রাসেল কবির মুরাদ , কলাপাড়া(পটুয়াখালী)প্রতিনিধি   ঃ  কুয়াকাটায় ৮টি
আবাসিক হোটেলে হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকা পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের সেই ১৭
শ্রমিকের করোনা পজেটিভ হওয়া পুন:রায় নমুনা সংগ্রহ করেছেন উপজেলা
স্বাস্থ্যবিভাগ। গত ১১ জুলাই কলাপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগের ড. ফরিদা
হক ইব্রহিম জেনারেল হাপাতাল, চংরা কালিয়াকৈর গাজীপুর থেকে এই নামে ইমেইল
আসে। কে বা কারা এই শ্রমিকের নমুনা সংগ্রহ করছেন তা জানেনা উপজেলা
স্বাস্থ্য বিভাগ। খবরটি ছড়িয়ে পরলে কলাপাড়া-কুয়াকাটার মানুষের মাঝে আতংক
ছড়িয়ে পরে। ওইদিনই রাতে কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নেতৃত্বে
কুয়াকাটায় ৮ হোটেল লকডাউন করে  এবং পটুয়াখালী সিভিল র্সাজনের র্নিদেশে
পুন:রায় ১৭ জন শ্রমিকের নমুনা সংগ্রহ করে পটুয়াখালী সিভিল র্সাজনের অফিসে
পাঠিয়েছেন কলাপাড়া স্বাস্থ্যবিভাগ । শ্রমিকরা হলেন যথাক্রমে: হোটেল গাজী
প্যালেসে রফিকুল ইসলাম (৬০), মেহেদী হাসান (২৫), হান্নান মিয়া (৩০),
হোটেল রয়েল প্যালেসে আবু বক্কর (২৫), হাফিজুল ইসলাম (৩০), হোটেল সমুদ্র
বাড়িতে রেজাউল করিম (৩৪), হোটেল সাফা ইন্-এ সাইফুল ইসলাম (১৮), আল মিজান
মিয়া (২৯), হোটেল তাজওয়ায় সুমন মাহমুদ (৩০), এম.ডি. আ: কাদের (৩৮), হোটেল
সাগরকন্যায় জলিল (৩৭), হোটেল আমানে শাহীন আলম (২৯), হোটেল আল-হেরায় মারুফ
হাসান (৩০), হারুন (৩৫), জয়ন্ত (২২), জহিরুল (২৫), এম.ডি. সোহাগ (১৮)।

কুয়াকাটায় হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকা পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ১৭
শ্রমিকের করোনা পজেটিভ সনাক্তের খবরে আবাসিক হোটেলে-মোটেল মালিক ওর্নাস
এ্যাসোশিয়নের সাধারণ সম্পাদক মোতালেব শরীফ বলেন, করোনা সানাক্তের খবরে
পর্যটন ব্যবসায় নেতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে জানান।

পায়রা তাপবিদুৎ কেন্দ্রের নির্বাহী প্রকৌশলী রেজোয়ান আহম্মেদ বলেন,
কুয়াকাটায় আবাসিক হোটেলে হোম কোয়েরান্টাইনে থাকা করোনায় আক্রান্ত এসব
শ্রমিক পায়রা তাপবিদুৎ কেন্দ্রের নির্মাণ শ্রমিক। তিনি আরো বলেন, এসকল
শ্রমিকদের কুয়াকাটায় আবাসিক হোটেলে রেখেছেন তারা বিভিন্ন ম্যানপাওয়ার
কোম্পানীর শ্রমিক। তাদের যতক্ষন পর্যন্ত করোনা নেগেটিভ না আসবে ততক্ষন
পর্যন্ত পায়রা তাপবিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ গ্রহন করবে না।

কলাপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্যপ্রশাসক ডা: চিন্ময় হালদার বলেন,  পজেটিভ হওয়া
১৭জন শ্রমিক কে বা কাহারা নমুনা সংগ্রহ করছেন তা জানা যায়নি। তবে
হাসপাতালের মেইলে যে র্বাতা আসে তাতে আস্থা না থাকায় কর্তৃপক্ষের
নির্দেশে আবারো নমুনা সংগ্রহ করে জেলা সিভিলসার্জন অফিসে পাঠানো হয়েছে
আশা করা যায় এবার বাস্তবসম্মত   রির্পোট হাতে পাওয়া যাবে।

কলাপাড়া উপজেলা নির্বহী কর্মকর্তা আবু হাসনাত মো: শহিদুল হক বলেন, লকডাউন
করা শ্রমিকদের মধ্যে করোনা পজেটিভ ধরা পরলে কুয়াকাটা পর্যটন শিল্প রক্ষার
জন্য উপর মহলের নির্দেশে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের নির্মাণ
শ্রমিক হিসেবে আনা ১৫১ জন শ্রমিক কুয়াকাটার গাজী প্যালেস, রয়েল প্যালেস,
সমুদ্র বাড়ি, সাফা ইন্, হোটেল তাজওয়া, সাগরকন্যা রিসোর্ট, হোটেল আমান এবং
আল-হেরা আবাসিক হোটেলে অনেকদিন থেকে অবস্থান করছিল