নিজস্ব প্রতিবেদক

যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রলায়ের অতিরিক্ত সচিব কবি আফতাব আহমেদকে দু সপ্তাহ আগে বিয়ে করে আমেরিকা গেছেন গুলতেকিন। ফিরেই বিবাহোত্তর সংবর্ধনা। ৭বছর আগে পরিচয়, তারপর প্রেম, অবশেষে বিয়ে। গুলতেকিন আফতাবকে নিয়ে কবিতাও লিখেছেন। তাকে নিয়ে সন্তানদের সহ সময় কাটিয়েছেন। আফতাবের প্রথম স্ত্রী ব্যারিষ্টার ছিলেন। ১০বছর আগে ডিভোর্স। সন্তান লন্ডনে। গুলতেকিনের বয়স এখন ৫৬। চার সন্তান। ৭৩সালে হুমায়ুন আহমেদকে বিয়ে করেন।

২০০৩সালে তাদের ডিভোর্স, ২০০৫সালে শাওনকে হুমায়ুন বিয়ে করলেও গুলতেকিন বিয়ে করেননি।কবিতা লিখেন। ২০১২সালে হুমায়ুন আহমেদ তুমুল জনপ্রিয়তা নিয়ে ক্যানসারে মারা যান।

৫অক্টোবর গুলতেকিন স্টেটাস দেন যৌথ ঘোষনা বলে, এবার আসুক ঝড়,উঠুক তুফান। ৫নভেম্বর আফতাব ইংরেজী স্ট্যাটাসে বলেন, একদিন সে সামনে বসিয়ে হাত ধরে বললো, পৃথিবীতে সবাইকে মরতে হবে, কিন্তু আমি তোমাকে ছেড়ে যেতে চাইনা। আফতাব বললেন, তোমাকে বাঁচাতে পারি কিন্তু পথ একটাই বিয়ে। কিছুটা থেমে গুলতেকিন সেই পথটাই নিলেন। তিনি তার এক স্বজনকে বলেছেন, আফতাবের মনটা সুন্দর, যা তাকে আকর্ষন করেছে। বিয়ে কাজী অফিসে নয়, গুলতেকিনের বাসায় হয়েছে।

গুলতেকিন জনপ্রিয় লেখক হুমায়ূন আহমেদের প্রথম স্ত্রী ছিলেন। বিয়ের পর তার নাম হয়ে যায় গুলতেকিন আহমেদ। হুমায়ূন শাওনকে বিয়ে করার আগে তাদের মধ্যে বিচ্ছেদ ঘটে। তারপর সন্তানদের নিয়েই জীবন কাটছিল গুলতেকিনের। কখনো আমেরিকা কখনো ঢাকায়। নিয়মিত কবিতাও লিখছিলেন।