ডেস্ক : ঘূর্ণিঝড় ফণীর আঘাতে এখন পর্যন্ত ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা যায়। ভারতের সংবাদমাধ্যমগুলোতে প্রকাশিত প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

জানা যায়, ভারতের স্থানীয় সময় সকাল ৮টার দিকে ঘণ্টায় ২১০ কিলোমিটার বেগে আঘাত হানে এটি। সেইসঙ্গে শুরু হয় ঝড়ো বাতাস ও প্রবল বৃষ্টিপাত। এতে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে পুরি ও গোপালপুরের বিভিন্ন এলাকা। ইতোমধ্যে ওড়িশার ১১ লাখ বাসিন্দাকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেয়া হয়েছে।

শুক্রবার স্থানীয় সময় সকাল ৮ টার দিকে অতিশক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় ফণীর আঘাতে লণ্ডভণ্ড হয়ে যায় ভারতের ওড়িশার পুরী ও গোপালপুর। ফণী পাঁচ মাত্রার, কাছাকাছি বিশেষ শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় বলে জানিয়েছে দেশটির আবহাওয়া অফিস। ইতোমধ্যে ঝড়ো বাতাস ও প্রবল বৃষ্টিতে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে পুরী, গোপালপুরসহ বিভিন্ন এলাকা। সরিয়ে নেয়া হয়েছে রাজ্যের ১১টি উপকূলীয় জেলার ১১ লাখ বাসিন্দাকে।

ওই অঞ্চলে ৪ থেকে ৬ ঘণ্টা তাণ্ডব চালাতে পারে ফণী। উপকূলীয় অঞ্চলে সাড়ে তিন থেকে ৯মিটার উচ্চতার জলোচ্ছ্বাস আছড়ে পড়তে পারে। এরপর ক্যাটাগরি এক মাত্রায় পরিণত হয়ে আঘাত হানবে পশ্চিমবঙ্গে। এ অবস্থায় শুক্রবার রাত সাড়ে ৯টা থেকে শনিবার বিকেল ৬টা পর্যন্ত কলকাতার নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। বাতিল করা হয়েছে ট্রেন চলাচল।

পশ্চিমবঙ্গ দিয়ে বিকেল নাগাদ মৌসুমি ঝড় হয়ে বাংলাদেশের ওপর দিয়ে বয়ে যেতে পারে ঘূর্ণিঝড় ফণী। এর আগে, ওড়িশায় ১৯৯৯ সালে আঘাত হানা সুপার সাইক্লোনে অন্তত ১০ হাজার মানুষের প্রাণহানি ঘটে। ফণীকে সুপার সাইক্লোন থেকেও শক্তিশালী বলছে ভারতের আবহাওয়া অফিস।