উৎপল ঘোষ,অভয়নগরঃস্ত্রী কর্তৃক তালাক পাবার পর অব্যাহত জীবন নাশের হুমকিতে ভীত সন্ত্রস্ত রাত কাটে স্ত্রী-সন্তান হারা ঈসা গাজী (৪৫)। অভয়নগর উপজেলার বাশুয়াড়ী গ্রামের মৃত, সিরাজ গাজীর পুত্র ঈসা গাজীর স্ত্রী চার সন্তানের জননী ২৩ বছরের সংসার জীবনের বন্ধন ছিন্ন করে অবশেষে গত ১১ জুন 2019 সাত নং শুভরাড়া ম্যারেজ রেজিঃ আবু মুসা আকুঞ্চিকে বাড়িতে এনে স্বেচ্ছায় স্বামী ঈসা গাজীকে ডিভোর্স দেন রেখছনা (৩৮) 
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে তালাকের সময় ২৩ বছরের বৈবাহিক সম্পর্ক অটুট রাখতে ম্যারেজ রেজিঃ সহ স্থানীয়রা অনেক বুঝিয়েছেন। রেক্সোনা বেগম কারো কথা কর্ণপাত না করে তালাকনামায় দেনা পাওনা বুঝে পেয়ে সহি করেন এবং পিত্রালয়ে চলে যান।
৬নং বাঘুটিয়া ইউপি পোতপাড়া গ্রামে গিয়ে রোকসানা ছেড়ে আসা স্বামী ঈসা গাজীকে জীবননাশের হুমকি দিয়ে বলেছেন, তোর জীবন শেষ করে দেবো। অনুরূপ হত্যার হুমকি দিয়েছে রেক্সোনার ভাই জাকির শেখ (৪২)।ঈসা গাজীসহ অন্যান্যরা বলেছেন, স্বভাব-চরিত্র কোনদিনই ভালো না। হাতে-নাতে ধরার পরও সংসার সন্তানের কথা ভেবে যন্ত্রনা কষ্ট বুকে ধারণ করে জীবনীপাত  করে আসছিল খেঁঁটে খাওয়া ঈসা গাজী। রেক্সোনার ভগ্নিপতি মুসা ও তার বোন সেলিনা ঘর-সংসার বেঁধে দেওয়ার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়েও তারাও ব্যর্থ হন।ঈসার পৈচাশিক ঘৃণ্য কাজ থেকে ফিরে আসার শত-সহস্র  অনুরোধ তোয়াক্কা না করে বলতো, আমি কোনদিনই ভালো হব না। একথা তালাকে সই করার সময় বলেছিল। ম্যারেজ রেজিঃ  সে কথা তালাক-নামায় লিখে দিয়েছেন। এক এক করে তিন সন্তানকে নিয়ে গেছেন রোকসানা। সর্বহারা হতদরিদ্র দিনমজুর ঈসা কেঁদে বেড়াচ্ছেন। গ্রামবাসী বলছেন, চরিত্র দোষে স্বঘোষিত রেক্সোনা স্বেচ্ছায় তালাক দেওয়ার পরও ঈসাকে হত্যার হুমকি দিবে কেন? ঈসার ভালো হবার  অনুরোধ কাল হয়ে দাঁড়ায়।স্ত্রীর কর্মকাণ্ড নীরবে সহ্য করে চললে সে চলে যেত না। অব্যাহত হত্যার হুমকিতে ঈসা ২ই জুলাই থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায় একাধিকবার অভিযোগ করার সত্বেও কার্যকরী কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি স্থানীয় প্রশাসন। এবং ঈসা গাজীকে একাধিকবার তদন্তের নামে ভিন্ন  ভিন্ন সময়ে তাকে হয়রানি করা হয়।
বিষয়টি দ্রুত তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য উর্ধতন কর্তৃপক্ষের নিকট অনুরোধ করা  হল।