কাজী ওহিদ,গোপালগঞ্জ থেকেঃ মুকসুদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা: মাহমুদুর রহমান যোগদানের পূর্বে মুকসুদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপেক্সেøর অবস্থা ছিল এক জরার্জীন পরিবেশ,রোগীদের সেবার এবং খাবারের মান ছিল একেবারে নি¤œমানের। ডাঃ মাহমুদুর রহমানের প্রচষ্টোয় আজ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পরিবেশ,রোগদিরে সবোর ও খাবারের মানের ব্যাপক উন্নতি হয়েছে।

মুকসুদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নোংরা পরিবেশ এবং স্থানীয় মাইত্রেæা গাড়ীর মালিকরা কমপ্লেক্সকে দীর্ঘদিন যাবৎ গাড়ীর রাখার মাইক্রো স্ট্যান্ড বানিয়ে রখেে ছিল। মুকসুদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মাহমুদুর রহমান গত ২৮ মে ২০১৮ ইং তারিখে যোগদানের পর প্রথমই তিনি বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের প্রেসিডিয়াম মেম্বার,পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ও গোপলগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য লেঃ কর্ণেল (অবঃ) মুহাম্মদ ফারুক খান মহোদয়ের নির্দেশনায় এবং মুকসুদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ সাহেেবর সহযোগিতায় মাইক্রো স্ট্যান্ড হাসপাতালের ভিতর থেকে উচ্ছেদ করেন।কমপ্লেক্সের ভিতর ও বাহিরে ছিল অপরিস্কার অপরিচ্ছন্ন এবং জরার্জীন অবস্থা। পরষ্কিার পরচ্ছিন্নতার জন্য প্রতি বছর প্রায় দুই লক্ষ টাকার উর্ধে বরাব্দ আসতো ।যাহা বিগত দিনে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকতা ও ক্যাশিয়ার ছাড়া অন্য কেহে জানতো না বলে জানা যায়।ক্যাশয়িার কৃষ্ণ দাশ ভদ্র পরিস্কার পরিচ্ছন্নতার দুই লক্ষ টাকার বিষয়টি কাউ না জানানোর জন্য উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তাকে অনুরোধ করেন। বিগত দিনে পরিস্কার পরিচ্ছন্ন বাবদ বরাদ্দকৃত টাকা গুলো আত্ম সাৎ হয়েছে বলে সাধারন মানুষ ধারনা করছেন \ উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকতা বিষয়টি গোপন না করে উক্ত বরাদ্দকৃত টাকা দিয়ে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের উন্নয়নের কাজ শুরু করেন।

তার সততার জন্য আজ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স দীর্ঘদিনের নোংরা পরিবেশ থেকে মুক্ত হয়ে নতুন এক সুন্দর মনোরম পরিবেশ তৈরী হয়েছে। এতে করে এলাকার সাধারন মানুষ এবং রোগরিা মুগ্ধ পরবিশে পয়েে এখন মহা খুশ।িউপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কোয়াটারে ভাড়া না দিয়ে কমপ্লেক্সের একশ্রেনী অসাধু কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন যাবৎ বসাবস করতেন। তিনি যোগদানের পর অবৈধ ভাবে কমপ্লেক্সের কোয়াটারের মধ্যে বসাবসকারীদের কোয়াটার থকেে বের করতে সক্ষম হোন।। এক সময়ে হাসপাতালের রোগিরা সরকারী ঔষুধ সঠিক ভাবে পতেো না। দনৈকি বহর্িিবভাগে রোগীদরে সরকারি ঔষুধ তিনি বর্তমানে নশ্চিতি করেছেন ।তিনি যোগদানের আগে হাসপাতালে ইস,িজি ও আলট্রাসনোগ্রামের কোন ব্যবস্থাই ছিল না। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাক্তার মাহমুদুর রহমান ইস,িজি ও আলট্রাসনোগ্রামের ব্যবস্থা করেছেন। যাহার সুফল এখন প্রতিদিন রোগিরা হাসপাতাল থেকেই পাচ্ছেন। বহর্িিবভাগে চকিৎিসকগন অনয়িমতি ছলি। এটা নয়িমতি করেছেন।উপজেলা সদর বাজার সহ বিভিন্ন হাট বাজারের র্ফামসেীতে এম,ব,িব,িএস ডাক্তারের স্বাক্ষর ছাড়া সরকারী ঔষুধ বিত্রæয় করতো। তিনি কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে বর্তমানে অনকেটাই বন্ধ করতে সক্ষম হয়েছেন।হাসপাতালে পরীক্ষা নিরীক্ষা এক্সরে ও প্যাথলজী চালু হয়েছে।

