আফজালুল হক, চুয়াডাঙ্গা: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাঁর নির্বাচনী ইশতেহারে যে আমার গ্রাম আমার শহরের কথা বলেছিলেন, চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক গোপাল চন্দ্র দাস ও সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ওয়াশীমুল বারির মহতি
উদ্যোগ ও পরিকল্পনায় তা বাস্তবায়ন হতে চলেছে।

২০৪১ সালে একটি গ্রাম কেমন হবে ২০১৯ সালেই তা মডেল হিসেবে দাঁড় করিয়েছেন তারা। চুয়াডাঙ্গা জেলার সদর উপজেলার দোয়ার পাড়া গ্রামে ইতেমাধ্যে ৮০০ /৮০০ গজ এলাকা জুড়ে চালু করেছেন ওয়াইফাই সুবিধা।

গড়ে উঠছে বিনোদন পার্ক, খেলার মাঠ, পাঠাগার, তৈরি হচ্ছে সাপ্লাই পানির ট্যাংক। এককথায়, একটি আদর্শ ডিজিটাল গ্রামের মডেল।

একদিন বাংলাদেশের সকল গ্রাম হবে ডিজিটাল গ্রাম। এই লক্ষ্যে গ্রামীণ জনপদে তথ্য প্রযুক্তির সকল সুবিধা পৌঁছে দিতে কাজ করছে
সরকার। সেটির একটি মডেল চুয়াডাঙ্গা জেলার দোয়ার পাড়া গ্রাম।

উল্লেখ্য, আগামীতে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সম্পদ হবে মানব সম্পদ। সেই সম্পদ গড়ে তোলার জন্য প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে সরকার। আমাদের অতীতের সময়ের মধ্যে গত ১০ বছরে আমরা ডিজিটাল যুগে এসে পৌছেছি।

এই দেশের অমিত সম্ভাবনাময় যুব শক্তি তথ্য প্রযুক্তি খাতকে ব্যবহার করে দেশকে উন্নত বাংলাদেশের পর্যায়ে নিয়ে যাবে। ষাট এর দশকে এই উপমহাদেশের মধ্যে সিংড়ার হুলহুলিয়া গ্রামের কম্পিউটার প্রোগ্রামার হানিফ উদ্দিন মিয়ার হাত ধরে এই দেশে কম্পিউটারের প্রচলন ঘটে।

পরবর্ত্তীতে ১৯৭৩ সালে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের উদ্যোগে বাংলাদেশ আইটিএল এর সদস্য পদ লাভ করে এবং বেতবুনিয়াতে স্থাপিত হয় ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র। বঙ্গবন্ধুর দেখানো পথেই আজকের বাংলাদেশ ডিজিটাল যুগে প্রবেশ করেছে।