সাভার প্রতিনিধি: আশুলিয়ায় বে-সরকারী সংবাদ মাধ্যম জাতীয় “দৈনিক সংবাদ দিগন্ত” পত্রিকার আশুলিয়া প্রতিনিধি সাংবাদিক মোঃ মাহাবুর রহমানকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে কথিত শ্রমিক লীগ নেতা পরিচয় দানকারী আতিকুজ্জামান পাটো পাটোয়ারী থানা শ্রমিক লীগের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় হামলার শিকার ওই সাংবাদিক ৬জনের নাম উল্লেখসহ বেশ কয়েক জনকে অজ্ঞাত রেখে আশুলিয়া থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন।

বৃহস্পতিবার ( ১৫অক্টোবর) বিকেলে আশুলিয়ার ইউনিক বাসস্ট্যান্ড এলাকায় জাগো বাংলাদেশ গার্মেন্টস শ্রমিক ফেডারেশনের অফিসে মারধরের ঘটনা ঘটে।

অভিযুক্তরা হল- কথিত শ্রমিক লীগ নেতা পরিচয় দানকারী আতিকুজ্জামান  পাটোয়ারী থানা শ্রমিক লীগের  সাবেক সভাপতি মোঃ আতিকুজ্জামান পাটোয়ারী, শ্রমিকলীগ নেতা- শেখ আল-মামুন, মোঃ আশিক সরকার, বকুল আহম্মেদ ও মামুন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার বিকেলে সাংবাদিক মাহবুবুর রহমান ব্যক্তিগত কাজ শেষ বাইপাইল থেকে রিকশাযোগে গাজিরচট হাই স্কুলের উদ্দেশ্য রওনা হয়। পরে সে ইউনিক বাসস্ট্যান্ড এলাকায় পৌঁছালে মোঃ আশিক সরকার ও বকুল আহমেদ তাকে গতিরোধ করে তাকে চা খাওয়ার কথা বলে ইউনিক স্ট্যান্ডের পাশে মামুনের জাগো বাংলাদেশ গার্মেন্টস শ্রমিক ফেডারেশনে অফিসে নিয়ে যায়। সেখানে আগে থেকেই শেখ আল-মামুন ও মামুনসহ ৪জন বসে ছিলো। তারা শ্রমিকদের উস্কানি মুলক কথাবার্তা বলছিল, এমন সময় গোপন ক্যামেরা অন করলে, তারা বুঝতে পেরে তাকে মারধর করতে থাকে এবং তার কাছে থেকে মোবাইল ফোন কেড়ে নেয়। পরে হামলাকারীরা তাদের লিডার আতিকুজ্জামান পাটোয়ারীকে ফোন করে ডেকে নিয়ে আসে এবং সবাই মিলে তাকে মারধর করে। এরপর তাকে ৪ঘন্টা জোরপূর্বক আটককে রেখে ৩শত টাকার স্ট্যাম পেপার ও ভিডিও সাক্ষাৎকার রেখে ছেড়ে দেয়।

 মারধরের বিষয়ে শ্রমিক নেতা আতিকুজ্জামান পাটোয়ারীর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন ইউনিক ছয়তলা জাগো বাংলাদেশ গার্মেন্টস শ্রমিক ফেডারেশনের  মামুনের অফিসে  আশিক  বিপ্লব ওরা সবাই মিলে বসে কথা বলছিল তখন ওই লোকটা গোপনে ভিডিও করছিল পরে ওরা আমাকে ফোন করে আমি  গেছি যাওয়ার পর আমি  আতিয়ার ভাইকে আর  জাহাঙ্গীর ভাইকে ফোন করে নিয়ে আসি তারপর সবাই এই বিষয়টা মিট করি  ।তারপর জাহাঙ্গীর ভাই তার সম্পাদকের সাথে কথা বলে শেষ করে দিয়েছে বলে জানান। আতিকুজ্জামান পাটোয়ারী আরো বলেন তারপর জানলাম রাতে নাকি পোলাপানের  বাসায়  পুলিশ গেছে শুনলাম এতোটুকুই ,সানি ভূঁইয়া সম্পর্কে জানতে চাইলে আতিক বলেন ওই ছেলেকে জিজ্ঞেস করেন সানি ভাইকে চেনে কিনা আর ওই স্পটে সানি ভাই ছিলই না।

এ বিষয়ে ভুক্তভোগী সাংবাদিক বলেন, আমি খুব নিরাপত্তাহীনতায় ভূগছি এই সন্ত্রাসী বাহিনী আমাকে মেরে ফেলার জন্য আবারও যে কোন সময় আমার উপর হামলা করতে পারে এবং আমার উপর যে হামলা হয়েছে তার সুষ্ট বিচারের দাবী করছি।

এ বিষয়ে আশুলিয়া থানার উপ-পরিদর্শক জসিম উদ্দিন জানান, মারধরের ঘটনায় একটি অভিযোগ পেয়েছি এবং সাথে সাথে ঘটনাস্থলে গিয়ে মারধরের ঘটনার সত্যতা পাওয়া যায় কিন্তু আসামীদেরকে খুঁজে পাওয়া যায়নি তদন্ত শেষে আমার উপরোক্ত কর্মকর্তাদের সাথে আলাপ আলোচনা করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।