প্রতিবেদক, দামুড়হুদা (চুয়াডাঙ্গা) : চুয়াডাঙ্গা দামুড়হুদা উপজেলার কার্পাসডাঙ্গা ইউনিয়নের লম্পট মিঠুনের বিরুদ্ধে এলাকার কয়েকজন নারীকে ধর্ষণের চেষ্টা করার সংবাদ প্রকাশিত হওয়ায় সংবাদকর্মীকে হুমকি দেয়ার অভিযোগ উঠেছে মিঠুন ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে। “দৈনিক এই আমার দেশ” পত্রিকায় ধারাবাহিক সংবাদ প্রকাশিত হলে বিভিন্নভাবে হুমকি দিয়ে আসছে মিঠুন।
অবশেষে মিঠুনের বিরুদ্ধে ভুক্তভোগী গৃহবধূ বাদী হয়ে গত বুধবার দামুড়হুদা মডেল থানায় মামলা দায়ের করেছে।লম্পট মিঠুন কে বাঁচাতে বাঘাডাঙ্গার চিহ্নিত কয়েক দালাল ভুক্তভোগী পরিবার কে দশ লক্ষ টাকা দিয়ে হলেও ম্যানেজ করে আপোষ মিমাংসার চেষ্টা চালাচ্ছে বলে জানা গেছে।তবে মামলা করায় মেয়ে পক্ষ টাকার কাছে নতি স্বীকার না করে লম্পট মিঠুনের কঠোর শাস্তির দাবীতে অনড় রয়েছে। লম্পট মিঠুনকে আইনের আওতায় এনে কঠোর জিজ্ঞাসাবাদের দাবী জানিয়েছেন এলাকাবাসী সহ সচেতন মহল।কারন লম্পট মিঠুন একাধিক ধর্ষন চেষ্টার অভিযুক্ত।তাকে কঠোর জিজ্ঞাসাবাদ করলেই হয়তো বেরিয়ে আসবে বাঘাডাঙ্গার সে কতজনকে ধর্ষন করেছে।হয়তো তারা মানসম্মানের ভয়ে মুখ খোলেনি।লম্পট মিঠুর শাস্তির দাবীতে একতাবদ্ধ হয়েছে গ্রামবাসী।সম্প্রতিকালে প্রকাশ পাওয়া লম্পট মিঠুর ধর্ষন চেষ্টার ঘটনা নিয়ে পুরো গ্রাম জুড়ে তোলপাড় শুরু হয়।এ ঘটনায় প্রকাশ পাবার পর গ্রামে বেরিয়ে আসে লম্পট মিঠুনের একের পর এক কুকীর্তির ঘটনা।তার দোকানে মাল আনতেও গেলেও সে বেশ কয়েকজন গৃহবধূর হাত চেপে ধরে।তারা মানসম্মানের ভয়ে তা চেপে যায়।এ বিষয়ে লম্পট মিঠুনের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক সংবাদ প্রকাশিত হতে থাকলে লম্পট মিঠুনের পক্ষ নিয়ে এক ব্যাক্তি চুয়াডাঙ্গার পরিচয় দিয়ে কার্পাসডাঙ্গা প্রেসক্লাবের সাংগঠনিক সম্পাদক সাংবাদিক মেহেদী হাসান মিলনকে মুঠোফোনে সংবাদ প্রকাশ থেকে বিরত থাকার হুমকি দেন।সাংবাদিককে হুমকির ঘটনায় কার্পাসডাঙ্গা প্রেসক্লাবের সভাপতি এম এ জলিল ও সাধারন সম্পাদক হাসমত আলী,সহ-সভাপতি অরন্য আতিক তীব্র নিন্দা সহ প্রতিবাদ জানিয়েছেন।