মনিরুজ্জামান মুন্নাঃ তার পুরো নাম খান মোঃ গোলাম রসুল (বকুল খান) ১৯৭৭ সালের ১১ নভেম্বর পাবনা জেলার সুজানগর উপজেলার সাগরকান্দি ইউনিয়নের মুরারীপুর গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহন করেন! তার দাদা মৃত আব্দুর রাজ্জাক খান সাগরকান্দি ইউনিয়নের মুরারীপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ও সিন্দুরী বরুরিয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একজন সফল প্রধান শিক্ষক ছিলেন! শিক্ষতার পাশাপাশি তিনি বঙ্গবন্ধুর একজন একনিষ্ট একজন অনুসারী ছিলেন! তিনি ৫২ এর ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে বঙ্গবন্ধুর ৬ দফা, ৬৯ এর গন-আন্দোলন, ৭১ এর মুক্তিযুদ্ধসহ বঙ্গবন্ধুর সকল আন্দোলন সংগ্রামে একান্ত অনুসারী ও সহযোদ্ধা ছিলেন! তিনি এবং তার দুই ছেলে (বকুল খানের বাবা ও চাচা) মুক্তিযোদ্ধা হওয়ায় বা তাদের পরিবার মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের পরিবার হওয়ায় যুদ্ধকালীন এবং যুদ্ধ পরবর্তী অবস্থায় তাদের পরিবার পাকিস্থানী দোসর, রাজাকার বাহিনীর হাতে কয়েকদফা লুটপাট ও হামলার শিকার হোন! বাড়িতে টিনের ঘরটি ছাড়া সব নিয়ে যায় রাজাকার বাহিনী !আর বকুল খানের নানা মৃত জনাব আবুল হোসেন খলিলপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের একজন সফল প্রধান শিক্ষক ছিলেন! 


বকুল খানের পিতা জনাব শাহ নবী নওয়াজ খান টিপু খান ছাত্রজীবন চলাকালীন ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহন করেন ১৯৭৫ সালে বিএ পাশ করে খলিলপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা শুরু করেন ! তিনি অত্যান্ত সুনাম ও সম্মানের সাথে শিক্ষকতা করে ২০১১ সালে শিক্ষকতা পেশা থেকে অবসর গ্রহন করেন.! পরে তিনি ঐ বিদ্যালয়ে কয়েক দফা ম্যানেজিং কমিটির সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন এবং তার বর্নাঢ্য রাজনৈতিক ইতিহাস কারো অজানা নয়.! (পরে বিস্তারিত)বকুল খানের একমাত্র চাচা জনাব শাহ ফিরোজ খানও একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা! ১৯৭১ এর মুক্তিযুদ্ধে তিনি ৭ নং সেক্টরে, বীরস্রেষ্ঠ মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীরের তত্বাবধানে যুদ্ধ করেন! তিনি বাংলাদেশের স্রেষ্ঠ বিদ্যাপিট ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৭৯ সালে রাস্ট্রবিজ্ঞানে এমএ পাশ করেন! পরে তিনি প্রধান হিসাবরক্ষন কর্মকর্তার অফিস-প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে সরকারী চাকুরী করেন এবং অত্যন্ত সততার সাথে তার চাকুরী জীবন থেকে অবসর গ্রহন করে আওয়ামীলীগের রাজনীতির সাথে সরাসরি ঘনিষ্ঠভাবে জরিত হয়ে পড়েন! তিনি বর্তমান সাগরকান্দি ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্বে রয়েছেন!