বেগমগঞ্জ(নোয়াখালী), প্রতিনিধিঃ বেগমগঞ্জে মামলা প্রত্যাহারে প্রাণনাশের হুমকিতে পালিয়ে বাড়াচ্ছে বাদী। এলাকাবাসী জানায়, বাদীর মামলার
৬ সাক্ষীকে চার্জমীটে বাদ দিয়ে আসামীপক্ষের স্বাক্ষীকে অন্তভূক্ত করা পিবিআই নোয়াখালী জেলার ইন্সপেক্টর মোঃ মোর্শেদ আলমের তদন্তের বিরুদ্ধে আদালতে নারাজি দিয়েছেন শরীফপুর ইউনিয়ন কৃষকলীগের আহŸায়ক এ,কে,এম মুমিন উল্যাহ। আদালত সূত্রে জানায়, বিগত ১৫ নভেম্বর ২০১৯ রাত ৮টায় শরীফপুর ন্যায্যমূল্য বাজারে চাঁদাদাবী, ২৩ নম্বেভর শনিবার দুপুরে দেড়টায় মাছের প্রজেক্ট লুট, ২৯ নভেম্বর শুক্রবার বিকেল ৫টায় হোন্ডা ভাংচুর, ৪র্থ ঘটনা ২৯ নভেম্বর রাত ৯টায় বাদীর বসত ঘরে আসামীরা অগ্নিসংযোগ করে। এ ব্যাপারে প্রজেক্ট মালিক এ.কে এম মমিন উল্যাহ্ বেগমগঞ্জ মডেল থানায় ৫ জনকে আসামী করে ১টি অপরাধ মামলা করে। যার নং ৪ তাং- ৩/১২/২০১৯ ইং। ধারা- ১৪৩/৪৪৭/৪৪৮/৩২৩/৩০৭/৩৭৯/৪২৭/৩৪৬/৫০৬ পেনাল কোড দন্ডবিধি। থানা পুলিশের এস.আই মোঃ মাসুদ আলম পাটোয়ারীর তদন্ত চলাকালীন আসামীদের তদ্বিরে মামলাটি পিবিআই অধিগ্রহন করে। পরে পিবিআই অধিগ্রহন করে। পরে পিবিআই ইন্সপেক্টর (নিঃ) মোঃ মোর্শেদ আলম গত ১২ মার্চ ২০২০ ইং চীপ জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদারতে ৫ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করে। তদন্তকারী বাদীর আনিত সাক্ষীদের অন্তভূক্ত করে চাঁদাবাজি, অগ্নিসংযোগ ও প্রজেক্ট লুটের ঘটনার ধারা বাদ দিয়ে হত্যার চেষ্ঠা জখম ও ভাংচুরের অপরাধ প্রতিবেনে দাখিল করে। আসামী মঞ্জুর রহমান মাসুদ (৪০) , আমানত উল্যাহ হক্কু (৪১), মিজানুর রহমান সোহাগ (৩৮), তাজ আলমগীর টুটুল (৪০) ও কামরুল ইসলাম (৩৩) হাইকোর্ট থেকে ৪ সপ্তাহের জামিনে এসে লক ডাউনের মধ্যে ভিকটিম মমিন উল্যা (৬৫)’র প্রজেক্টের সামনে পুড়ে যাওয়া অস্থায়ী বসতঘর ভাংচুর করে বীরদর্পে মালামাল লুট করে নিয়ে যায়। বেগমগঞ্জ থানার ওসি রুহুল আমিন দ্রæত মামলাটি তদন্ত করে তদন্তকালে উদ্ধারের কিছু মালামাল ১০ টি চেয়ার,১টি কম্বল, ১টি বিছানা ছাদর, ১টি গ্যাসের ডাবল চুলা,১ বস্তা হাড়িপাতিল জব্দ করে। এমতাবস্থায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করছি। এ ব্যাপারে গত ১৪ জুলাই পুলিশ সুপার বরাবরে ভিক্টিম অভিযোগ দিলে বেগমগঞ্জ মডেল থানার ওসিকে ২৪৫৩/২০ স্বারকে আইনগত ব্যবস্থ নেয়ার আদেশ দিলে ৫ দিনে ও কোন তদন্ত না হওয়ায় ৩ আসামী মামলা প্রত্যাহারে হুমকি ধামকির মুখে আ’লীগ নেতা বসতভিটা ছেড়ে মাইজদীতে পালিয়ে বেড়াচ্ছে।