ডেস্ক নিউজঃ দূর্নীতিবাজ মনির হাওলাদার কে গতকাল থেকে যুবলীগের অফিসে নিষিদ্ধ ঘোষনা করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন রকম অভিযোগ পাওয়া যায়।  ১.সম্মেলনের আগে বিভিন্ন লোক কে সাবকমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করে টাকা নেওয়া। ২. সিভি জমা নেওয়ার সময় টাকা নেওয়া। ৩. মেয়র নির্বাচনের সময় বিভিন্ন কমিটিতে লোক অন্তর্ভুক্ত করে টাকা নেওয়া। ৪.ইউরোপের বিভিন্ন দেশের যুবলীগের নেতাদের সাথে যোগাযোগ করা। ও তাদের কাছ থেকে টাকা নেওয়া। ৫.দফতরের আসবাবপত্র কেনার নাম করে বিভিন্ন লোকের কাছ থেকে টাকা নেওয়া। ৬.ভুয়া টেলিভিশন এস টিভি খুলে ও স্বদেশ প্রপার্টিজ কর্পোরেশন খুলে এবং ব্যাংক জালিয়াতির মাধ্যমে ২০ কোটি টাকা আত্মাসাৎ করা। ৭.বিভিন্ন লোক কে চাকুরি দেওয়ার নাম করে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়া।। ৮.মাননীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী ও অন্যান্য মন্ত্রীর নাম করে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার সত্যতার প্রমান পাওয়া গেছে।  সময়োপযোগী পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য যুবলীগের মাননীয় চেয়ারম্যান জনাব ফজলে সামস্ পরশ ও সাধারণ সম্পাদক জনাব মইনুল হোসেন খান নিখিল কে ধন্যবাদ জানায় আওয়ামী যুব লীগের নেতা কর্মীরা।