খান নাজমুল হুসাইন, সাতক্ষীরা প্রতিনিধি: সাতক্ষীরায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করায় প্রকাশ্য দিবালোকে এক নারী সাংবাদিককে জীবন নাশের হুমকি দিয়েছে কলারোয়া আলাইপুর গ্রামের মৃত আকবর আলীর পুত্র নুরুল খান, গদখালী গ্রামের ভোলার পুত্র ফিরোজ জোয়ার্দ্দার, আলাইপুর গ্রামের আবুল কালাম লালটুর স্ত্রী কামরুন নাহার ও মৃত আবুল হাসানের পুত্র আরিফ খান ।

সাতক্ষীরার কলারোয়ায় পৈত্রিক জমি ভাগবাটোয়ারা নিয়ে সৃষ্ট বিরোধকে কেন্দ্র করে উদ্দেশ্য প্রনোদিত ভাবে ‘দৈনিক আজকের বসুন্ধরা’ পত্রিকার সাতক্ষীরা জেলা প্রতিনিধি ও ‘সাতক্ষীরা জেলা ক্রাইম রিপোর্টার্স এ্যাসোসিয়েশন’র মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা ও ‘সাপ্তাহিক মুক্তস্বাধীন’ পত্রিকার মহিলা আইন বিষয়ক সম্পাদিকা সাবিনা ইয়াসমিন পলিকে নিয়ে একটি কুচক্রী মহল কুৎসা রটনা করে, ও সাংবাদিকদের একটি মহলকে ভুল বুঝিয়ে কোন রকম সত্যতা যাচাই না করে মনগড়া, মিথ্যা ও বানোয়াট সংবাদ পরিবেশন করে। যার পরিপ্রেক্ষিতে সাংবাদিক সাবিনা ইয়াসমিন পলি ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে কয়েকজনকে নাম উল্লেখ করে দুটি সিআর মামলা করেন। মামলা নং-১৪৮/১৯, ৪৪১/১৯ যা বর্তমানে বিচারাধীন আছে। এরই মধ্যে গত সোমবার সাতক্ষীরা বাসটার্মিনালের সামনের মেইন রাস্তায় পথিমধ্যে বিবাদীদের সাথে দেখা হলে প্রকাশ্য দিবালোকে উগ্রও আগ্রাসীভাবে মামলা তুলে নেওয়ার জন্য তাকে শাসিয়ে যায়। তা না হলে অন্ধ ও প্রয়োজনে দিনে দুপুরে স্বপরিবারে হত্যা করা হবে বলে হুমকি দেয়। এরই পরিপ্রেক্ষিতে সাবিনা ইয়াসমিন পলি জীবনহানীর আশঙ্কায় ও জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে সাতক্ষীরা সদর থানায় গত সোমবারই একটি সাধারণ ডায়েরী করেছেন। ডায়রী নং – ৭১২, তাং ১৩/০৭/২০২০ ইং। ডায়রী করার পরের দিন মঙ্গলবার নুরুল গং এর প্রধান হাতিয়ার ফিরোজ জোয়াদ্দার এর সাথে সাতক্ষীরা সদরের পাসপোর্ট অফিসের সামনে দেখা হলে পুনরায় তিনি শেষবারের মতো মামলা তুলে নেওয়ার জন্য হুমকি দেন ও বলেন যে ‘কলারোয়া উপজেলা চেয়ারম্যান লালটু সাহেবের সাথে তোর বিষয়ে কথা হয়েছে তোকে আর বাঁচিয়ে রাখবো না’। পরবর্তীতে আমাদের সংবাদদাতা কলারোয়া উপজেলা চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম লালটু কে ফোন দিলে তিনি বলেন , ফিরোজ জোয়াদ্দার আমার নাম ভাঙিয়ে নানা রকম আপকর্ম করে যাচ্ছে। এ বিষয়ের সাথে আমার কোন রকম সংশ্লিষ্টতা নেই।’