বদিউজ্জামান তুহিন, নোয়াখালী থেকে:: নোয়াখালী জেলা আ’লীগের রাজনীতিতে তৃণমূল থেকে উঠে আসা একজন যুবলীগনেতা একরামুল হক বিপ্লব। তিনি আওয়ামীলীগের দুঃসময়ের ত্যাগী নেতাকর্মীদের প্রথমসারির একজন ছাত্রলীগ নেতা ছিলেন। ছাত্র জীবন থেকে জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে বুকে লালন করে ও ততকালীন জেলা আ’লীগের নেতৃবৃন্দের নেতৃত্বের প্রতি অনুপ্রাণিত হয়ে বেড়ে উঠেছেন একরামুল হক বিপ্লব। নীতি ও আদর্শের উপর ভর করে ১৯৯০ এর স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনের মিছিল মিটিং’র মধ্যে দিয়ে রাজনীতিতে হাতে খঁড়ি হয়। ১৯৯১ সাল থেকে বিএনপি জোট সরকারের সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে স্বোচ্ছার হয়ে রাজপথে আন্দোলন সংগ্রামের মধ্যে দিয়ে ছাত্রলীগের রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়েন। সে থেকে শুরু একজন মুজিব আদর্শে সৈনিক হয়ে এবং একজন বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান হিসেবে দেশ ও মানুষের কল্যানে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদেরকে সাথে নিয়ে বাংলাদেশ আ’লীগের সকল আন্দোল সংগ্রামে রাজপথে উপস্থিত থাকতেন। তার বাবা বীর মুক্তিযোদ্ধা হামিদুল হক বকুল নোয়াখালী আওয়ামীলীগের রাজনীতিতে প্রথম সারির প্রভাবশালী নেতা ছিলেন। বাবার আদর্শ ও সাহসিকতার প্রতি অনুপ্রাণিত হয়ে কখনো ন্যায় ও সত্য থেকে পিছুপা হননি। যার কারণে- রাজনৈতিক ভাবে প্রতিপক্ষের প্রতিহিংসা মূলক অনেক মিথ্যা মামলার আসামী হয়ে একাধিকবার কারাবরণ করেছেন একরামুল হক বিপ্লব। নোয়াখালীর জেলা আ’লীগের রাজনীতির মাঠে শত প্রতিকূলতা থাকা সত্ত্বেও নীতি ও আদর্শ থেকে এক মুর্হূতের জন্য পিছু পা হননি। সব সময় দলীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের সুখে-দুঃখে ও বিপদ- আপদে পাশে দাঁড়িয়ে সার্বিক সহযোগীতা করে যাচ্ছেন। তিনি যেকোন মানুষের বিপদের সময় শত্রু-মিত্র বা রাজনৈতিক ভাবে দলীয় বা প্রতিপক্ষের লোক চিন্তা না করে নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী সহযোগীতা করেন। নোয়াখালীর সদর উপজেলার হরিনারায়ন পুর (বর্তমানে নোয়াখালী পৌরসভার ৫নং ওয়ার্ড) এলাকায় এক সমভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে বীর মুক্তিযোদ্ধা হামিদুল হক বকুলের ঘরে ১৯৭৪ সালে জন্ম গ্রহণ করেন একরামুল হক বিপ্লব । বীর মুক্তিযোদ্ধা হামিদুল হক বকুলের ৩ ছেলে মেয়ের মধ্যে একরামুল হক বিপ্লব বড় ছেলে।একরামুল হক বিপ¬ব ১৯৯৩ সালে হরিনারায়ন পুর ইউনিয়ন সরকারী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পরীক্ষায় প্রথম শ্রেণীতে পাস করেন। নোয়াখালী সরকারী কলেজ থেকে ১৯৯৮ সালে এইচএসসি ও ২০০০ সালে বিএ পাস করেন। নোয়াখালী আইন মহাবিদ্যালয় থেকে ২০১৮ সালে এলএলবি পাস করেন।ছাত্র জীবন থেকে জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে বুকে লালন করে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের লক্ষ্য ও আদর্শের প্রতি অনুপ্রাণিত হয়ে বেড়ে উঠেছেন একরামুল হক বিপ্লব। ১৯৯১ সালে হরিনারায়ন পুর ইউনিয়ন সরকারী উচ্চ বিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। ১৯৯২ সালে নোয়াখালী পৌরসভার ৫নং ওয়ার্ড ছাত্রলীগের আ লিক শাখা কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হন। ১৯৯৮ সালে