মোস্তাফিজুর রহমান লালমনিরহাটজেলা প্রতিনিধিঃতৃমুল বিএনপির  সকলের গর্ব অহংকার,লালমনিরহাট জেলার জাতীয়তাবাদী পরিবারের অভিভাবক। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বি এন পির  কেন্দ্রীয় নির্বাহী  কমিটির  সাংগঠনিক সম্পাদক (রংপুর বিভাগ) লালমনিরহাট জেলা বিএনপির সম্মানিত সভাপতি,আলোকিত লালমনিরহাটের রুপকার, শহীদ জিয়ার অম্লান আদর্শের বিশ্বাসী দেশনেত্রী বেগম খালেদাজিয়ার ও দেশনায়ক তারেক রহমানের আস্থাভাজন, সাবেক উপমন্ত্রী জনাব অধ্যক্ষ আসাদুল হাবিব দুলু আস্থার প্রতিক । তার সাহসীকতা, বলিষ্ট কন্ঠস্বর, সততাই  মুগ্ধ দল মত নির্বিশেষে। ৮০’র  দশকের উত্তাল ছাত্র রাজনৈতি,৯০’র দশকে উপজেলা চেয়ারম্যান এবং ১৯৯১ সনে লালমনিরহাটের সদর আসনে বিএনপির মনোনিত এম পি প্রার্থী এবং জেলা বি এন পির সংগ্রামী সভাপতি, এবং কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ।একসময়ে  উত্তরাঞ্চলের জাতীয়পার্টীর দূর্গকে ভেদ করে এই অবহেলিত জনপদে  জাতীয়তাবাদী দলকে তিলে তিলে সুসংগঠিত করে আজকে যে মজবুত ভিত্তির উপর দাড় করিয়েছেন তার শতভাগ কৃতিত্ব তার।একজন জাতীয়তাবাদী দলের নেতা হওয়ার মত যত গুনাবলি প্রয়োজন তার বিন্দু মাত্র কমতি তার মাঝে নেই। শিক্ষাজীবন শেষ করে নিজের কর্মজীবন নিয়ে না ভেবে উত্তরাধিকারী সুত্রে বাবার রেখে যাওয়া সম্পত্তি ভোক বিলাস না করে তিলে তিলে, মানব কল্যানে গড়ে তুলেছেন একের পর এক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, বাজার বন্দর সহ অনেক স্থাপনা যা লালমনিরহাট  জেলাকে উন্নয়ের রুপকারের দাড়প্রান্তে নিয়ে এসেছেন।২০০১ -২০০৬ সনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর গতিশীল  করেছেন লালমনিরহাট জেলার  উন্নয়নকে।সর্বপরি  তৃণমূল তথা সর্বস্থরের জাতীয়তাবাদী নেতা কর্মীর আশা আকাংঙ্খার স্বপ্নদ্রষ্টা ও কোটি মানুষের আবেগের অনুভুতি, নেতৃত্ব দিতে পারে মানুষের হৃদয়ের স্পন্দন নিয়ে । একজন কিংবদন্তী নেতা। তার ত্যাগ ও বিচক্ষণতার অনুপ্রেরণায়  জাতীয়তাবাদী পরিবার আজ একৈবদ্ধ বলে জানান জেলার ৫ টি উপজেলার সকল নেতাকর্মী ও সমর্থক   ।