব্ধ। তানোর উপজেলার সদর থেকে প্রায় ৩০ কিলোমিটার দুরে তানোর-নাচোলের সীমান্ত সংলগ্ন বিল্লী বাজার সংলগ্ন অবস্থায় প্রতিষ্ঠানটির। গ্রামীণ পরিবেশ তবে শহরের মতো আধূনিক মানসম্মত পাঠদানের কোনো কমতি নেই।

শহরের নামিদামি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে পাঠদানের যেসব সুযোগ-সুবিধা থাকে তার যেনো পুরোটাই রয়েছে এখানে। প্রতিষ্ঠানটির রয়েছে একদল দক্ষ, সৎ ও অভিজ্ঞ শিক্ষক মন্ডলী। যারা মানসম্মত আধূনিক পাঠদানের মাধ্যমে ধারাবাহিক সাফল্য অর্জনে ভূমিকা রেখে যাচ্ছেন।

প্রায় শতভাগ আধূনিক এই প্রতিষ্ঠানের প্রতিটি মাল্টিমিডিয়িা ক্লাশ রুমে রয়েছে ইন্টারনেট সংযোগ ও বিদ্যুৎ ব্যবস্থা। উপজেলা চেয়ারম্যান ও সভাপতি লুৎফর হায়দার রশিদ ময়না এবং অধ্যক্ষ জামিলুর রহমানের প্রচেস্টায় অভিভাবক-শিক্ষার্থী,শিক্ষক-কর্মচারী এবং ব্যবস্থাপনা কমিটি সকলের সমন্বয়ে ও সার্বিক সহায়তায় বিল্লী স্কুল এ্যান্ড কলেজে যেই সম্ভবনা তৈরী হয়েছে তা বিরল। এসবের ফলে সম্ভব হচ্ছে শতভাগ উপস্থিতিতে টেকশই পাঠদান মূল্যায়ন এবং আন্তঃস্কুল শিক্ষার্থী ও অভিভাবক পর্যায়ে স্বপ্ন বিনির্মাণ। উন্নত ও বাস্তব সম্মত শিক্ষার জন্য চলছে, প্রশিক্ষণ ও বিশ্লেষণ।

সভাপতি ময়না ও অধ্যক্ষ জামিলুর
রহমানের প্রচেস্টায় এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ইতমধ্যে উপজেলার অন্যতম বিদ্যাপীঠ হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে। শিক্ষকদের পাঠদান পদ্ধতি ও শিক্ষার্থীদের বোঝানোর ক্ষমতা অতুলনীয় অনেক কঠিন বিষয় তারা অতি সহজেই শিক্ষার্থীদের
বোঝাতে সক্ষম। ফলে বিদ্যালয়ের সকল শিক্ষার্থীদের কাছে তারা সহজেই অতি আপনজন হয়ে উঠেছেন।

উপজেলা যুবলীগের সভাপতি উপজেলা চেয়ারম্যান ও স্থানীয় সাংসদের প্রতিনিধি লুৎফর হায়দার রশিদ ময়না বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হবার পর দৃস্টিনন্দন সীমানা প্রাচীর, আধূনিক বিজ্ঞানাগার ও কম্পিউটার ল্যাব স্থাপনসহ
পাল্টে গেছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের চেহারা। সভাপতি ময়না নিয়মিত বিদ্যালয়ে শিক্ষক-কর্মচারি ও শিক্ষার্র্থীদের উপস্থিতি নিশ্চিত করণের পাশপাশি শিক্ষকগণা ঠিকমত
পাঠদান করাচ্ছেন কি না,
শিক্ষার্থীরা নিয়মিত উপস্থিত থেকে মনোযোগ সহকারে শিক্ষা গ্রহণ করছেন কি না? ইত্যাদি বিষয়ে সার্বক্ষনিক খোঁজখবর রাখেন, ফলে বিদ্যালয়ে পাঠদানে ফাঁকি দেয়ার কোনো সুযোগ নাই। শহর বা গ্রাম বলে কোনো কথা নয় বিদ্যালয়ের শিক্ষকের সদিচ্ছা থাকলে যে কোনো স্থানে সুন্দর পরিবেশে সৃষ্টি ও মানসম্মত শিক্ষা প্রদান করে শিক্ষাক্ষেত্রে অবদান রাখা যায় বিল্লী স্কুল এ্যান্ড কলেজ দৃষ্টান্ত উদাহারণ।

জানা গেছে, উপজেলা চেয়ারম্যান লুৎফর হায়দার রশিদ ময়না সভাপতির দায়িত্বভার নেয়ার পর বিল্লী স্কুল এ্যান্ড কলেজে নিয়মিত বিতর্ক প্রতিযোগীতা, চিত্রাঙ্কন, খেলা-ধূলা ও বিভিন্ন জাতীয় দিবস উদযাপন করায় একদিকে শিক্ষার্থীরা যেমন মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হচ্ছে তেমনি অন্যদিকে সৃজনশীল ও মননশীল হিসেবে গড়ে উঠছে।

এব্যাপারে বিল্লী স্কুল এ্যান্ড কলেজ অধ্যক্ষ জামিলুর রহমান বলেন, এমপি আলহাজ্ব ওমর ফারুক চৌধূরী মহোদয় এবং উপজেলা চেয়ারম্যান ও
সভাপতি লুৎফর হায়দার রশিদ ময়নার আন্তরিক সহযোগীতায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পরিবেশ উন্নয়ন করা সম্ভব হয়েছে। তিনি বলেন, শুধু তানোর উপজেলা নয় রাজশাহী জেলার শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিল্লী স্কুল এ্যান্ড কলেজকে
তিনি গড়ে তুলতে চান, আর এজন্য তিনি সকলের
সহযোগীতা কামনা করেছেন।