নিজস্ব প্রতিবেদক : সাত দেহরক্ষী এবং বিপুল পরিমাণ টাকাসহ আটক জি কে শামীমের সঙ্গে আওয়ামী লীগের কোনো সম্পর্ক নেই বলে বলে জানিয়েছেন নারায়ণগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল হাই।

গণমাধ্যমকে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল হাই জানান, জি কে শামীম আমাদের কমিটির কেউ না। সে জেলা আওয়ামী লীগের কোনো কমিটিতে ছিল না। এমনকি প্রস্তাবিত কমিটিও ছিল না। তাকে তো আমরা চিনি না। সে যদি সক্রিয় কর্মী হতো তাহলে আমরা তাকে চিনতাম।

তিনি আরও জানান, সে আমার কমিটিতে কোনো পদে নেই। জেলা কমিটিতে থাকার বিষয়ে যে নিউজ প্রকাশিত হচ্ছে আমরা এ বিষয়ে আশ্চার্য হয়েছি। আমরা প্রথমে গণমাধ্যমের বরাতে জানতে পারলাম সে যুবদল থেকে এখন যুবলীগের নেতা।

এর আগে শুক্রবার দুপুর ২ টার দিকে রাজধানীর নিকেতন থেকে র‌্যাবের এক অভিযানের মাধ্যমে আটক হন জি কে শামীম।

র‌্যাবের একটি দায়িত্বশীল সূত্র জানায়, অভিযানে শামীমের কার্যালয় থেকে আগ্নেয়াস্ত্রসহ নগদ ১ কোটি ৮০ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। এ ছাড়া ১৬৫ কোটি ৮০ লাখ টাকার এফডিআর (ফিক্সড ডিপোজিট রিসিপ্ট) জব্দ করা হয়েছে। এর মধ্যে তার মায়ের নামে ১৪০ কোটি টাকা ও ২৫ কোটি টাকা তার নামে।এছাড়াও ৭টি শর্টগান, বিদেশি মূদ্রা ও মাদক উদ্ধার করা হয়েছে।
আটক শামীম নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার সন্মানদী ইউনিয়নের দক্ষিণপাড়া গ্রামের মৃত মো. আফসার উদ্দিন মাস্টারের ছেলে।

শামীম এক সময় ছিলেন বিএনপির ঢাকা মহানগর যুবদলের সহ-সম্পাদক। পরে দল বদলে যোগ দেন আওয়ামী লীগের যুব সংগঠন যুবলীগে। সেই জি কে শামীম এখন যুবলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সমবায় বিষয়ক সম্পাদক বলে জানা যায়। এছাড়াও তিনি নারায়ণগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি পদে রয়েছেন বলে গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়।