সংবাদদাতা -হাসান চৌধুরী, শিবালয় (মানিকগঞ্জ)


পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া রুটে তীব্র যানজট
অন্যান্য বছরের ন্যায় এ মৌসুমেও বৈরী আবহাওয়ায় পদ্মা-যমুনা উত্তাল। ফেরীতে পারাপারের জন্য মানুষের উপচে পড়া ভিড় ও যানজট পাটুরিয়া-দৌলতদিয়ায় নৌ-রুটে। শুক্র-শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি, বৈশ্বিক করোনা আতংক, বন্যা, ভারী বর্ষণ ইত্যাদি প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে নিকট জেলার মানুষ ঘর মুখো হতে দেখা যায়। তাছাড়া বিআইডবিøউটিসি’র ছোট-বড়-মাঝারি ১৭টি ফেরির মধ্যে ১৬টিই বহরে সুষ্ঠুভাবে চলাচল করছে। প্রশাসনের নজরদারিও চোখে পড়ার মত।

পদ্মা-যমুনার বন্যার সামান্য উন্নতি হলেও উভয় তীরের পানি বিপদসীমার অনেক উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে এবং পদ্মায় তীব্র ¯্রােত ও উত্তাল ঢেউয়ে ফেরি চলাচলে প্রায় দ্বিগুণ সময় লাগছে। রাজধানী থেকে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের লোকজনের যাতায়াতের অন্যতম প্রবেশদ্বার মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া ও রাজবাড়ির দৌলতদিয়া রুটে যানজট ও যাত্রী দুর্ভোগ নিত্যনৈমিত্তিক বিষয় ছিল যা শনিবারও মোটেও পরিবর্তন হয়নি। এ বিষয়ে বিআইডবিøউটিসি’র উপ-মহাব্যবস্থাপক জিল্লুর রহমানের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন আজ রাতে এবং আগামীকাল শনিবার যাত্রীর চাপ বৃদ্ধি পেলেও আমরা যাত্রীসেবা অক্ষুন্ন রাখার চেষ্টা করব যাতে যাত্রীদের দুর্ভোগ পোহাতে না হয়। আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ে শিবালয় থানার অফিসার ইনচার্জ ফিরোজ কবির জানান ঘাটের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিত পূর্বের যে কোনসময়ের চেয়ে ভাল। এই রুট দিয়ে যাতায়াতকৃত মানুষ নির্ভিন্নে পারপার হবে বলে তিনি আশাবাদী।

ভারী বর্ষন ও জুয়ারের পানির প্রভাবে এ রুটে প্রচন্ড -স্রোত ও বাতাসে সৃষ্ট ভয়ানক ডেউয়ে নৌ-যান চলাচল করলেও যাত্রীরা ভিত সনত্রষ্ট। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে ২৪ ঘণ্টা এ রুটে লঞ্চ চলাচল বন্ধ থাকার পর পুনরায় চালু হলেও পদ্মা-যমুনা চরম অসান্ত অবস্থা বিরাজ করছে। আরিচা কাজীর হাট রুটে ১৬টি ও পাটুরিয়া-দৌলতদিয়ায় ১৭টি লঞ্চ চলাচল করছে। বিআইডবিøউটিএ আরিচা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক ফরিদুল ইসলাম জানান যে, ঝড়ো হাওয়ায় নদী উত্তাল যার প্রেক্ষিতে নৌ-যান চলাচলে অত্যান্ত সাবধানতা অবলম্বন করতে হচ্ছে। এদিকে সকাল থেকে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে পারাপারের অপেক্ষায় তিন কিলো ট্রাকের লম্বা লাইন দেখা যায়। রিপট লেখা পর্যন্ত আইন-শৃঙ্খলার কোন ব্যাতয় ঘটেনি এলাকায়। অন্যদিকে মাওয়ার নৌ-রুটে বিপর্যয়ের কারণে সকাল থেকে এ রুটে বেলা বাড়ার সাথে সাথে যানবাহনের চাপ বেড়ে চলেছে।