নৌপথের নাব্যতা বজায় রাখতে সারাবছর ড্রেজিং করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন নৗপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী।

শনিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে শিপিং এন্ড কমিউনিকেশন রিপোর্টার্স ফোরাম (এসসিআরএফ) আয়োজিত ‘নদী, নৌপথ ও পর্যটন খাতের বিকাশে করণীয়’শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।

খালিদ মাহমুদচৌধুরী বলেন, বঙ্গবন্ধু থেকে শেখ হাসিনার সরকারের সময় ছাড়া বাংলাদেশ সুস্থ ধারায় চলেনি। বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর শেখ হাসিনার সরকার ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হওয়ার মাঝখানে যারা ক্ষমতায় ছিল তারা দেশে রক্তপাত, লুটতরাজ ও অসুস্থ ধারা সৃষ্টি করেছিল। অসুস্থ ধারার কারণে নদ-নদীর গতিপথ হারিয়ে গেছে। প্রধানমন্ত্রীশেখ হাসিনার নির্দেশে নৌপথ উদ্ধারে কাজ করছি।

সংগঠনের সভাপতি আশীষ কুমার সেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) চেয়ারম্যান কমডোর গোলাম সাদেক, নদী গবেষণা ইনস্টিটিউটের সাবেক মহাপরিচালক প্রকৌশলী লুৎফর রহমান, নদী গবেষক আমিনুর রসুল বাবু প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। এসসিআরএফ-এর সাধারণ সম্পাদক মহসীনুল করিমের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সংগঠনের সাবেক সভাপতি আনিসুর রহমান খান।

খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেন, নদী ব্যবস্থাপনাকে সঠিকভাবে ব্যবহার করতে না পারলে দেশ ঝুঁকির মধ্যে পড়ে যাবে। আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ইশতেহারে ১০ হাজার কিলোমিটার নৌপথ খননের কথা উল্লেখ রয়েছে। সরকার ১০ হাজার কিলোমিটার নৌপথ খননের লক্ষ্যে কাজ করছে। নদী খননের জন্য হোপার ড্রজারসহ আধুনিক ড্রেজার সংগ্রহ করা হবে। নৌপথের নাব্যতা বজায় রাখতে সারাবছর বড় ধরণের ও সংরক্ষণ (ক্যাপিটাল ও মেইন্টেনেন্স) ড্রেজিং করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে নির্মমভাবে হত্যার পর জেলখানায় জাতীয় চারনেতাকে হত্যা এবং ৭ নভেম্বর রণাঙ্গণের মুক্তিযোদ্ধাদের হত্যার করে খুনিরা দেশে আতংকের সৃষ্টি করেছিল। আতংক সৃষ্টি করা হয়েছিল-যেন কেউ প্রতিবাদ করতে না পারে।

খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেন, এসব হত্যাকান্ড মানুষ সমর্থন করেনি। যারা হত্যাকান্ড ঘটিয়েছে তারা বাংলাদেশের রাজনীতিতে টিকে থাকতে পারেনি। টিকে আছে শুধু বঙ্গবন্ধুর আদর্শের রাজনীতি। বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও স্বপ্ন বাস্তবায়নে কাজ করছেন তার সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।