এস এম মারুফ, ক্রাইম রিপোর্টারঃ যশোরের শার্শা উপজেলার গোগা ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ড গোগা বিল পাড়ায় বর্গা নেওয়া এক চাষির আবাদি ফসল সোনালী আঁশ পাট কাটতে না দেওয়ায় অসহায় চাষি পড়েছে বিপাকে, সেই সাথে পাট গাছের পাতা শুকিয়ে প্রায় নষ্ট হবার পথে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, জমির প্রকৃত মালিক মোঃ আসাদুজ্জামান আসাদ (৩৭) প্রতিবেশি মৃত মতলেব আলী মোল্যার ছেলে রফিকুল ইসলামের কাছে উক্ত জমি বিক্রির জন্য একশত টাকার একটি স্ট্যাম্পে তিন দফায় ২ লক্ষ ১০ হাজার টাকা বায়না বাবদ গ্রহণ করেন। এবং ওই কাগজে স্পষ্ট লেখা থাকে ০৩ রা কার্ত্তিক মাসের মধ্যে বকেয়া টাকা পরিশোধ করতে হবে। যেহেতু জমিটি ফসলি জমি তাই জমির প্রকৃত মালিক আসাদ নিজে ফসল না করে তার নিকটতম এক গরীব চাষির কাছে জমিটি বর্গা দেয়। সেই সুবাদে বর্গা নেওয়া চাষি পাট চাষ করেন। দীর্ঘদিনের পরিশ্রমে চাষ করা পাট যখন সে কাটতে যায় তখন ক্রেতা চাষির পাট কাটতে বাঁধা প্রদান করে। বেশ কিছুদিন গড়ালেও কোন সমাধানে না আসায় সম্পূর্ণ জমির পাট এখন জ্বালানি কাঠে পরিনত হয়েছে।

এবিষয়ে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুর রশিদ জানান, বিষয়টি মিমাংসার জন্য জমি ক্রেতা ও বিক্রেতা এই দু’পক্ষের বসাবসির কথা থাকলেও একপক্ষ হাজির হলেও অন্য পক্ষ হাজির হচ্ছেনা। যার কারণে বিপাকে পড়েছে চাষি।
তিনি আরও বলেন, পরবর্তীতে জানতে পারি বিক্রেতা ক্রেতার বিরুদ্ধে এবিষয়ে কোর্টে একটি মামলা করেছে। তবে তারা যদি আপোষ মিমাংসায় আসে তাহলে তার সার্বিক সহযোগিতা করা হবে।