মোঃ জয়নাল আবেদীন টুক্কু, বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আইসোলেশনে করোনা রোগীর সেবায়  অক্সিজেন সিলিন্ডার দিলেন নির্বাহী কর্মকর্তা সাদিয়া আফরিন কচি।২১ জুলাই (মঙ্গলবার) দুপুর ২টায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে এডিপি,র অর্থায়নে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স প: প: কমর্মকতর্তা ডা, আবু জাফর মো,ছলিমের হাতে  অক্সিজেন সরঞ্জাসহ ৪টি অক্সিজেন সিলিন্ডার ও স্বাস্থ্য উপকরন তুলে দেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাদিয়া আফরিন কচি।
এসময় উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্মরত চিকিৎসক ডা, তামান্না বিনতে ফয়েজী, প্রেসক্লাব সভাপতি শামীম ইকবাল চৌধুরী,ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম কাজল প্রমূখ।
নির্বাহী কর্মকর্তা সাদিয়া আফরিন কচি বলেন,নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আইসোলেশন ৫ বেড থেকে ১৯ বেডে উন্নীত করা হয়েছে ।  কিন্তু পর্যাপ্ত পরিমাণ অক্সিজেন সিলিন্ডারের সংকট রয়েছে সেখানে। সরকারও এ মুহূতে অক্সিজেন সিলিন্ডারের সংকট মেটাতে পারছে না, তাই দেশ এবং এলাকায় এ মহামারি করোনা সংক্রামক প্রতিরোধ করতে এবং আক্রান্ত রোগীদের বাঁচাতে সবার সহযোগিতার প্রয়োজন। তাই জেলা সিভিল সার্জেনের পরার্শে এবং এডিপি,র অর্থায়নে সরামঞ্জামসহ ৪টি অক্সিজেন সিলিন্ডার ও স্বাস্থ্য উপকরণ হাসপাতাল আইসোলেশন রোগীর সেবা পাওয়ার লক্ষে এসব অক্সিজেন গুলো দেয়া হয়েছে।
নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আবু জাফর মো. ছলিম জানান, গত ৪ জুন করোনা ভাইরাস প্রাদুর্ভাব প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ বিষয়ক মতবিনিময় সভায় জেলার সিভিল সার্জন, জেলা পরিষদের প্রতিনিধি, স্থানীয় চেয়ারম্যানসহ রাজনীতিবিদ ও সাংবাদিকগণের উপস্থিতিতে নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ৫ বেডের আইসোলেশন বিভাগ ১৯ বেডে উন্নীত করার জন্য সিভিল সার্জন নির্দেশনা দেন। সেই পরিপ্রক্ষিতে অক্সিজেন সিলিন্ডার সংকটের কথা উঠে আসে মতবিনিময় সভায়।  স্থানীয় নুরুল আবছার সোহেল নামে এক যুবক আইসোলেশনে অক্সিজেন সিলিন্ডারের সংকটের কথা জানতে পারেন এবং করোনা রোগীদের চিকিৎসা পাওয়ার জন্য তার মায়ের ব্যবহৃত অক্সিজেন সিলিন্ডারটি বিনামূল্যে আমাদের দিয়ে দেন। তার ধারাবাহিকতায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাদিয়া আফরিন কচি মহোদয় সরামঞ্জামসহ ৪টি  অক্সিজেন ও স্বাস্থ্য সুরক্ষার উপকরণ প্রদান করেন। এভাবে অন্যরা এগিয়ে এলে অক্সিজেন সিলিন্ডার সংকট দূর হবে এবং রোগীদের চিকিৎসায় কোনো ধরনেন শঙ্কা থাকবে না।