বকুল খানের পিতা বীর মুক্তিযোদ্ধা জনাব শাহ নবী নওয়াজ খান (টিপু খান) শিক্ষতার পাশাপাশি জনগনের ন্যায় বিচার, প্রাপ্য অধিকার নিশ্চিত করা এবং তাদের দুর্দশা থেকে মুক্তির জন্য সাগরকান্দি আওয়ামীলীগের রাজনীতি শুরু করেন! তিনি রাজবাড়ি কলেজে পড়াশোনা চলাকালীন অবস্থায়ই ছাত্র রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলেন পরে ১৯৯৫ সালে তিনি সর্বপ্রথম তৎকালীন জনপ্রিয় নেতা পাবনা জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি জনাব মৃত ওয়াজউদ্দিনের ঘোষনায় এবং তৎকালীন গন-মানুষের নেতা তুমুল জনপ্রিয় সৎ ও সাধারন জনগনের নেতা বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক সহযোদ্ধা, বর্তমান সংসদ সদস্য জনাব আহমেদ ফিরোজ কবির সাহবেবের পিতা, তৎকালীন সংসদ সদস্য জনাব মৃত আহমেদ তফিজউদ্দিন সাহেব এবং তৎকালীন সুজানগর উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক, পরে সফল সভাপতি ও সুজানগর উপজেলার সফল চেয়ারম্যান প্রিয় নেতা প্রয়াত আবুল কাশেম চাচার অনুমোদনে প্রথম সাগরকান্দি ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি নির্বাচিত হোন এবং এরপর যতবার সাগরকান্দ ইউনিয়নের কমিটি হয়েছে প্রতিবারই সাগরকান্দি ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি নির্বাচিত হয়ে অদ্যবদি তিনি টানা ২৬ বছর সভাপতি হিসেবে বহাল আছেন! বিশেষ করে ২০১৩ সালের ইউনিয়ন কাউন্সিলে কিছু সুবিধাবাদি নেতা ও নেত্রীবৃন্দের অনেক বিরোধিতা ও বাধা বিপত্তি সত্ত্বেও প্রয়াত নেতা সুজানগর উপজেলা আওয়ামীলীগের সফল সভাপতি ও সুজানগর উপজেলা চেয়ারম্যান সবার স্রধ্যেয় নেতা মরহুম আবুল কাশেম চাচার ঐকান্তিক চেস্টায় এবং সুযোগ্য সন্তান বর্তমান সুজানগর উপজেলা আওয়ামীলীগের সফল সাধারন সম্পাদক, সুজানগর উপজেলার সফল উপজেলা চেয়ারম্যান প্রিয় নেতা জনাব শাহিনুজ্জামান শাহিন ভাই  ও বর্তমান সুজানগর উপজেলা যুবলীগের সভাপতি সরদার রাজু আহমেদ ভাইয়ের একান্ত চেস্টায় এবং সাগরকান্দি ইউনিয়নের তৃনমুলের নেতাকর্মী ও জনগনের একান্ত ভালবাসা ও কস্টের বিনিময়ে তিনি আবার পুনরায় সাগরকান্দি ইউনিয়নের সভাপতি নির্বাচিত হোন.!!বকুল খানের বাবা জনাব শাহ নবী নওয়াজ খান ১৯৮৪ সাল থেকে ২০০৪ সাল পর্যন্ত বারবার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে একটানা দীর্ঘ ২০ বছর(১৯৮৪ থেকে ২০০৪ সাল) সাগরকান্দি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন ! তার ক্ষমতাকালীন সময় তার দল আওয়ামীলীগ রাস্ট্রক্ষমতায় না থাকায় তাকে অনেক প্রতিকুলতার মাঝে দায়িত্ব পালন করতে হয় এবং এরপরও সফলতার সাথে একজন সৎ ও নিষ্ঠাবান নেতা হিসেবে এখন পর্যন্ত তুমুল জনপ্রিয়তা নিয়ে সাগরকান্দির সভাপতি হিসেবে বহাল আছেন! তার দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে জনগনের সেবা ছাড়া নিজের জন্য তিনি কিছুই করেননি,  এখনও তার তৈরী টিনের ঘরেই তার সন্তানেরা বসবাস করছেন! তারই সুযোগ্য সন্তান জনাব খান মোঃ গোলাম রসুল বকুল বঙ্গবন্ধুর চেতনা আর তার বাবা ও চাচার আদর্শ, সততা আর সাধারন জনগনের ভালবাসার শক্তি নিয়ে জনগনের সেবায় নিজেকে বিলিয়ে দিচ্ছেন!  তিনি এখন সাগরকান্দির মানবতা আর ন্যায় বিচারের প্রতিক ! 


