এস এম মারুফ, ক্রাইম রিপোর্টারঃ শহিদুল ইসলামের একমাত্র মেয়ে বয়স মাত্র বার। মেধাববী এই শিক্ষার্থী মরণব্যাধি ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করছে। সে যশোরের শার্শা উপজেলার বাগ আঁচড়া গার্লস স্কুল এন্ড কলেজ এর ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রী। দীর্ঘ ১৪ মাস ধরে বিভিন্ন শ্রেনি পেশার মানুষের সাহায্য সহযোগিতা নিয়ে মেয়ের চিকিৎসা করাচ্ছেন হতদরিদ্র রাজমিস্ত্র পিতা শহিদুল। 

গত বছর আগস্ট মাসে তন্নি স্কুলের একটি বেঞ্চের সাথে পায়ের আঙ্গুলে আঘাত পায়। এতে রক্ত জমাট বাধে। স্থানীয় চিকিৎসা সেবা নিয়ে কিছুটা ভালো হলেও পরবর্ততে তন্নি পায়ে সমস্যা মনে হলে পিতা শহিদুলকে জানায়। পরবর্তীতে মেয়েকে নিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য গেলে সেখানে পরীক্ষা- নিরীক্ষা শেষে  চিকিৎসকরা জানান, তন্নি দুরারোগ্য ক্যান্সারে আক্রান্ত। এসময় তন্নিকে দেখে কর্তব্যরত চিকিৎসক আরও জানান, তার আঘাত প্রাপ্ত স্থলের হাড় কেটে নতুন হাড় লাগাতে হবে। সেই হাড়টি কিনতে অনেক টাকার প্রয়োজন। এছাড়া তাকে দ্রুত অপারেশন না করতে পারলে তন্নির অবস্থা আরো ভয়াবহ হতে পারে বলেও জানিয়েছেন।    

তাকে সুস্থ করতে ১৪টি কেমোথেরাপি শেষে পায়ে অপারেশন করতে হবে। ইতিমধ্যে তন্নির কেমোথেরাপি ১০টি সম্পূর্ণ করা হয়েছে। বাকী আছে এখনো ৪টি কেমোথেরাপি সহ পায়ের অপারেশন।

তন্নির বাবা শহিদুল একজন রাজমিস্ত্রী ও মা রিনা বেগম গৃহিনী। তারা মেয়ের চিকিৎসার ব্যায় মেটাতে গিয়ে এখন সর্বস্বান্ত। অন্যের বাড়িতে কোন রকম মাথা গুজে আছেন। নিজের বলতে আর কিছুই নেই।

চিকিৎসকরা বলেছেন, বাকি ৪টা কিমোথেরাপি সহ আঘাত প্রাপ্ত স্থলের হাড় কেটে নতুন হাড় লাগাতে প্রায় পাঁচ লাখ টাকা খরচ হবে। কিন্তু বর্তমানে মরনব্যাধি কান্সারের চিকিৎসা অসহায় এই দরিদ্র পিতার পক্ষে এখন একেবারে অসম্ভব হয়ে পড়েছে।  

তাই মেয়েকে বাঁচাতে অবশেষে সমাজের বিত্তবান মানুষের কাছে  সাহায্যের জন্য হাত বাড়িয়েছে অসহায় দরিদ্র পিতাটি। অতঃপর সমাজের  সবাই তার প্রতি একটু সাহায্য সহযোগিতার হাত বাড়ালে ফিরে পেতে পারে তার মেয়েকে আর মেয়েটা পাবে তার সারাজীবনের ভবিষ্যৎ। তাই মেয়েটা যেন বেঁচে থাকে আমরা সকলেই তার বাবার প্রতি সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেয় । বিকাশের মাধ্যমে তার বাবার কাছে পাটাতে পারেন। পিতার নামঃ শহিদুল ইসলাম, ঘোশপাড়া বাঁগআচাড়া, শার্শা, যশোর । বিকাশ নং ০১৭৩৫-০২০৮১৯