উড়ো চিঠি বা ফোন কলের জেরে নয় বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল। মঙ্গলবার ( ১৫সেপ্টেম্বর) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে নিজ দফতরে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।

কাশিমপুর কারাগারে থেকে যাবজ্জীবন সাজা পাওয়া কয়েদির পালানোর ঘটনায় তদন্ত কমিটির সুপারিশেই এ পদক্ষেপ বলে দাবি মন্ত্রীর।তিনি বলেন, কারারক্ষীদের দুর্বলতার কারণে একজন আসামি সম্প্রতি পালিয়ে গেছে। এ ঘটনার পর দেশের কারাগারগুলোতে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।

১৩ সেপ্টেম্বর কারা মহাপরিদর্শক স্বাক্ষরিত চিঠি পাঠিয়ে কারা নিরাপত্তা জোরদারে তাগিদ দেয়া হয়। চিঠিতে বিশেষ ফোর্স গঠন ও অস্ত্রের নিরাপত্তা, সিসিটিভি পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা, জঙ্গি, আইএস, শীর্ষ সন্ত্রাসী ও সংবেদনশীল মামলায় আটক বন্দিদের গতিবিধি কঠোর নজরদারিতে রাখাসহ ১৮টি নির্দেশনা দেয়া হয়।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, কারা নিরাপত্তা জোরদারের সাথে উড়ো চিঠির সম্পর্ক নেই।উড়ো চিঠি কিংবা কোনো প্রকার বিভ্রান্তিমূলক গুজবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কান দেয় না। আমরা সজাগ আছি। কয়েকটি ঘটনা ঘটেছে সেটা যেন না ঘটে এবং আধুনিক করে নিরাপত্তা ব্যবস্থা যেন ঢেলে সাজানো হয়।

যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত কয়েদি আবু বকর ছিদ্দিক গত ৬ আগস্ট কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে পালিয়ে যায়। এরপর কারা অধিদপ্তরের কমিটি কারাগারের ২০ কর্মকর্তা ও কর্মচারীর বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়াসহ বেশ কিছু সুপারিশ করে।

প্রসঙ্গত, সম্প্রতি লালমনিরহাটের জেলা প্রশাসক ও জেল সুপারের কাছে একটি উড়ো চিঠি আসে। চিঠিতে কারাগারে বন্দি জঙ্গিদের ছিনিয়ে নেয়ার হুমকি দেয়া হয়।

লালমনিরহাট জেলা কারাগারের জেল সুপার কিশোর কুমার নাগ গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, তাদের কারাগারে ২০ জন জঙ্গি রয়েছে। তাদের ছিনিয়ে নেয়ার জন্য একটি উড়ো চিঠি এসেছিল