নড়াইল প্রতিনিধিঃ নড়াইলের কালিয়ায় মাছ শিকার করে অধিক লাভবান হওয়ার আশায় ৩ টি খালের স্লুইস গেটে খুলে দিয়ে প্রায় ২মাস ধরে অপ্রয়োজনীয় পানি ঢুকিয়ে জমি প্লা’বিত করার খবর পাওয়া গেছে। এতে উপজেলার পেড়লী বিলের প্রায় ৫০০একর জমির রোপা আমন চাষ ব্যা’হত হওয়ার আ’শং’কা দেখা দিয়েছে। ওই ঘটনায় স্থানীয় কৃষকদের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। উজ্জ্বল  রায় নড়াইল জেলা প্রতিনিধি জানান,  জেলার পেড়লী গ্রামের কৃষক গোলাম মোস্তফা শেখ ও সবুজ মোল্যাসহ অনেকেই জানান, স্থানীয় কিছু প্রভা’বশালীরা মাছ শি’কার করে বিক্রিসহ অধিক লাভবান হওয়ার জন্য উপজেলার পেড়লী কাটা খাল, শীতলবাটি বড়বিলা খাল ও জামরিলডাঙ্গার খালের স্লুইস গেটের কেয়ার টেকারদের সঙ্গে অ’নৈতিক যোগসাজসে পেড়লী বিলে মাছ ঢু’কানোর জন্য ওইসব স্লুইস গেটের কপাট খুলে দেয়া হয়েছে।

প্রায় ২ মাস যাবত নদীর পানি বিলে প্রবেশ করায় ওই বিলে রোপা আমন চাষযোগ্য প্রায় ৫০০একর জমি পনিতে প্লা’বিত হওয়ায় ওই সব জমিতে আমন চাষ ব্যা’হত হতে চলেছে। স্থানীয় কৃষকদের অভিযোগ, তারা স্লুইস গেট বন্ধ করার জন্য বিভিন্ন জায়গায় ধ’র্ণা দিয়েও কোন প্রতিকার পাননি।

পেড়লী কাটা খালের স্লুইস গেটের কেয়ার টেকার পল্টু শেখের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ‘মাছের জন্য নয়, পাট চাষীদের সুবিধার জন্য এবং এলাকাবাসির ফেলে দেয়া মরা হাঁস-মুরগী বেরিয়ে যাওয়ার জন্য গেটটির তিন ভাগের একভাগ খুলে দেয়া হয়েছে। তবে কোন অ’সৎ উদ্দেশ্যে বা যোগসাজসে নয়, খালটি পরিস্কার রাখার জন্য যতটুকু প্রয়োজন ততোটুকু খুলে রাখা হয়েছে।’

এ বিষয় উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সুবির কুমার বিশ্বাস বলেন, ‘উপজেলায় চলতি বছর ৯ হাজার ৭৫০ হেক্টর জমিতে রোপা আমন চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এভাবে নদীর পানি বিলে ঢু’কানো হলে ওই বিলে রোপা আমন চাষ ব্যা’হত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।’

কালিয়ার ইউএনও মো. নাজমুল হুদা বলেন, ‘বিষয়টি খোঁজ নিয়ে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হবে।’ নড়াইল পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো.শাহ নেওয়াজ তালুকদার বলেন, ‘বিষয়টিতে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।