প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাক্ষাৎ পাওয়ায় ভারতের পররাষ্ট্র সচিব হর্ষ বর্ধন শ্রিংলা অনেক খুশি। বুধবার (১৯ আগস্ট) সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি এ কথা বলেন।

শ্রিংলা বলেন, করোনাভাইরাসের মধ্যেও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সাক্ষাৎ দেয়ায় আমি খুশি। করোনা পরবর্তী সময়ে দুই দেশ আরও ঘনিষ্ঠভাবে কীভাবে কাজ করতে পারে, তা নিয়ে আমরা আলোচনা করেছি।

করোনা মহামারী চলাকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সাধারণত দেশি-বিদেশি কূটনীতিকদের সাক্ষাৎ দেননি। তবে ভারতের পররাষ্ট্র সচিব হর্ষ বর্ধন শ্রিংলা আকস্মিক সফরে ঢাকা এলেও তাকে সাক্ষাৎ দিয়েছেন। ১৮ আগস্ট রাতে গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন শ্রিংলা।

প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক জোরদারের লক্ষ্যে ১৮ আগস্ট ঢাকায় এসেছেন শ্রিংলা। আজ তার ঢাকা ত্যাগ করার কথা রয়েছে। ভারতের পররাষ্ট্র সচিব হওয়ার পর এটি ঢাকায় তার দ্বিতীয় সফর। এর আগে চলতি বছর ২ মার্চ দুই দিনের সফরে ঢাকায় এসেছিলেন তিনি।

প্রসঙ্গত, সফররত ভারতের পররাষ্ট্র সচিব হর্ষবর্ধন শ্রিংলা মঙ্গলবার সন্ধ্যায় গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।
তিনি ১ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন।

পররাষ্ট্র সচিবের সাক্ষাৎ শেষে ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার রীভা গাঙ্গুলি দাস বলেন, উভয় দেশের মধ্যে চলমান দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক এগিয়ে নিতে দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করা হয়েছে। করোনা সংক্রমণ শুরুর পর কোনো বিদেশি অতিথির সঙ্গে এটাই প্রধানমন্ত্রীর প্রথম সাক্ষাৎ।

হর্ষবর্ধন শ্রিংলা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে অবহিত করেন যে, করোনা মহামারীর কারণে মুজিববর্ষের অনুষ্ঠান বাতিল হওয়ায় ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বাংলাদেশ সফরে আসতে না পারায় তাকে পাঠিয়েছেন।

নরেন্দ্র মোদি শেখ হাসিনাকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। শ্রিংলা জানান, মুজিববর্ষ উপলক্ষে ভারত স্মারক ডাক টিকিট প্রকাশ করবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা করোনা পরিস্থিতির মধ্যেও শ্রিংলাকে পাঠানোর জন্য মোদির সিদ্ধান্তের প্রশংসা করেন।