শাহীন চৌধুরীর

নিজস্ব প্রতিবেদক : পাবনার আমিন পুর থানার সুজানগর উপজেলার সাগরকান্দি ইউপি চেয়ারম্যান শাহীন চৌধুরীরর বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছে এলাকাবাসী । বিভিন্ন সময়ে তার পোশা বাহিনীর হাতে হরহামেশায় নিগৃহিত হচ্ছে সাধারণ মানুষ। তার এই চালাআমুন্ডদের হাত থেকে নিষ্কৃতি চেয়েছে এলাকার মানুষ। তার বেপরোয়া কর্মীদেও হাতে অতিসম্প্রতি শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত হয়েছেন সাগরকান্দি ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারন সম্পাদক ত্যাগী নেতা এবং একনিষ্ঠ কর্মী মোতালেব হোসেন সর্দার। তাকে মারধর করে ছিনিয়ে নেয়া হয়েছে মোবাইলসহ নগত টাকা। সাবেক সংসদ সদস্য আজিজুল হক আরজুর ছত্রছায়ায় শাহীন চৌধুরী দ্বারা অত্র ইউনিয়নের বহু নেতাকর্মী, নিরীহ জনগন নির্যাতিত হয়েছে !
ছাত্রলীগের বর্তমান সভাপতি সাইফুল ইসলাম সাদ্দামকে হত্যার উদ্দেশ্যে শাহীন চৌধুরী তার সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে খলিলপুর নতুন বাজারে এসে তুলে নিয়ে যেতে আসে এবং তাকে না পেয়ে বাজারের সকল লোকজনের সামনে সাদ্দামকে অকথ্য ভাষায় গালাগালি করে এবং ফোনে তাকে হত্যার হুমকি দিয়ে যায় ! পরে বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবি সম্বলিত সাদ্দামের পোস্টার গুলো ছিড়ে এবং পুরিয়ে ফেলে ! সাগরকান্দি ওয়ার্ড যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক যুবলীগ নেতা হাসমত খলিফাকে প্রকাশ্য দিবালোকে শাহীন চৌধুরীর উপস্থিতিতে তারই হুকুমে তার ভাতিজা গুলি করে ! অতি গরীব মানুষ হাসমত এখন পঙ্গুপ্রায় ! সাগরকান্দি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহসভাপতি, আওয়ামী লীগের একনিষ্ঠ নেতা/কর্মী রশিদ মোল্লা (গেদন) দুই দুই বার শাহীন চৌধুরী নিজ হাতে মারধর করে এবং তার নিজ বাড়িতে ধরে নিয়ে নির্যাতন করে ! এর প্রতিবাদ করলে সবার স্রধ্যেয় নেতা জনাব শাহ নবী নেওয়াজ খান টিপু স্যারকেও অপমান করে !
ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি, তৎকালীন ছাত্রলীগের সভাপতি নাসিরুল ইসলাম রাসেলকে তৎকালীন সুজানগর পৌর আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক, বর্তমান সুজানগর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক, সুজানগর উপজেলাচেয়ারম্যান শাহিনুজ্জামান শাহিনের সামনেই মারধর করে।
সাগরকান্দি ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারন সম্পাদক ত্যাগী এবং একনিষ্ঠ কর্মী মোতালেব হোসেন সর্দারকে দুই দুই বার নিজ হাতে মারধর করে এবং মিথ্যা মামলায় তাকে একাধিক বার জেল খাটায়!
এছাড়া বরুরিয়ার ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ সভাপতি আছির উদ্দিনের বাড়িতে শাহীন চৌধুরীর হুকুমে তার সাঙ্গপাঙ্গরা তার বাড়ি ভাংচুর করে এবং বাড়িতে থাকা পুরুষ, মহিলাদের উপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালিয়ে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে।

নির্যাতিতদের একজন


যুবলীগের একনিষ্ঠ কর্মী, বর্তমান সংসদ সদস্য,পাবনা ২ আহমেদ ফিরোজ কবির এর কাছের এখন কর্মী, ইউসুফ শেখ এর ছোট ভাইকে হত্যার চেষ্টা চালায় শাহীন চৌধুরীর প্রশ্রয়ে তারই ভাতিজা রবিন তাকে কুপিয়ে জখম করে!
এছাড়াও সাগরকান্দি ইউনিয়ন ছাত্রলীগের কমিটি করাকে কেন্দ্র করে সাগরকান্দি রিয়াজ উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে পাবনা জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি, বর্তমান পাবনা জেলা যুবলীগের যুগ্ন আহবায়ক শিবলী সাদিক কে অবরুদ্ধ করে রাখে এবং তাকে অপমান করে !
প্রবীণনেতা আলীমকে শাহীন চৌধুরীর নিজ বাড়িতে ধরে নিয়ে মারধর করে এবং তার প্রতি অকথ্য নির্যাতন চালায়। নিজের স্বার্থে দলীয় প্রভাব খাটিয়ে অসংখ্য সাধারন নিরীহ জনগনকে বিএনপি জামাত বানিয়ে মিথ্যা মামলা, হামলা ইত্যাদি দিয়ে হয়রানি করছে।
তাই সুজানগর এবং আমিনপুরের সকল আ‘লীগ, ছাত্র লীগ যুবলীগ তথা সকল নেতাকর্মীরা এই সন্ত্রাসী চেয়ারম্যান এবং তার গু-াদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানিয়েছে। এখনই ব্যবস্থা নেয়া না গেলে এলাকায় অশান্তির দাবানল জলে উঠতে পারে বলে এলাকা ঘুরে জানা গেছে।