পেঁয়াজের মূল্য কারসাজির সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করতে ১৪ জন আমদানিকারককে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে।

সোমবার জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতর তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।

জিজ্ঞাসাবাদে শুল্ক গোয়েন্দারা জানতে পেরেছেন, ভারত পেঁয়াজের দাম বাড়ানোর আগেই কম দামে যে সব পেঁয়াজ আমদানি হয়েছিল সেগুলোই কারসাজি করে বেশি দামে বিক্রি করা হয়েছে। ভারত দাম বাড়ানোর পর দেশে খুব বেশি পেঁয়াজ আসেনি।

শুনানিতে আসা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে- চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদরের রিজু রিটু এন্টারপ্রাইজ, টিএম এন্টারপ্রাইজ, কানসাটের আরএম অ্যাগ্রো, চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদরের নূর এন্টারপ্রাইজ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ বিশ্বরোডের বিএইচ ট্রেডিং, নওগাঁর জগদীশ চন্দ্র রায়, চাঁপাইনবাবগঞ্জের সাজ্জাদ এন্টারপ্রাইজ, চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবনগরের টাটা ট্রেডার্স, চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদরের হুদা ইন্টারন্যাশনাল, বিশাল এন্টারপ্রাইজ, রাজশাহীর আলী অ্যান্ড সন্স।

শুনানিতে অংশ নেয়া এম এস বিশাল এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী আব্দুল আওয়াল বলেন, পেঁয়াজের দাম বৃদ্ধিতে আমাদের হাত নেই। আমাদের কাছে পেঁয়াজ একদিন বা দুদিনের বেশি থাকে না। আমরা নির্দিষ্ট মুনাফা করে পেঁয়াজ বিক্রি করি। দাম নিয়ন্ত্রণ করা সরকারের দায়িত্ব। এখানে আমাদের হস্তক্ষেপ নেই। কাস্টমস গোয়েন্দা সূত্র জানায়, এদিন ১৩ আমদানিকারকে শুনানিতে ডাকা হয়। এর মধ্যে ১০ জন উপস্থিত হয়েছে। এর বাইরে আরও ৪ আমদানিকারক শুনানিতে অংশ নিয়েছেন। আমদানিকারকরা আমদানি ও বিক্রির তথ্য জমা দিয়েছে। তবে কি পরিমাণ মজুদ আছে, কারসাজির সঙ্গে জড়িত কিনা এ সব বিষয়ে প্রশ্ন করা হয়েছে।

শুনানি শেষে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতরের মহাপরিচালক ড. মো. সহিদুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, গত ১ আগস্ট থেকে ১৮ নভেম্বর পর্যন্ত গত সাড়ে তিন মাসের তথ্য নিয়ে আমরা দেখেছি এর মধ্যে যারা বড় আমদানিকারক বা এক হাজার মেট্রিক টনের বেশি পেঁয়াজ আমদানি করেছে তাদের আমরা ডেকেছি। তথ্য সংগ্রহ করার চেষ্টা করছি।