নিজস্ব প্রতিবেদক : আজ ১৭ই মার্চ। আজ উৎসবের দিন। আজ আনন্দের দিন। জাতির জীবনে আজকের এই দিনটি অনন্য। কারণ, আজ বাঙালি জাতির অবিসংবাদিত নেতা, স্বাধীন বাংলাদেশের মহান স্থপতি, হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৯৯তম জন্মদিন। আজ জাতীয় শিশু দিবসও।

১৯২০ খ্রিস্টাব্দের এই দিনে বঙ্গবন্ধু বৃহত্তর ফরিদপুর জেলার তৎকালীন গোপালগঞ্জ মহকুমার টুঙ্গিপাড়ার সম্ভ্রান্ত শেখ পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। পরিবারের সবাই তাঁকে আদর করে খোকা নামে ডাকতেন। আর খোকা নামের সেই শিশুটি পরবর্তীতে হয়ে ওঠেন নির্যাতিত-নিপীড়িত বাঙালির মুক্তির দিশারী। গভীর রাজনৈতিক প্রজ্ঞা, আত্মত্যাগ এবং জনগণের প্রতি মমত্ববোধের কারণে পরিণত বয়সে হয়ে ওঠেন বাঙালির অবিসংবাদিত নেতা। বিশ্ব ইতিহাসে ঠাঁই করে নেন স্বাধীন বাংলাদেশের রূপকার হিসাবে।

বঙ্গবন্ধুর জন্ম না হলে হয়তো এই জনপদের ইতিহাস ভিন্ন হতো; পরাধীনতা, দাসত্ব ও দুঃসহ দারিদ্র্যের শৃঙ্খলে আবদ্ধ হয়ে থাকতো এই জনপদের মানুষের ভাগ্যলিপি। তিনি সবসময় জাতির কল্যাণচিন্তায় মগ্ন থাকতেন। তাঁর ছিল অসাধারণ সংকল্প, সাহস ও স্বপ্ন। জাতির ভাগ্য পরিবর্তনের জন্যে তিনি সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করেছেন।

জীবনের একটি উল্লেখযোগ্য সময় কাটিয়েছেন কারাগারের অন্ধকার প্রকোষ্ঠে। নিগৃহীত হয়েছেন নানাভাবে। মৃত্যুর মুখোমুখিও হতে হয়েছে একাধিকবার। কিন্তু কখনো দেশের দুঃখ-দুর্দশাপীড়িত মানুষের মুখে হাসি ফোটাবার সংকল্প হতে চ্যুত হননি। আজ সেই মহান নেতার জন্মদিন। আজকের এই দিনে আমরা পরম শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করি এই মহান নেতাকে। জন্মদিনে জানাই তাঁকে বিনম্র শ্রদ্ধা।

আজীবন সংগ্রামী বঙ্গবন্ধুর যখন জন্ম হয় তখন ছিল ব্রিটিশ রাজত্বের শেষ অধ্যায়। কিশোর বয়সেই বঙ্গবন্ধু সক্রিয় রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়েন। গোপালগঞ্জ মিশন স্কুলে অষ্টম শ্রেণিতে অধ্যয়নকালে তৎকালীন বৃটিশবিরোধী আন্দোলনে যুক্ত হন তিনি। প্রতিটি আন্দোলন-সংগ্রামে তিনি অগ্রভাগে ছিলেন। পাকিস্তানে সময়ের পরিক্রমায় কখনো ভাষার জন্য, কখনো স্বাধিকারের জন্য আন্দোলন করেছেন তিনি। ৬৬’র ছয় দফা আন্দোলন, ৬৯’র গণঅভ্যুত্থান পেরিয়ে ’৭০ খ্রিস্টাব্দের নির্বাচনে নেতৃত্ব দিয়ে তিনি বাঙালির অবিসংবাদিত নেতায় পরিণত হন। বঙ্গবন্ধুর ডাকে সাড়া দিয়ে একাত্তরে গোটা বাঙালি জাতি ঐক্যবদ্ধ হয়ে মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল। তাঁর নির্দেশনা মোতাবেক ৯ মাসের সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে বীর বাঙালি ৭১’র ১৬ ডিসেম্বর বিজয় ছিনিয়ে নেয়। জন্ম হয় স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের।

জাতির এই মহান কারিগর এর জন্মদিন উপলক্ষে তারানগর ইউনিয়নের দলীয় সকল নেতা নেত্রী ও কর্মীদের ছিল বিনম্র শ্রদ্ধা ও ভালবাসা।

উপস্থিত ছিলেন তারানগর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আজিজুর রহমান খান, তিনি বলেন আমরা এই পৃথিবীতে এসেছি পৃথিবী ছেড়ে যাওয়ার আগ মুহূর্ত পর্যন্ত বঙ্গবন্ধু নীতি আদর্শ শ্রদ্ধাভরে পালন করব।

সাধারণ সম্পাদক মোঃ মোশাররফ হোসেন ফারুক, চেয়ারম্যান তারানগর ইউনিয়ন পরিষদ, বলেন এই স্বাধীনতার মাসে মহান মুক্তিযুদ্ধের দেশ প্রেমিক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর পরিবার দেশ ও জাতির জন্য নিরলস শ্রম ও আদর্শ জাতির পিতার সুযোগ্য রত্ন কন্যা দেশ নেত্রী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য আমরা প্রতিশ্রুতি বদ্ধ।

রেশমা জামান রেশমা সভাপতি কেরানীগন্জ মডেল থানা যুবমহিলা লীগ, মোঃ রায়হান আহমেদ জিলানী, সভাপতি, আ্ওয়ামী যুবলীগ, মোঃ মনিরুজ্জামান মনির, সাধারণ সম্পাদক আওয়ামী যুবলীগ , ইকবাল হোসেন শাকিল সাধারণ সম্পাদক তারানগর ইউনিয়ন সেচ্ছাসেবকলীগ, মোঃ সলিম সভাপতি তারানগর ইউনিয়ন জাতীয় শ্রমিকলীগ এবং অসংখ্য নেতা-কর্মীরা।