নিউজ ডেস্ক:: নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চে ভয়াবহ হামলা ফেসবুকের ওপর বৈশ্বিক চাপ বাড়ছে ফেসবুকে সরাসরি সম্প্রচার হওয়ার পর থেকে ।  কীভাবে ফেসবুক আপত্তিকর সহিংস কন্টেন্ট তাদের প্ল্যাটফর্মে ছড়িয়ে পড়ার সুযোগ দিয়েছে, তা নিয়ে সমালোচনা হচ্ছে। দাবি উঠছে ফেসবুকের লাইভস্ট্রিম বন্ধ করে দেওয়ার ।

এ ছাড়াও এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনা গুগলের ইউটিউব, টুইটারেও ছড়িয়ে পড়েছে। এসব ভিডিও কনটেন্ট সরিয়ে ফেলতে হিমশিম খেতে হচ্ছে তাদের। কিন্তু মসজিদে হামলার ঘটনাটি ফেসবুকে সরাসরি সম্প্রচারের জন্য বেছে নেওয়ায় এ প্ল্যাটফর্ম নিয়ে বেশি আলোচনা হচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্রেও এসব কোম্পানির সমালোচনা হচ্ছে। সেখানকার প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী এলিজাবেথ ওয়ারেন নির্বাচনে জিতলে ফেসবুক, গুগল ও আমাজনের মতো কোম্পানিগুলোকে ভেঙে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন।

ফেসবুক কর্তৃপক্ষ বলছে, ২৪ ঘণ্টায় ১৫ লাখ ভিডিও সরানো হয়েছে। এর মধ্যে অধিকাংশই আপলোড করার সময় বাধা দেওয়া হয়েছে। কিন্তু তিন লাখ ভিডিও পোস্ট হয়ে গেছে।

এ দৃশ্য সরাসরি সম্প্রচারের প্রতিবাদ স্বরুপ ফেসবুক ও গুগল থেকে বিজ্ঞাপন প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে নিউজিল্যান্ডের বড় কিছু ব্রান্ড।  সিদ্ধান্ত নিয়েছে এএসবি, লোটো এনজেড, বার্গার কিং, স্পার্ক সহ আরো বেশ কিছু কোম্পানি। নিজেদের মতো করে এ ক্ষেত্রে সিদ্ধান্ত নিয়েছে যেসব কোম্পানি তার মধ্যে রয়েছে কিউইব্যাংক। শুক্রবার হামলার পর ওইদিন বিকেল থেকেই এ দুটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম থেকে ডিজিটাল বিজ্ঞাপন স্থগিত করেছে তারা। হামলা সরাসরি সম্প্রচার করার কারণে যে মানসিক ক্ষতি হয়েছে তার বিরুদ্ধে একত্রিতভাবে অবস্থান নিয়েছে তারা। সপ্তাহান্তে বিভিন্ন কোম্পানির মার্কেটিং ম্যানেজাররা এ জন্য কথা বলেছেন।

এ খবর দিয়েছে অনলাইন নিউজিল্যান্ড হেরাল্ড।