আশুলিয়ায় রাতের আধাঁরেই গ্যাসের অবৈধ সংযোগ চলছে 

 সাভার প্রতিনিধি:সাম্প্রতি আশুলিয়ায় ঘটে গেলো অবৈধ গ্যাস সংযোগের লিকেজ থেকে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডের ঘটনা, এতে করে একই পরিবারে ৩জন অগ্নিদগ্ধ হয়ে মারা গেছে। নিন্ম মানের পাইপ আর রাতের আধারে অবৈধ গ্যাস সংযোগ দেওয়ায় প্রায় ঘটছে এমন মর্মান্তিক ঘটনা। কিন্তু কোনো ভাবেই কমছে না গ্যাসের এই অবৈধ সংযোগের সংখ্যা, বরং তা দিনের পর দিন বাড়ছে। এদিকে একের পর এক এই প্রাণঘাতি দূর্ঘটানাকে খুব স্বাভাবি বলেই মনে করছেনঅবৈধ গ্যাস কারবারিরা।  

সরকার শতকোটি টাকা রাজস্ব হারলেও অবৈধ গ্যাস সংযোগের বানিজ্য করে অনেকেই রাতারাতি কোটিপতি হয়ে গেছেন। অন্যদিকে অবৈধ গ্যাস সংযোগের ফলে বৈধ্য গ্যাস সংযোগ গ্রহণকারী পাচ্ছে না তাদের প্রয়োজনীয় গ্যাস সরবারহ।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, আশুলিয়া পূর্ব সদরপুর এলাকার সব কয়টি বাড়িতেই রয়েছে অবৈধ্য গ্যাস সংযোগ। কয়েকজন বাড়ি মালিকের সাথে কথা বলে জানা যায়, তাঁরা এলাকার একজন প্রভাবশালী শাজাহানের নিকট থেকে ১০-১৫ হাজার টাকার বিনিময়ে নিয়েছেন এই অবৈধ্য সংযোগ। শুধু এখানেই নয় এত টাকা দিয়ে লাইন নেওয়ার পরেও বৈধ লাইনের ন্যায় প্রতিমাসে নিয়মিত গ্যাস বিলও দিতে হচ্ছে তাদের।  

এই অবৈধ গ্যাস সংযোগ প্রদানকারীদের সাথে তিতাসগ্যাস ট্রান্সমিশন এন্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির দায়িত্বরত কর্মকর্তা কর্মচারীদের যোগসাজশ রয়েছে বলেও মন্তব্য করছে অনেকেই। তবে বরাবরই এই অভিযোগ প্রত্যাক্ষাণ করেছেন, সাভার তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন এন্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড এর ব্যবস্থাপক প্রকৌশলী আবু সাদাত মোঃ সায়েম।

এ ব্যাপারে আবু সাদাত মোঃ সায়েম বলেন, আপনাদের কাছে বার বার তিতাসের সম্পকৃততার প্রশ্ন শুনে আমি বিব্রতবোধ করি, কে জরিত, কতটুকু জরিত আপনারা আমার থেকে ভালো জানবেন, যেহেতু আপনারা গনমাধ্যম কর্মী, আপনারা অনেকটা জনগনের কাছ পর্যন্ত যেতে পারেন।  আমি বা আমার কেউ যদি জরিত থাকে, আমরা প্রতিষ্ঠানের কেউ জরিত থাকে অবশ্যই তার পূর্ণাঙ্গ পরিচায় দেন, আমাদের কর্তৃপক্ষ তাদের ব্যাপারে যথাযত আইনি এবং বিভাগীয় ব্যবস্থা নিবে।

তিনি আরও বলেন, এই অবৈধ গ্যাস লাইন গুলো নিয়মিত বিচ্ছিন্ন করছি, নিয়মিত মামলাও হচ্ছে, পুলিশের তদন্ত চলছে, এছাড়াও সরকারী অনেক সংস্থার নজরদারিতে রয়েছে। তারা এই অবৈধ গ্যাস সংযোগকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নিবে বলে আমরা আশা করছি।