হালিম সৈকত,  কুমিল্লা।।  কুমিল্লার জেলার নদী চর বেষ্টিত একটি উপজেলার নাম মেঘনা। অবহেলিত এইউপজেলার মানুষের যখন দুঃখ দুর্দশার শেষ নেই,  ঠিক তখনই ত্রাতা হয়ে হাজির সংরক্ষিত মহিলা আসনের এমপি সিআইপি সেলিনা ইসলাম।নদী ভাঙ্গন রোধ, এলাকার মসজিদ-মন্দির, রাস্তাঘাটসহ উন্নয়ন মুলক কাজে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে এগিয়ে আসছেন সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য সেলিনা ইসলাম;  ঠিক তখনই একটা স্বার্থান্বষী  মহল তাঁর এই অর্জনকে ম্লান করার জন্য উঠে পড়ে লেগে যায়। এবং অপ প্রচার লিপ্ত হয়।  সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ অপপ্রচার পৌছে যায় প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার মাধ্যমে দেশের  আপামর মানুষের কাছে। এরই প্রেক্ষিতে সেলিনা ইসলামের কাছ থেকে সময়-অসময়ে সাহায্য পাওয়া এলাকাবাসী ও সাধারণ জনগন বিক্ষোভ ও প্রতিবাদে ফেটে পরে। গত ২৯ জুন এমপি সেলিনা ইসলাম সিআইপি’র নামে কয়েকটি প্রিন্ট মিডিয়ায় মেঘনা উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি মহাসিন গং মিথ্যা মনগড়া ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত তথ্য দিয়ে সংবাদ প্রচার করায়।এলাকাবাসী এই ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে গত ৭জুলাই মানববন্ধন বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ সভা করেন।প্রতিবাদ সভায় বক্তব্য রাখেন, চালিভাঙ্গা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মো. হুমায়ুন কবির, চালিভাঙ্গা ইউনিয়নের কৃষকলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. জয়নাল ভান্ডারী, ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি মো. সফিক দেওয়ান প্রমূখ।বক্তব্যে নেতৃবৃন্দ বলেন, যুবদল সভাপতি মো. মহাসিন সেলিনা ইসলাম এমপির কাছ থেকে বালু কাটা বন্ধের জন্য হাইকোর্টে রিট করতে  সাত লক্ষ  টাকা নিয়েছে। অথচ সে  মিথ্যা ও বানোয়াট তথ্য দিয়েছে সাংবাদিকদের কাছে।  এলাকাবাসীর কাছ থেকে বক্তব্য নিলে ওনারা জানান সেলিনা ইসলাম এমপি দ্বারা আমরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি বরং উনি আমাদের অনেক উপকার করেছেন, এমন মিথ্যা সংবাদ এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি, এলাকাবাসী আরও জানান বালুমহাল ইজারা হয়েছে মোট চারটি তার মধ্যে দুইটি হাইকোর্টে রিট করে বন্ধ করা হয়েছে আর দুইটি চলমান এগুলার মধ্যে সেলিনা ইসলাম ও তার আত্মীয়-স্বজনরা জড়িত নয়, একটি স্বার্থন্বেষী মহল সেলিনা ইসলামের সুনাম ক্ষুন্ন করার জন্য এসব করছে।  মেঘনা উপজেলার ভাইস চেয়ারম্যান মিলন সরকার বলেন, এমপি সেলিনা ইসলাম একজন দানবীর মানুষ। উনি দুই হাতে জনগণকে দেন। কিছু পাওয়ার আশায় উনি এলাকায় আসেন নি। জনগণের ভালোবাসা ছাড়া সেলিনা ইসলাম কিছুই চান না। উনি যেসব সম্পদ অর্জন করেছেন ব্যবসা করে, বালু মহাল দিয়ে নয়।