টাঙ্গাইলে আওয়ামী লীগ নেতা মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমদ ও যুবলীগের দুই নেতার হত্যা মামলার আসামি সাবেক সংসদ সদস্য আমানুর রহমান খান রানা জামিনে মুক্তি পেয়েছেন। দীর্ঘ তিন বছর পর কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ে তিনি মুখে কুলুপ এঁটে রেখেছেন বলে জানা গেছে। ঘনিষ্ঠ দু একজন ছাড়া কারও সঙ্গেই কথা বলছেন না তিনি।
আজ মঙ্গলবার সকাল ৯টার কিছু পরে টাঙ্গাইল কারাগার থেকে মুক্তি পান রানা। তিনটি খুনের মামলার আসামি টাঙ্গাইল-৩ আসনের এই এমপির জামিনে মুক্তি নিয়ে সারা দেশেই সমালোচনার ঝড় বইছে। আজ সকাল রানা যখন কারাফটক থেকে বের হয়ে আসেন তখন তার অনুগতরা রানাকে অভিনন্দন জানান। কয়েকজন তার সঙ্গে কথা বলতেও এগিয়ে আসেন। কিন্তু রানা তাদের কারও সঙ্গেই কথা বলেননি বলে জানিয়েছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা।জানা গেছে, রানার অনুসারী অনেক নেতা-কর্মীই তার বাড়িতে ভিড় জমাচ্ছেন। কিন্তু কারও সঙ্গেই কথা বলছেন না তিনি। কয়েকজন সাংবাদিকও রানার সঙ্গে কথা বলা চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু সবাইকেই ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে। তার ঘনিষ্ঠ সহযোগীরা জানাচ্ছেন, রানা বর্তমানে শারীরিকভাবে অসুস্থ। তিনি বিশ্রাম নিতে চান।
উল্লেখ্য, গত ১৯ জুন যুবলীগের দুই নেতা হত্যা মামলায় সাবেক এমপি রানাকে স্থায়ী জামিন দেন উচ্চ আদালত। কিন্তু এই জামিন আদেশ ১ জুলাই পর্যন্ত স্থগিত করেন আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি। পরবর্তী সময়ে এমপি রানাকে হাইকোর্টের দেওয়া জামিন বহাল রাখেন আপিল বিভাগ। রাষ্ট্রপক্ষের আবেদন খারিজ করে গত সোমবার প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন আপিল বেঞ্চ এ আদেশ দেন। এর আগে মুক্তিযোদ্ধা ফারুক হত্যা মামলায়ও হাইকোর্ট তাকে জামিন দেন। এরপর আজ সকালে টাঙ্গাইল কারাগার থেকে মুক্তি পান রানা।