আফজালুল হক, চুয়াডাঙ্গা: চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা ওয়াশীমুল বারী চুয়াডাঙ্গাতে এক ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছেন। সদর থানার বীর মুক্তিযোদ্ধাদেও নামের তালিকা একটি ম্যাপের মধ্যে খোদাই করে সংরক্ষণ করা হবে।

সারা দেশের ভিতরে এটিই প্রথম। যার মাধ্যমে আমাদেও আগামী প্রজš§ আমাদের বীরদের সর্ম্পকে জানতে পারবেন। গত ১৯ এপ্রিল খুলনা বিভাগীয় কমিশনার লোকমান হোসেন মিয়া “বীর ঠিকানা” এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।

ম্যাপে ৫৬৪ জন মুক্তিযোদ্ধার নাম অন্তর্ভূক্ত হয়েছে। অত্যন্ত সর্তকতা এবং স্বচ্ছতার সাথে এসকল মুক্তিযোদ্ধাদের নাম ম্যাপে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ম্যাপটির উচ্চতা ১৪ ফুট এবং প্রস্থ ১৬ ফুট।

এ প্রসঙ্গে কথা হয় চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তার সাথে। প্রথমে তার কাছে জানতে চেয়েছিলাম আপনার উদ্যোগের পিছনে আপনার কোন দ্দেশ্য কাজ করেছেআর আপনি এই উৎসাহ কীভাবে পেলেন? যেমনটি বললেন মাঠ পর্যায়ের অন্যতম শীর্ষ এই সরকারি কর্মকর্তা।

প্রথমেই তিনি মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান জানিয়ে বলেন, ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ মুক্তিযুদ্ধের সর্বপ্রথম দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় কমান্ড গঠিত হয়েছিলো এই চুয়াডাঙ্গাতে। বলা যেতে পারে স্বাধীনতার সুতিকাগার হচ্ছে আমাদের এই চুয়াডাঙ্গা।

সেদিন যারা স্বাধীনতার জন্য জীবনবাজি রেখে মহান মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন তাদের প্রতি আমাদের কৃতজ্ঞতার সীমা নেই। জাতীর সেই কৃতজ্ঞতাবোধ আমাকে এই কাছে উৎসাহিত করেছে।

চুয়াডাঙ্গার বীর সন্তান যারা মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিযেছিলেন তাদের নাম স্মরণীয় করে রাখার কোনো ব্যবস্থা আজও হযনি। এভাবে চলতে থাকলে একদিন তারা হারিয়ে যাবেন। দেশের এসব শ্রেষ্ট সন্তানেরা যাতে হারিয়ে না যান সেদিকে লক্ষ্য রেখেই এই উদ্যোগ নিয়েছি। চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা পরিষদ চত্বরে নিজ উদ্যোগে ও পরিকল্পনায নির্মিত হয়েছে “বীর ঠিকানা” স্তম্ভটি।

নির্মিত ম্যাপে সদর উপজেলার মুক্তিযোদ্ধারা যেখানে থাকেন সেখানেই দেখানো হয়েছে। টাইলসে খোদাই করে যে নাম অঙ্কিত হয়েছে তা দেখে যেকোনো ব্যক্তি সংশ্লিষ্ট বীর মুক্তিযোদ্ধা কে খুঁজে পেতে পারবে। দেশের এই সূর্য সন্তানদের নাম আর হারানোর সুযোগ থাকবে না বলে তিনি যোগ করেন।

উদ্যোগ গ্রহণের মূল লক্ষ্য হচ্ছে-

১.চুযাডাঙ্গা জেলার বীর মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা প্রণয়ন।

২.চুয়াডাঙা সদর উপজেলা ম্যাপ এর মধ্যে ইউনিয়ন ভিত্তিক তাদের নাম খোদাই করে রাখা।

৩. আগামী প্রজন্ম দের সাথে তাদের পরিচিতি লাভের সুযোগ করে দেওয়া।

৪.চুযাডাঙ্গা সদর উপজেলা বীর মুক্তিযোদ্ধাগণ একীভূত করা

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ বিশ্বের বুকে একটি রক্তাক্ত ইতিহাস। স্বাধীনতা অর্জনের জন্য হাজার ১৯৭১ সালের ২৬শে মার্চ থেকে ১৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত দীর্ঘ নয় মাস পশ্চিম পাকিস্তানের বিরুদ্ধে বাঙালির রক্তক্ষয়ী সংগ্রাম সংঘটিত হয। ৩০ লক্ষ প্রাণ আর ২ লক্ষ মা-বোনের সম্ভ্রমের বিনিময়ে অর্জিত বাংলাদেশের স্বাধীনতা বিশ্বব্যাপী অত্যন্ত মর্যাদার এবং গৌরবের আসনে অধিষ্ঠিত।

উল্লেখ্য, ইউএনও ওয়াশীমুল বারী জনমুখী কর্মকান্ডের কারনে অনেক প্রশংসীত হয়েছেন। তার উল্লেখযোগ্য কাজের ভিতরে রয়েছে, সদর উপজেলায় গর্ভবতী মায়েদের নিরাপদ প্রসব নিশ্চিত ও মাতৃ মৃত্যুর হার রোধকল্পে বহুমুখী পদক্ষেপ।

পল্লী অ্যাম্বুলেন্স

এছাড়াও জেলা সদরের ৭টি ইউনিয়নে পল্লী অ্যাম্বুলেন্স সেবা চালু করন, প্রাথমিকে ঝরে পড়া রোধ ও কোমলমতি শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়মুখী করতে চুয়াডাঙ্গায় দেশের প্রথম আলোকিত ‘স্মার্ট স্কুল’ চালু করন, কোমলমতি শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তি নিভর্র ও আগামীর আলোকিত মানুষ হিসেবে গড়ে তোলা। দেশের প্রথম স্মার্ট স্কুল, তাই স্কুলটিতে ভিন্নতা আছে বেশ। গোটা স্কুল নানা রঙ

দেশের প্রথম স্মার্ট স্কুল