উৎপল ঘোষ , যশোরঃ যশোর সদর অন্তর্গত ১৫নং বসুন্দিয়া ইউনিয়নে অতীতের যথাযথ সুনাম থাকলেও সেটি আজ হারাতে চলেছে , বিশেষ করে বসুন্দিয়া পুরাতন হাটবাজারের আজও পর্যন্ত কোন ধরণের উন্নতি দেখা যায়নি । ব্যবসায়ী খাতে নেই কোন প্রগতি।এই বাজারটির পূর্বের ব্যপক ঐতিহ্য থাকা সত্বেও হয়ে উঠেনি আজও কোন বানিজ্যিক পরিবেশ। শুধু ধ্বংস হচ্ছে ব্যবসায়ী হাল-কাঠামো। যেমন বর্ষাকালে অনেক দূর দূরন্ত থেকে আসা বিভিন্ন ফলের বা যাবতীয় কাঁচামালের ব্যপারীরা ব্যাপকহারে আসে ব্যবসার উদ্দেশ্যে । 
কিন্তু ভাবতে অবাক যে, এই ঐতিহ্যবাহী বাজারটি অত্রকয়েক অঞ্চলের সু-পরিচিত একটি হাটকেন্দ্র। অথচ সেই বাজারটি আজও চির-অবহেলিত। কিন্তু কেন?
স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, এই বাজারটিতে অনেক বিত্তশালী ব্যবসায়ীরা যার যার মত করে এক একটি হাটগলি দখল করে বসে আছে।কিন্তু গলি গুলোর চলাচলের (রাস্তার) আজও কোন পরিবর্তন দেখা যায়নি । হাটের পশ্চিম পার্শের ১নং গলিসহ ২-৩ এবং ৪নং গলিগুলোতে, হাটতে গেলে মানুষ হুঁচট খেয়ে পড়ে। দুঃখজনক হলেও সত্য যে, অতীতের এই জমজমাট বাজারটি আজ খ্যার বাগানে পরিণত হয়েছে।কারণ, এই বাজারে ব্যবসায়ীকদের নেই কোন ব্যবসায়ী ইমেজ, এবং নেই কোন সচেতন অবিভাবক। সংশ্লিষ্ট এক সুত্র জানায়, এই হাটবাজারের আম,কাঁঠাল,লিচু, আনারস ইত্যাদি যাবতীয় কাঁচামালের বাজার থেকে একঝাঁক লোক  হাটবাজারের উন্নয়নের নামে চাঁদা আদায় করে থাকে। আজ বাজার উন্নয়নের বিভিন্ন ইস্যুর মাধ্যমে টাকা আদায়ের অর্থ দিয়ে, বাজারের একটি পাবলিক টয়লেট পর্যন্তও করা সম্ভব হয়নি। তাই বসুন্দিয়া আজ তার নিজ ঐতিহ্য হারাতে চলেছে।