শীত কড়া নাড়ছে উত্তরের জনপদ হিমালয় কন্যা পঞ্চগড়ে। দিনে মেঘলুপ্ত সূর্যের খরতাপ আর রাতে পড়ছে হালকা থেকে ঘন কুয়াশা। ঋতু বৈচিত্রের খামখেয়ালিপনা এই খেলা উপভোগ করছে এখানকার মানুষ। উত্তরে হিমালয় কাছে হওয়ায় পঞ্চগড়ে বরাবরই শীতের প্রকোপ একটু বেশিই থাকে। শীতকালে বেশির ভাগ সময় দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্র বিরাজ করে প্রান্তিক এ জেলায়। এবার আগেভাগেই শীতের দাপট দেখা যাচ্ছে।

শনিবার (৭ নভেম্বর) দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় রেকর্ড করা হয়েছে ১৩ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। দিন দিন তাপমাত্রা আরো কমে আসতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

ঋতু পরিক্রমায় পৌষ-মাঘে শীতের দেখা মিললেও পঞ্চগড়ে শীতের দেখা যাওয়া যাচ্ছে একটু আগেই। দিনে সূর্যের খরতাপ থাকলেও সন্ধ্যা নামার সাথে সাথে তাপমাত্রা কমে আসছে। রাতে টুপ টুপ করে পড়ে কুয়াশা। মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত হালকা কুয়াশায় ঢেকে থাকে চারপাশ। শহরের চেয়ে গ্রামাঞ্চলে কুয়াশা বেশি পড়ছে। শেষ রাতে কাঁথা জড়িয়ে ঘুমাতে হয়। স্নিগ্ধ সকালে গাছে গাছে লতা পাতা আর ঘাসের ওপর ঝরে শিশির বিন্দু।

রোদের আলোতে ঘাসের উপর ঝরে পড়া শিশির বিন্দু চকচক করে ওঠে। শীতের এই সময়টুকুই বেশ উপভোগ্য। তবে দিন দিন শীতের আগমন বার্তা জোরালো হওয়ায় গরম কাপড় বের করতে শুরু করেছেন স্থানীয়রা। সেই সাথে এবার শীতের তীব্রতা বেশি থাকতে পারে বলেও আশঙ্কা করছেন আবহওয়াবিদরা।

তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র জানিয়েছে, গত এক সপ্তাহ ধরে পঞ্চগড়ে বেশ শীত অনুভূত হচ্ছে। সন্ধ্যার পর থেকে সকাল পর্যন্ত কুয়াশায় ঢেকে থাকছে চারপাশ। তাপমাত্রাও অনেকটা কমে এসেছে। গত এক সপ্তাহে এ এলাকার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াস থেকে ১৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে নেমে এসেছে। সামনের দিনগুলোতে তামপাত্রা আরো কমে আসতে পারে।