তানোর(রাজশাহী)প্রতিনিধিঃ রাজশাহীর তানোরের মুন্ডুমালা পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আসন্ন পৌরসভা ও ইউনিয়ন ইউপি নির্বাচন সামনে রেখে স্থানীয় সাংসদ আলহাজ্ব ওমর ফারুক চৌধুরীর দিকনির্দেশনায় আগামিতে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের সাংগঠনিক কর্মকান্ড জোরদার এবং আওয়ামী লীগের ভোট ব্যাংকের পরিধি কিভাবে বৃদ্ধি ও নৌকার বিজয় নিশ্চিত করা যায় মুলত তার ওপর গুরুত্ব দিয়ে আলোচনা করা হয়। জানা গেছে, চলতি বছরের ১৮ অক্টোবর রোববার ৭ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি সুরেশ দেবের সভাপতিত্বে ও হিরোর সঞ্চালনায় পৌর এলাকার আয়ড়্যা মোড়ে আয়োজিত বর্ধিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাংসদ প্রতিনিধি ও উপজেলা চেয়ারম্যান লুৎফর হায়দার রশিদ ময়না। অন্যান্যদের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি শরিফ খাঁন, মুন্ডুমালা পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি গোলাম মোস্তফা, সাধারণ সম্পাদক ও প্যানেল মেয়র আমির হোসেন আমিন,,উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক আহসানুল হক স্বপন, আইনবিষয়ক সম্পাদক এ্যাঃ সাজেমান আলী, উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক জুবায়ের ইসলাম,গোদাগাড়ী উপজেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি শফিকুল সরকার, কাউন্সিলর নাহিদ হাসান, কাউন্সিলর মোহাম্মদ হোসেন মন্টু, মুন্ডুমালা পৌর যুবলীগের সভাপতি ও কাউন্সিলর মোস্তাফিজুর রহমান, সম্পাদক রোকনুজ্জামান রোকন, আরিফ রায়হান তপন, আহম্মেদ সিজার,দেবানন্দ দেবা, উপজেলা সৈনিক লীগের সাধারণ সম্পাদক বদিউজ্জামান নয়ন, মোর্শেদুল মোমেনিন রিয়াদ ও জাহাঙ্গীর আলম প্রমুখ। আসন্ন পৌরসভা ও ইউপি নির্বাচন সামনে রেখে ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের সাংগঠনিক অবস্থা এবং কর্মকান্ড নিয়ে আলোচনা করা হয়। তানোরের দুটি পৌরসভা ও সাতটি ইউপি নির্বাচনে আওয়ামী লীগের একাধিক নেতা দলীয় মনোয়ন প্রত্যাশা করে মাঠে নেমেছেন। আওয়ামী লীগ দেশের সর্ববৃহত রাজনৈতিক দল এই দলে মনোনয়ন পাবার মতো অনেক যোগ্য নেতা রয়েছে তবে দল থেকে তো একজনকে মনোনয়ন দেয়া হবে। এসব বর্ধিত সভায় তাই মনোনয়ন নয় দলের সাংগঠনিক কর্মকান্ড কিভাবে আরো জোরদার ও দলের মনোনিত প্রার্থীদের বিজয় নিশ্চিত করা যায় সেই বিষয়গুলোর ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেয়া হয়েছে। এদিকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও জননেত্রী শেখ হাসিনা যাকে দলীয় মনোনয়ন দিবেন তাকেই বিজয়ী করতে সকলে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করবেন বলে ওয়াদা করেন। এছাড়াও মনোনয়ন বঞ্চিত হয়ে কেউ যদি বিদ্রোহী বা স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে ভোট করার নামে দলে বিশৃঙ্খলা সৃস্টি করতে চাই তাহলে তাকে শক্ত হাতে দমন করা হবে বলে উপস্থিত সকল নেতাকর্মী ঐক্যমত পোষণ করেন