প্রতিবেদক, দামুড়হুদা (চুয়াডাঙ্গা)
চুয়াডাঙ্গা দামুড়হুদা উপজেলার কার্পাসডাঙ্গার হারুন অর রশীদ ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে পুলিশে চাকরি দেবার নাম করে ১০ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীদের নানান ভাবে হুমকি অব্যাহত রেখেছে হারুন রশীদ ওরফে বাঙ্গাল।

অভিযোগ সুত্রে জানা যায়,
ঢাকার মৃত আব্দুর রশিদের ছেলে মুন্সিপুর গ্রামের রোজিনাকে বিবাহ করে প্রায় ১৫ বছর যাবৎ কার্পাসডাঙ্গায় বসবাস করে আসছে।বিগত প্রায় ৫ বছর পূর্বে সে কার্পাসডাঙ্গায় জমি কিনে ঘরবাড়ি করে বসবাস করে আসছে।এলাকাবাসী এই হারুন অর রশীদ ওরফে বাঙ্গাল কে দালাল হিসাবে চিনে।হারুন অর রশীদ ওরফে বাঙ্গাল নিজেকে খুব বড় মাপের মানুষ হিসাবে পরিচয় দিয়ে ও তার সাথে প্রশাসনের বড় বড় কর্মকর্তার পরিচয় দিয়ে এলাকার বিভিন্ন লোকের কাছে পুলিশসহ প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরে চাকরি দেবার নাম করে হাতিয়ে নেই টাকা। এমনি ভাবে হারুন অর রশীদ ওরফে বাঙ্গাল কার্পাসডাঙ্গার লিটনের ছেলে রাসেলকে পুলিশে চাকরি দেবার নাম করে তার কাছ থেকে হারুন ও তার স্ত্রী রোজিনা নগদ ৪ লক্ষ ৬৩ হাজার টাকা নেই ও আরামডাঙ্গা গ্রামের মৃত আ:সামাদের ছেলে কামরুজ্জামানের কাছে ৬ শতক জমি বিক্রি বাবদ বায়না নামা হিসাবে হারুন অর রশীদের বউ রোজিনা নেই।লিটনের ছেলে রাসেলের চাকরি না হলে সে টাকা ফেরতের জন্য হারুন ও তার স্ত্রী রোজিনাকে চাপ দিতে থাকে।হারুন ও তার স্ত্রী আজকাল করে রাসেলকে ঘোরাতে থাকে।এদিকে কামরুজ্জামান রানা জমির বায়না করে তা রেজিষ্ট্রি করার জন্য যেতে বললে বেঁকে বসে ধূর্ত রোজিনা।সে আজকাল করে ঘোরাতে থাকে।টাকা পাওনার ব্যাপারে ও জমির বায়নানামার ষ্ট্যাম্প রাসেল ও কামরুজ্জামানের কাছে প্রমান সরুপ আছে সেই সাথে ব্যাংক চেক ও রয়েছে কামরুজ্জামানের কাছে প্রমান সরুপ।বিষয়টি নিয়ে জানাজানি হলে স্থানীয় নেতা সাবেক মেম্বর বকুল,শ্রী শম্ভু গোপাল বসু,মিয়াজান,সাজেদুল বিশ্বাস মিঠুর উপস্থিতিতে দুপক্ষ বসে স্ট্যাম্পের মাধ্যমে লিখিত করে আপোষ মিমাংসা করে।আপোষ মিমাংসার পরে নির্ধারিত সময়ে টাকা ফেরত না দিয়ে হারুন ও রোজিনা আজকাল করে ঘোরাতে থাকে।বর্তমানে পাওনাকৃত টাকা চাইতে গেলে হারুন ও তার স্ত্রী ভুক্তভোগীদের নামে হয়রানীমূলক বিভিন্ন মামলা দেবার হুমকি দিচ্ছে বলে জানা গেছে।এ বিষয়ে জানতে হারুন অর রশীদ ও তার স্ত্রী রোজিনার সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তা সম্ভব হয়নি।
হারুন ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে গভীর তদন্ত পূর্বক আইনগত ব্যাবস্থা নিতে চুয়াডাঙ্গা পুলিশ সুপার মাহবুবুর রহমান পিপিএম এর আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছে এলাকাবাসীসহ সচেতন মহল।