দশেরে মহামারি করোনাকালীন সময়ে হাসপাতালে কোন মডেকিলে টকেনোলজষ্টি না থাকার কারনে ৫০০ টাকা সম্মানীর বনিমিয়ে গত ৩রা এপ্রলি,২০২০ থকেে হাসপাতালে এবং বাড়ি থকেে করোনা রোগীর স্যাম্পল কালকেশন করনে। মডেকিাল অফসিারগন সব সময় সাহসকিতার সাথে করোনা রোগীর সমস্যা মোকাবলো করে আসছনে।।এর ফলে দুইজন পুরুষ এবং দুইজন মহলিা চকিৎিসক করোনায় আক্রান্ত হয়ছেলি ।মুকসুদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার পর গাইনী ও র্সাজারী কনসালটন্টে আর,এম ও মডেকিাল অফসিার ৬জন ছলি। র্বতমানে নতুন পুরাতন মিলে সর্বমোট ২৮জন চকিৎিসক রয়ছে।েনতুন ডন্টোল চয়োর এর মাধ্যমে দাতরে চকিৎিসা চলছ।ের্বতমানে গর্ভবতি মায়দেরে জন্য এএনস,ি প,িএন,সি র্কনার,এন,স,িডি র্কনার চালু হয়ছে।েআগামী এক সপ্তাহরে মধ্যে অপারশেন থয়িটোর এর কার্যত্রুম শুরু হতে যাচ্ছে বলে মুকসুদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা জানান।

আই,স,িইউ এবং স,িস,িইউ এর মালামাল খুব শীঘ্রই চলে আসবে ।ভায়া পরীক্ষা,নরমাল ডলেভিারী, এবং আধুনকি ইর্মাজন্সেী রুম এবং আধুনকি ঔষুধ ভান্ডার খুব শীঘ্রই চালু হচ্ছে বলে তিনি জানান।গত অর্থ বছরে এম,এম,আর(মডেকিল র্সাজক্যিাল রকিুজটি)খাতে মডেকিলে যন্ত্রপাত,িগজ ব্যান্ডজে তুলা ও লিনেন এবং সরকারী এসনেসয়িাল ড্রাগস থকেে ঔষুধ ক্রয় করা হয়ছে।ে নতুন র্নাস এর পদায়ন এবং দক্ষ মডিওয়াইক নয়িোগ দয়ো হয়ছে।ে আধুনকি বার্বুচি খানা তরৈী হচ্ছ।েপুকুর সংষ্কার হয়ছে।ে পাবলকি হলেথ ইনিঞ্জনয়িারংি এর মাধ্যমে র্বতমানে পুকুররে পানি আবাসকি ভবন ও হাসপাতালরে পানি সরবারহ করা হবে । নতুন গভীর নলকুপ স্থাপন হব।ে নতুন সাব স্টশেনরে কাজ চলমান। নতুন গ্যারজে নর্মিতি হয়ছে।ে ড্রাইভাররে জন্য আবাসকি ভবন নর্মিান হয়ছে।ে নরিাপদ ফল্টিার (পানরি) তরৈীর কাজ চলমান ।ডাক্তার, নার্স ও ৩য় শ্রনেীর কোর্য়াটারে নর্মিান ও নতুন চারতলা ভবন নমর্িাণ কাজ চলছ।ে ৫০ শয্যা হাসপাতালে ৩টি কবেনি চালু হয়ছে।ে যা আগে বন্ধ ছলি।এতে করে সরকার রাজস্ব আয় থেকে বি ত হতো ।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাঃ কে,এম মনিম উল হাবিবের সংগে আলাপ কালে তিনি জানান, মুকসুদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মাহমুদুর রহমান স্যার তার প্রশাসনিক দক্ষতা দিয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের উন্নয়ন করেছেন এবং স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের উন্নয়নের জন্য তিনি আরোও বেশ কিছু কর্মসূচী গ্রহন করেছেন। এই কর্মসূচী গুলো বাস্তবায়িত হলে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সেবার মান আরোও বৃদ্ধি পাবে বলে তিনি আশা ব্যক্ত করেন।

মুকসুদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মাহমুদুর রহমান একজন ধর্মপ্রান ও দেশ প্রেমিক মানুষ। একজন আর্দশ চিকিৎসক ও দক্ষ প্রশাসনিক কর্মকর্তার মধ্যে যে সকল গুনাবলি থাকা প্রয়োজন তার মধ্যে এর সব কিছুই বিদ্যমান রয়েছে বলে অনেকেই মন্তব্য করেছেন।