নোয়াখালী পৌরসভা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। ২০০৪ সালে জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। ২০১২ সালে জেলা যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক নির্বাচিত হন। ২০১৮ সালে পুনরায় জেলা যুবলীগের প্রথম যুগ্ম আহবায়ক নির্বাচিত হন। বর্তমানে তিনি নোয়াখালী পৌর যুবলীগের আহবায়ক হিসাবেও দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়াও তিনি সামাজিক, সাংস্কৃতিক, ধর্মীয় ও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করছেন। একজন একরামুল হক বিপ্লব একদিনে হাজারো হাজারো ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীর আদর্শ হয়ে উঠেননি। ৯০ দশক থেকে শুরু করে র্দীঘ ৩০ বছর ধরে শত বাঁধা ও প্রতিকূলতা অতিক্রম করে একজন আদর্শিক মুজিব সৈনিক হিসেবে তিল তিল করে নিজেকে গড়ে তুলেছেন । বর্তমানে তিনি ৪৬ বছর বয়সে পা রেখেছেন।এদিকে নোয়াখালী জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ফজলুল হক সুজন ও পৌর ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম আহবায়ক সাইফুজ্জামান সোহাগ বলেন, আমাদের মতো হাজারো ছাত্রলীগ ও যুবলীগের কর্মী গড়ার কারিগর একরামুল হক বিপ্লব। তিনি আমাদের নোয়াখালীবাসীর অভিবাবক মানবিক এমপি জননেতা একরামুল করিম চৌধুরীর দক্ষ নেতৃত্বে বিশ্বাসী ও আস্থাশীল। ষড়যন্ত্রকারীরা যতই চক্রান্ত করুক তাতে কোন সুফল আসবেনা। কারণ- বর্তমানে জেলা আ’লীগের রাজনীতি এমপি একরামুল করিম চৌধুরীর নেতৃত্বে সুসংগঠিত ও ঐক্যবদ্ধ। বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ টানা তৃতীয় বারের মতো ক্ষমতায় থাকলেও নোয়াখালী পৌরবাসী অধিকাংশ ক্ষেত্রে আধুনিক সুযোগ সুবিধা থেকে এখনো বি ত। পৌরবাসীর জীবনমান আধুনিকায়নের ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট কোন পরিকল্পনা না থাকায় আমরা প্রতিনিয়ত বিভিন্ন রকমের দূর্ভোগের শিকার হচ্ছি। আমরা আশা করি আমাদের প্রিয়নেতা এমপি একরামুল করিম চৌধুরী নোয়াখালী পৌরবাসীকে আগামীতে দক্ষ ও যোগ্য একজন মেয়র প্রার্থী দিবেন। যিনি এ পৌরবাসীর র্দীঘদিনের নানামূখী সমস্যাগুলো সমাধান করে একটি আধুনিক ও উন্নত পৌরসভা উপহার দিবেন। নোয়াখালী জেলা যুবলীগের ১ম যুগ্ম আহবায়ক একরামুল হক বিপ্লব মুঠোফোনে বলেন, আমি আমার প্রিয়নেতা, রাজনৈতিক অভিবাবক এমপি জননেতা একরামুল করিম চৌধুরীর নেতৃত্বে রাজনীতি করি। উনার দক্ষ নেতৃত্বে সুসংগঠিত হয়ে অতীতের চেয়ে জেলা আ’লীগ বর্তমানে অনেক বেশি শক্তিশালী। আগামী পৌর নির্বাচনের ক্ষেত্রে দলকে সুসংগঠিত ও গ্রুফিং বিহীন যে নেতাকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা একরামুল করিম চৌধুরীর মাধ্যমে মননোয়ন দিবেন আমরা সকলে তার হয়ে কাজ করবো।এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আশাকরি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী একরামুল করিম চৌধুরীর মতো একজন সৎ, দক্ষ, বিচক্ষণ, পরিশ্রমী এবং কর্মীবান্ধব নেতাকে সারাদেশের মানুষের জন্য কাজে লাগাবেন। আমরা চাই যে, একরামুল করিম চৌধুরীর মানবিক চিন্তা চেতনা ও কাজের দক্ষতাকে সারাদেশের মানুষে মাঝে বিকশিত হোক। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নিকট আমাদের বিনীত অনুরোধ থাকবে, এমপি একরামুল করিম চৌধুরীকে যেন আগামী মন্ত্রী পরিষদে যথাযথ মূল্যায়ন করবেন।