নিজস্ব প্রতিনিধি, নোয়াখালী: নোয়াখালী সুধারামের পশ্চিম চর মটুয়ায় বসত ঘরে প্রবাসীর স্ত্রীকে ওড়না দিয়ে মুখ বেঁধে ৩ সন্ত্রাসী গণধর্ষন করে। যাওয়ার সময় তার ঘর থেকে তার ২টি মোবাইলসহ স্বর্ণালংকার লুটে নেয়। এ ব্যাপারে চেয়ারম্যানের নিকট নালিশ করলে চেয়ারম্যান গ্রাম পুলিশের মাধ্যমে ৩ ধর্ষককে ইউনিয়ন পরিষদে আটক করে ২৪ ঘন্টা পর ১নং ওয়ার্ডের মেম্বার বাবুল হোসেন বালুর জিম্মায় ছেড়ে দেন বলে এলাকাবাসী জানায়। প্রবাসীর স্ত্রী (২২) রবিবার সুধারাম মডেল থানায় এজাহার দায়ের করতে এসে থানার বারান্দায় তার পিতার উপস্থিতিতে গণমাধ্যম কর্মীদেরকে জানান, তার স্বামী বিগত ৩ বছর ধরে প্রবাসে চাকুরি করেন। এ সুযোগে তার একই বাড়ির আবদুর রবের ছেলে মোঃ শাহীন (২৭) প্রায় তাকে কুপ্রস্তাব দিত। ঘটনার দিন ২২ অক্টোবর বৃহস্পতিবার রাত ৯টায় সে খাওয়া দাওয়ার পর ঘরে পূর্ব দক্ষিণ কোণে ঘুমিয়ে পড়লে রাত অনুমান সাড়ে ১১টার দিকে শাহীন, মো: করিম ও মো: হেলাল তার ঘরের জানালা খুলে তার কক্ষে প্রবেশ করে ওড়না দিয়ে তার মুখ বেঁধে ফেলে এ ৩জনই তাকে উপর্যুপরি ধর্ষন করে যাওয়ার সময় তার ১টি নকিয়া সেট ০১৮৬৫৪৮৫৫৪৩ ও স্যামসাং এ-১০ মোবাইল সেট ০১৮৪৪৮৮৫৪৫৫ সহ ঘরে থাকা দেড় ভরি স্বর্ণ নিয়ে যায়। এ ব্যাপারে শাহীনের মা লাকী বেগমকে জানালে সে কিছু টাকা দিবে বলে তাকে চুপ থাকতে বলে। এরপর স্থানীয় মেম্বার চেয়ারম্যানকে জানালে তারা আজ কাল বলে তাকে মামলা দায়ের করতে কালক্ষেপন করে এবং ৩ আসামীকে আটক করলেও চেয়ারম্যান নুর আলম ২৪ ঘন্টা পর স্থানীয় মেম্বার বাবুল হোসেনের জিম্মায় ছেড়ে দেয়। এরপর শাহীনের ভগ্নিপতি ভিকটিমের মোবাইলের সীম কার্ড ও মেমোরি কার্ড রেখে সেট দুটি ফেরত দেন বলেও ভিকটিম জানায়। এ ব্যাপারে ইউপি চেয়ারম্যান ও সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক নুর আলম বলেন, অভিযোগের ভিত্তিতে আসামীদের ডেকে আনি। তখন গৃহবধু তাকে ধর্ষনের কথা বলেনি। তাই আটককৃতদের স্থানীয় মেম্বারের জিম্মায় ছেড়ে দেয়া হয় এবং তাকে আইনের আশ্রয় নিতে অনুরোধ করি। এ ব্যাপারে সুধারাম থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) টমাস বড়–য়া জানান, এ ঘটনা কথা তিনি শুনেছেন। ভিকটিম থানায় অবস্থান করছে। ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বাসায় রেস্টে আছেন। থানায় আসলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন ও আসামীদের গ্রেফতারে ব্যবস্থা করবেন।