সাগরকান্দি ইউনিয়নে এখন সবচেয়ে আলোচিত নাম বকুল খান,পাঁচ ভাই দুই বোনের মধ্যে বকুল খান সবার বড় ভাই! ছাত্রজীবন থেকেই তার বাবার রাজনীতির সুবাদে সুজানগর তথা অনেক সিনিয়র নেতাদের মাঝে থেকে তিনি বড় হয়েছেন.! জ্ঞান হওয়ার পর থেকেই তার বাবা জনাব টিপু খান ও চাচা জনাব শাহ ফিরোজ খানের কাছ থেকে বঙ্গবন্ধু আর মুক্তিযুদ্ধের গল্প শুনে শুনে, সেই থেকে বঙ্গবন্ধু আর মুক্তিযুদ্ধের চেতনা লালন করে বড় হয়েছেন.! ছোট বেলা থেকেই তাদের বাড়িতে সাবেক মন্ত্রী জনাব নাসিম সাহেব, এ, কে খন্দকার সাহেব, ডিলু চাচা প্রয়াত স্রধ্যেয় কাশেম চাচাসহ এমন অনেক নেতাদের মাঝে তিনি  বড় হয়েছেন !ছাত্রজীবনে তিনি সাতবাড়িয়া কলেজে পড়ালেখা করেছেন এবং সেই সময় তিনি তার বাবার রাজনীতির সবচেয়ে একান্ত মানুষ তার প্রিয় নেতা তৎকালীন সংসদ সদস্য মরহুম আহমেদ তফিজউদ্দিন সাহেব এবং বর্তমান সংসদ সদস্য আহমেদ ফিরোজ কবীর সাহেবদের বাড়িতে যায়গির থেকে পড়াশোনা করেছেন! সেই থেকে বকুল খান তার বাবার দুই রাজনৈতিক নেতা/সঙ্গী তুমুল জনপ্রিয়, সৎ ও আদর্শের প্রতীক তৎকালীন সাংসদ জনাব মরহুম আহমেদ তফিজউদ্দিন এবং প্রয়াত নেতা সুজানগর উপজেলা আওয়ামীলিগের সফল সাধারন সম্পাদক সফল সভাপতি সফল উপজেলা চেয়ারম্যান জনাব প্রয়াত আবুল কাশেম চাচার অনুসরনে এবং তাদের আদর্শে ছাত্র রাজনীতি শুরু করেন এবং তার বাবা জনাব টিপু খান সাহেবের রাজনীতিতে সাহায্য করেন!  সেই সাথে তিনি এলাকার বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক কাজে আত্বনিয়োগ করেন! বকুল খান বিএনপি জামায়াতের অপরাজনীতি ও যেকোন অন্যায়ের বিরুদ্ধে বাবার মতোই স্বোচ্চার ছিলেন এবং সাধারন জনগন বা আওয়ামীলীগের কর্মীদের উপর জুলুমের প্রতিবাদ করা করেন ! বকুল খান একাধারে  একজন সৎ ও নিষ্ঠাবান তরুন রাজনীতিবিদ সেই সাথে একজন নামকরা ক্রিড়াবিদ.! বকুল খান ঐতিহ্যবাহী খলিলপুর মুকুল স্পোর্টিং ক্লাবের একজন তুখোর ফুটবলার ছিলেন এবং পাশাপাশি ব্যাডমিন্টন, ভলিবলসহ বিভিন্ন খেলায় তিনি পুরো থানা বা উপজেলা জুড়ে ব্যাপক শুনাম অর্জন করেন.!পরবর্তীতে ২০০১ সালে বিএনপি জানায়াত জোট সরকার পুনরায় ক্ষমতায় আসলে সারাদেশের ন্যায় সাগরকান্দি ইউনিয়নের সভাপতির ছেলে হিসেবে এবং অন্যায়ের প্রতিবাদী, জনগনের সেবক, যুবসমাজের অহংকার তরুন নেতা হিসেবে বকুল খানের উপর হামলা ও বিভিন্ন মিথ্যা মামলা শুরু হয় এবং তার ছোট ভাই জাহাঙ্গীরকে হত্যার উদ্দেশ্যে মেরে তৎকালীন সাগরকান্দি ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতির বাড়িতে ধরে নিয়ে যায়! পরে এলাকাবাসীকে নিয়ে তার বাবা ও বকুল খান  তৎকালীন বিএনপির সভাপতির বাড়ি থেকে তার ছোট ভাইকে উদ্ধার করে নিয়ে আসেন ! পরে বিভিন্ন মিথ্যা মামলায় জর্জরিত হয়ে জীবন ও জীবিকার তাগিদে বকুল খান ঢাকাতে বেসরকারী একটি গ্রুপ কোম্পানীতে একাউন্টস বিভাগে চাকুরীতে যোগদান করেন.! ঢাকায় চাকুরীরত অবস্থায় তিনি সাগরকান্দির রাজনীতির সাথে অতপ্রোতভাবে জড়িয়ে ছিলেন এবং প্রতি সপ্তাহেই গ্রামে গিয়ে জনগনের খোঁজ খবর নিতেন এবং এলাকার বিভিন্ন বেকার ছেলের চাকুরীর ব্যবস্থা করে দেন, সেই সাথে এলাকার অসুস্থ মানুষদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন এবং বিপদে পড়া এলাকার বহু মানুষদের পাশে দাড়ান.! ঢাকায় চাকুরী করার পাশাপাশি তিনি ঢাকাতে থাকা পাবনা জেলার অনেক সিনিয়র নেতাদের সাথে বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মকান্ডে  জরিত ছিলেন.! 

তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য বর্তমান সাংসদ, পাবনা জেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জনাব আহমেদ ফিরোজ কবীর, বাংলাদেশ আওয়ামী-কৃষকলীগের সাবেক সভাপতি, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ প্রাইভেটাইজেশন কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান (প্রতিমন্ত্রী) এবং বর্তমান বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের উপদেস্টা মন্ডলীর অন্যতম সদস্য,জনাব ডঃ মির্জা আব্দুল জলিল, বাংলাদেশ সরকারের সাবেক সচিব ও বাংলাদেশ ট্যারিফ কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান জনাব ডঃ মজিবুর রহমান, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্র নেতা বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় উপ কমিটির সাবেক সহ-সম্পাদক জনাব কামরুজ্জামান উজ্জ্বল, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্রনেতা বাংলাদেশ ছাত্রলীগ ও বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় সদস্য বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় উপ-কমিটির সাবেক সহ-সম্পাদক জনাব আশেকুর রহমান খান সবুজ এবং বেড়া উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি জনাব আব্দুল আজিজ খানসহ পাবনা জেলার অনেক নেতাকর্মীর সাথে ঢাকাতে তিনি বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মকান্ডে জরিত ছিলেন এবং এখনও আছেন ! এরপর বকুল খানের বাবা জনাব টিপু খান অসুস্থ হয়ে পড়লে এলাকার সাধারন মানুষ অভিভাবহীন হয়ে পড়েন এবং যোগ্য নেতৃত্বের অভাবে সাধারন জনগন নানান অবিচার ও জুলুমের মধ্যে পতিত হোন! তখন সাগরকান্দীর গ্রামগঞ্জের তৃনমুল নির্যাতিত  আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীদের অনুরোধে,বর্তমান সাংসদ পাবনা জেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জনাব আহমেদ ফিরোজ কবির সাহেবের অনুপ্রেরনায় এবং বিশেষ করে বর্তমান সুজানগর উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক সফল উপজেলা চেয়ারম্যান সবার প্রিয় নেতা জনাব শাহিনুজ্জামান শাহিনের উৎসাহে এবং নির্দেশে জনাব বকুল খান এলাকার আপামর জনসাধারনের সেবার উদ্যেশে ঢাকা থেকে চাকুরী ছেড়ে এলাকায় গিয়ে সরাসরি রাজনীতিতে শুরু করেন ! এলাকায় তিনি খুবই দ্রুততম সময়ের মধ্যেই তার বাবার মতো, ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হয়েছেন ! এখন আর এলাকার কাউকে অন্যায় বিচারের মুখোমুখি হতে হয় না, এলাকায় কেও এখন না খেয়ে থাকে না.! রাতদিন জনগনের সেবা করে যাচ্ছেন বকুল খান.! এই মহামারী করোনার সময় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশক্রমে বকুল খান রাতদিন জনগনের সেবা করে যাচ্ছেন, তাদেরকে সচেতন করছেন এবং একজন মানুষও যাতে না খেয়ে থাকেন সেই লক্ষে স্থানীয় সাংসদ জনাব আহমেদ ফিরোজ কবীর সাহেব ও সুজানগর উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক ও উপজেলা চেয়ারম্যান জনাব শাহিনুজ্জামান শাহিন সাহেবের সহযোগীতায় সবার ঘরে ঘরে খাবার পৌছে দিচ্ছেন.!!
বর্তমান সাগরকান্দি ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের একজন অন্যতম সদস্য বকুল খানের জনগনের প্রতি এমন ভালবাসা আর ন্যায় বিচারে খুশি হয়ে এলাকার আপামর জনগন আগামী ইউনিয়ন কাউন্সিলে তাকে সাগরকান্দি ইউনিয়ন আওমীলীগের সভাপতি হিসেবে এবং আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে সাগরকান্দি ইউনিয়নের আগামীর চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চায়! এটা এখন সাগরকান্দি ইউনিয়নের সকল নেতাকর্মী ও আপামর জনগনের জোড় দাবী.!!
তিনি সকলের কাছে দোয়াপ্রার্থী..