তারিকুল আলম, সিরাজগঞ্জঃউজান থেকে দেয়ে আসা পাহাড়ি ঢল ও বৃষ্টির কারণে যমুনা নদীর পানি নতুন করে বৃদ্ধি পাচ্ছে। এতে সিরাজগঞ্জের বেলকুচি উপজেলার যমুনা নদীর পানি ৮০ সেন্টিমিটার বিপদ ষিমার উপরদিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। যমুনা নূদীর অববাহিকায় অবস্থান হওয়ার কারণে উপজেলার ১ টি পৌরসভা ও ৬ টি ইউনিয়নের অধিকাংশ গ্রাম তলিয়ে গেছে। এর মধ্যে বেলকুচি পৌরসভা, সদর, রাজাপুর ও বড়ধুল ইউনিয়নের মানুষ পানি বন্ধী রয়েছে। এ কারণে পানিতে তলিয়ে গেছে কৃষকের বসতভিটা, জমির ধান, পাট সহ বিভিন্ন ধরনের খাদ্যশস্য। এতে চরমদূর্ভোগে দিন পার করছে এসব এলাকার মানুষ। বিশেষ করে গরু, ছাগল, হাঁস, মুরগি নিয়ে বিপাকে পরে আছে পানি বন্ধী মানুষ। সরজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, বেলকুচি উপজেলার বেলকুচি সদর, রাজাপুর, বড়ধূল ইউনিয়নসহ পৌর এলাকার বিভিন্ন অঞ্চল নতুন করে প্লাবিত হয়েছে। মানুষের বসতভিটা, রাস্তাঘাট পানিতে তলিয়ে গেছে। যার কারণে অনেকেই ঘরবাড়ি ছেড়ে নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নিয়েছে। এসব বন্যাকবলিত এলাকায় মানুষের সাথে কথা বলে জানা যায়, বন্যার পানিতে তাদের ফসলি জমি তলিয়ে গেছে। যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়েছে। তাদের ভিতরে বিশুদ্ধ পানি ও খাদ্য সংকট দেখা দিয়েছে। তাদেরকে এখন পর্যন্ত সরকারী-বেসরকারী ত্রাণ সহায়তা দেওয়া হয়নি। যার ফলে মানুষ মানবেতর জীবনযাপন করছে। এবিষয়ে বেলকুচি উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম সাজেদুল বলেন, আমরা ইতিমধ্যেই উপজেলার যেসব এলাকা বন্যা কবলিত হয়েছে সেসব এলাকা পরিদর্শন করেছি। তাদের সহায়তার জন্য স্থানীয় ইউপি সদস্যদের মাধ্যমে সরকারী ত্রাণ সহায়তা দেওয়া হবে। বেলকুচি উপজেলা নির্বহী কর্মকর্তা আনিসুর রহমান বলেন, যেসব এলাকার মানুষ বন্যার কবলে রয়েছে তাদের স্বাস্থ্য সেবার জন্য মেডিক্যাল টিম গঠন করা হয়েছে। তাছাড়াও বন্যাকবলিতদের মাঝে ত্রাণ সহায়তা দেওয়া হবে। আমরা দু একদিনের মধ্যেই গৃহপালিত পশুর জন্য গো-খাদ্য পাবো। এটা পেলে সুষ্ঠ ভাবে বন্টন করা হবে।