গঙ্গাচড়া (রংপুর) প্রতিনিধিঃ অব্যাহত বৃষ্টি আর উজানের ঢলে রংপুরের গঙ্গাচড়ায় আবারো তিস্তার পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। ডালিয়া পয়েন্ট সূত্রে জানা যায়, গতকাল ভোর থেকে তিস্তার পানি বিপদসীমার ২২ সে.মি. উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তিস্তার পানি বৃদ্ধির কারনে বন্যার সৃষ্টি হওয়ায় উপজেলার চরা লের প্রায় ৮ হাজার মানুষজন পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। দেখা দিয়েছে বিভিন্ন স্থানে ভাঙন। লোকজন বাড়িঘর দ্রæত গতিতে অন্যত্র সরিয়ে নিচ্ছে। ভেঙে যাচ্ছে নোহালীর বৈরাতী ও আলমবিদিতরের বাড়াতিপাড়ার বেড়িবাঁধের বøক পিচিং এবং বিনবিনা এলাকার পাকা রাস্তা। তলিয়ে গেছে বীজ তলা, পাট ক্ষেতসহ চাষাকৃত শাক সবজি। পানিবন্দি মানুষগুলো গবাদিপশু নিয়ে অতিকষ্টে জীবন যাপন করছে। উপজেলার কোলকোন্দ ইউনিয়নের চিলাখাল, চর মটুকপুর, বিনবিনা, সাউদপাড়া ও উত্তর কোলকোন্দ বাঁধেরধার, নোহালী ইউনিয়নের বাগডোহরা, চর নোহালী, কচুয়া, ল²ীটারী ইউনিয়নের শংকরদহ, চর ইচলী, বাগেরহাট, গজঘন্টা ইউনিয়নের চর ছালাপাক, রামদেব, মণের্য়া ইউনিয়নের তালপট্টি, নরসিংহ, আলাল চর, গঙ্গাচড়া ইউনিয়নের ধামুর বাঁধেরপাড়, গান্নারপাড়, আলমবিদিতর ইউনিয়নের পাইকান, ব্যাঙপাড়া এলাকার মানুষজনক পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। শংকরদহের নুর ইসলাম, সবুজ, সমছেল, গোলজার, জয়নাল ও লাভলু বাড়িঘর সরিয়ে নিচ্ছে। কোলকোন্দ ইউপি চেয়ারম্যান সোহরাব হোসেন রাজু জানান, তিস্তার পানি বৃদ্ধির কারণে ইউনিয়নের সাউদপাড়া, উত্তর কোলকোন্দ, চিলাখাল, বিনবিনা, মটুকপুর এলাকার প্রায় ২ হাজার ৫শ মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। বিনবিনার একমাত্র পাকা রাস্তাটি ভেঙে যাচ্ছে। নোহালী ইউপি চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ টিটুল বলেন, তার ইউনিয়নে ১ হাজার ৫শ মানুষ পানিবন্ধি হয়ে পড়েছে।