নিজস্ব প্রতিবেদক : সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা ও জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের প্রথম জানাজা সম্পন্ন হয়েছে।

রোববার বাদ জোহর ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট জামে মসজিদে তার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।

এরশাদের ছোট ভাই ও জাতীয় পার্টির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদের, ছেলে শাদ এরশাদ, জাতীয় পার্টির মহাসচিব মসিউর রহমান রাঙ্গা, প্রেসিডিয়াম সদস্য এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদার, ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ, কাজী ফিরোজ রশীদ, জিয়াউদ্দিন আহমেদ বাবলু, সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা, সাহিদুর রহমান টেপা, হাবিবুর রহমান, এসএম ফয়সল চিশতী, আজম খান, মাসুদ পারভেজ সোহেল রানা, আবদুস সবুর আসুদ, তাজ রহমান, মেজর (অব.) খালেদ আখতার, সফিকুল ইসলাম সেন্টু, মিজানুর রহমান, রেজাউল ইসলাম ভূইয়া, আলমগীর সিকদার লোটন, এমরান হোসেন মিয়াসহ জাতীয় পার্টির সর্বস্তরের নেতাকর্মীরা জানাজায় অংশ নেন।

সেনাবাহিনীপ্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ, সাবেক সেনাপ্রধান আবু বেলাল মোহাম্মদ শফিউল হক, বিমানবাহিনীপ্রধান এবং বর্তমান ও সাবেক শীর্ষ সেনা কর্মকর্তারা জানাজায় উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়া ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আতিকুল ইসলাম ও বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেমন সাবেক এই রাষ্ট্রপতির জানাজায় অংশ নেন।

এর আগে সিএমএইচ থেকে এরশাদের মরদেহ ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট জামে মসজিদে নেয়া হয়।

জাতীয় পার্টি সূত্রে জানা গেছে, আগামীকাল সোমবার সকাল ১০টার দিকে জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় এরশাদের দ্বিতীয় জানাজা হবে। বেলা ১১টায় এরশাদের মরদেহ নেয়া হবে কাকরাইলে জাতীয় পার্টির কার্যালয়ে।

বাদ আসর বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে এরশাদের তৃতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। রাতে সিএইমচের হিমঘরে এরশাদের মরদেহ রাখা হবে।

মঙ্গলবার সকাল ১০টায় এরশাদের মরদেহ হেলিকপ্টারে করে নিয়ে যাওয়া হবে রংপুরে। সেখানে জানাজার পর মরদেহ নিয়ে আসা হবে ঢাকায়।

মঙ্গলবার ঢাকার সামরিক কবরস্থানে এরশাদের দাফন হবে।

গত ২৬ জুন সকালে এরশাদ (৮৯) অসুস্থবোধ করলে তাকে সিএমএইচে ভর্তি করা হয়। তিনি রক্তে হিমোগ্লোবিন-স্বল্পতা, ফুসফুসে সংক্রমণ ও কিডনির জটিলতায় ভুগছিলেন। তিনি লাইফ সাপোর্টে ছিলেন।