তারিকুল আলম, সিরাজগঞ্জঃ চলনবিলের সৌন্ধর্য লাল শাপলা।এশিয়ার বৃহত্তম বিল চলনবিল। সিরাজগঞ্জ, পাবনা ও নাটোর জেলার নয়টি উপজেলা জুড়ে বিস্তৃত এ বিল। শুস্ক মৌসুমে রবি শস্য ও বোরো চাষ করে জীবিকা নির্বাহ করে বিল পাড়ের মানুষগুলো। ভরা বর্ষায় যখন চারিদিকে শুধু পানি আর পানি দেখে মনে হয় গ্রামগুলো যেন কচুরিপানার মত ভাসছে। বর্ষায় বিলের সর্বত্রই অথৈই পানির মধ্যে ঢেউয়ে লাল শাপলা গুলো দোল খায়। যেন চলনবিল তার নব-জীবনে পর্দাপন করেছে। কর্ম জীবনের শত ব্যস্ততায় মানুষ যখন ক্লান্ত পরিশ্রান্ত। ঠিক সেই ক্লান্ত থেকে একটু শান্তির পরশ পেতে মানুষ ছুটে যায় চলনবিলের লাল শাপলার মাঝে।

গোটা চলনবিলে সাদা শাপলা অহরহ চোখে পড়লেও লাল শাপলা তেমন চোখে পড়ে না। চলনবিলের কছিু কিছু স্থানে লাল শাপলা ফুটে চলনবিলকে অপরুপ সৌর্ন্ধয়ে ভরিয়ে দিয়েছে। বিশেষ করে বিলে ফোটা লাল শাপলা সকাল বেলায় দেখে মনে হয় চলনবিল সেজেছে লাল শাড়িতে।এসময়ে চলনবিলে আগত দেশি বিদেশি পর্যটকদের মন কেড়ে নেয় বিলের লাল শাপলার অপরুপ দৃশ্য। এক সময়ে চলনবিলের বিস্তৃর্ত এলাকা জুড়ে শাপলা ফুলে ভরপুর থাকলেও এখুন তেমন চোখে পড়ে না। চলনবিলের মধ্যে বিভিন্ন পয়েন্টে অপরিকল্পিত ভাবে পুকুর খনন আর জেলেদের বাদাই জাল টেনে মাছ আহরনের ফলে শাপলা ফুল ফোটার আগেই তার গাছ নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। ফলে মন-প্রাণ জুড়ানো চলনবিলে শাপলা থাকলেও তার সৌর্ন্ধয হারাতে বসেছে।