সৈয়দ মোহাম্মদ তুষার. নোয়াখালি থেকে : নোয়াখালীর চাটখিল পৌরসভা ১৯৯৫ ইং সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। ২০০১ সালে প্রথম শ্রেনীর পৌরসভায় উন্নীত হয়। কিন্তু পৌরবাসী নুন্যতম সেবাটুকু থেকে আজও বঞ্চিত।
বর্তমান সরকারের শাসন আমলে সারা দেশে আনাচে কানাচে ব্যাপক উন্নয়ন হলেও চাটখিল পৌরসভায় চোখে পড়ার মতো কোন উন্নয়ন হয়নি। বর্তমান পৌর মেয়রের প্রায় ৪ বছর সময়কাল অতিবাহিত হলেও তিনি পৌরসভার সকল কর্মকান্ড নিজের ইচ্ছামত স্বেচ্চাচারিতার মাধ্যমে চালিয়ে যাচ্ছেন। তিনি স্থাানীয় সরকার মন্ত্রনালয়ের অধিনস্ত হলেও স্থাানীয় সরকার এর কোন নিয়ম নীতির তোয়াঙ্কা করেন না। বিগত ৪ বছরে যে টুকটাক কাজগুলোর যে টেন্ডার গুলো করেছেন তা নিজের পালিত লোকজন কে দিয়ে নিন্মমানের নির্মান সামগ্রী ব্যাবহার করে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। তিনি বিগত সময়ের কোরবানির গরুর হাটের ডাকসহ সকল প্রকার ইজরা কোন রকমের প্রচার প্রচারনা ছাড়া নিজের মত করে নিজের লোকজন দিয়ে তা ভাগ বাটোয়ারা করে নিয়ে যান। যদিও এর জন্য মাইকিং, পোষ্টারিং করার নিয়ম স্থাানীয় সরকারের আইন থাকলেও কিছুই পালন হচ্ছে না চাটখিল পৌরসভায়। পৌরসভায় যেই কয়েকটি রাস্তা সংষ্কার করা হয় তার বেশির ভাগ মালামালই নিন্মমানের সামগ্রী ব্যাবহার করা হয়। সারেজমিনে দেখা যায়, পৌরসভার তেমন কোন রাস্তায়ই জনসাথারনের চলাচলের উপযোগী নয়। ১ম শ্রেনীর পৌরসভায় রাস্থাায় লাইটিং করার কথা থাকলেও এখানে লাইটিং এর অবস্থাা খুবই করুন। পৌরসভা এলাকায় ভুতুড়ে অবস্থাা বিরাজ করছে। চাটখিল ইপজিলা পরিষদের প্রানকে›দ্রে পৌরসভার ময়লা স্তুপ এর কারনে উপজেলা পরিষদের ভিতর দিয়ে চলাচল করা কঠিন হয়ে দাঁঢ়িয়েছে। এতে করে উপজেলা পরিষদ এলাকায় পরিবেশ দুষনের মাত্রা মারাত্বক আকার ধারন করেছে। এছারাও চাটাখিল বাজারের দিঘীর পানির ময়লার দুর্গন্ধে ব্যাবসায়ীরা অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে। এলাকার লোকজনের মতে দিন দিন চাটখিল পৌরসভা বসবাসের অযোগ্য হয়ে উঠছে। এদিকে চাটখিল পৌরসভায় গত তিন বছর ধরে পৌরসভায় গত তিন বছর থেকে নির্বাহী প্রকৌশলী না থাকায় পৌর এলাকায় নির্মান কাজ তদারকি করার মত কেউ নেই। পৌরসভার অফিস সুত্র্রে জানা যায়, পৌরসভা কর্মকর্তা কর্মচারীরা গত চার মাস যাবত কোন বেতন ভাতা পান না। ফলে তারা মানবেতর জীবন জাপন করছেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পৌরসভার জন সাধারনের সাথে কথা বললে তারা জানান তারা চাটখিল গৌরসভায় বসবাস করে তারা নিজেকে অসহায় মনে করছেন। এ বিষয়ে চাটখিল পৌরবাসী সমাধান এর জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, স্থাানীয় সরকার মন্ত্রী ও সংশ্লিষ্ঠদের দৃষ্টি আকর্শন করছেন।

 মেয়র মোহাম্মদ উল্লাহ