সাতক্ষীরা প্রতিনিধি :সাতক্ষীরা শহরের শহিদ নাজমুল সরণি তে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী খান বাহাদুর আহ্ছানউল্লাহ (রহঃ) নামে প্রতিষ্ঠিত সাতক্ষীরা আহ্ছানিয়া মিশনে এখন চলছে বড়অংকের অর্থের লুটপাট। ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানটি বর্তমানে ধর্মীয় চর্চা ও ধর্মীয় জ্ঞানহীন বেসির ভাগ ব্যক্তির সমন্বয় গঠিত কমিটির দুর্নীতি ও অনিয়মের ফাঁদে প্রতিষ্ঠানটির সুনাম ধ্বংসের দার প্রান্তে অবস্থান করছে। এনিয়ে ভাবিয়ে তুলেছে আপমর জনসাধারণ তথা সাতক্ষীরা জেলা বাসিকে। অর্থের লুট পাটে জর্জরিত ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানটির গঠনতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার কোন
তোয়াক্কা না করে ব্যক্তি সার্থচরিতার্থে নিজেদের কে সুপার পাওয়ার শক্তিতে পরিনত করেছে। পেশি শক্তি আর নিজস্ব প্রভাব খাটিয়ে সুনাম ধন্য প্রতিষ্ঠান টি থেকে আর্থিক সুবিধা লাভের লালসায় মেতে উঠেছে এই অবৈধ কমিটি। এমন টাই মন্তব্য করেন আহ্সানিয়া মিশন মসজিদের নিয়মিত নামাজ আদায় করতে আসা মুসুল্লিরা এবং অত্র এলাকার স্বনামধন্য ব্যক্তিবর্গ ও সুধী সমাজ। বর্তমান আহ্সানিয়া মিশন মসজিদের এই অবৈধ কমিটির সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান উজ্জল সম্পর্কে সহরের স্থায়ী বসবাস কারি স্থানীয় মুসল্লী ও নিয়মিত নামাজ আদায় কারি মুসুল্লিএকরাম প্রশ্ন তুলে বলেন, যে ব্যক্তি কে নিয়মিত ৫ওয়াক্ত নামাজ আদায় করতে
আহ্ছানিয়া মিশন মসজিদে মুসল্লি হিসাবে নিয়মিত দেখা যায় না, তিনি কি করে
সুনামধন্য আহ্ছানিয়া মিশন নামক ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের মসজিদের সাধারণ সম্পদক
হয়, কি ভাবে এমন প্রশ্নই ভাবিয়ে তুলেছে এলাকাবাসি ও নিয়মিত মুসল্লিএকরাম দের।
তারা প্রশ্ন তুলে আরও বলেন মসজিদ এলাকায় ইসলাম সম্পর্কে জ্ঞান গর্ভতা সম্পন্ন ব্যক্তির অভাব নেই কিন্তু ইসলাম ও পবিত্র কুরাান হাদিস সম্পর্কে যার বিন্দু মাত্র জ্ঞান নেই তিনি কি ভাবে? কেমন করে? এমন একটি সুনাম ধন্য প্রতিষ্ঠানের মসজিদ কমিটির সাধারণ সম্পদক হতে পারে। কোথা থেকে এত শক্তি সঞ্চার করেছেন তিনি এটাই ভাবিয়ে তুলেছে এলাকা বাসি ও মুসল্লিদের। মুসুল্লীগন আরও প্রশ্ন তুলে বলেন নিয়ম অনুযায়ী কোন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের নির্বাহি প্রধান হতে হলে তাকে অবস্যই ইমামতি করার মত এলেম ও জ্ঞান সম্পন্ন ব্যক্তি হতে হবে। অন্যথায় তিনি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের
নির্বাহী প্রধান হওযার যোগ্যতা রাখেন না। এমনট্ইা জানান ইসলাম সম্পর্কে যারা
নিয়মিত চর্চা করেন। তথ্য অনুসন্ধানে ও সাতক্ষীরা জেলা শহরের প্রতিটি মানুষের মুখে মুখে শুনা যায় অতি সাধারণ পরিবার থেকে উঠে আসা উজ্জল আহ্সানিয়া মিশনের অনির্বাচিত অবৈধ কমিটির সাধারণ সম্পাদক। গ্রামের অতি সাধারন পরিবার থেকে উঠে এসে সাতক্ষীরা শহরের কাছারি পাড়ায় বসবাস শুরু করে, দৈনতার কষাঘাতে জর্জিত উজ্জল জীবণ জিবিকা নির্বাহের জন্য সামান্য আয়ের মাধ্যম হিসাবে সাতক্ষীরা আদালতে
মহরার হিসাবে কাজ শুরু করে। অতি কষ্টে জীবন যাপন করতে থাকের এক পর্যায়ে সুচতুর এই ব্যক্তি সাংবাদিকতা নামক মহান এই পেসাটি বেঁছে নেয়, নিজের ঢাল হিসাবে।
তার পর থেকে আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি কখনো সুকৌশলী উজ্জলের। সমাজের বিভিন্ন উচু তলার মানুষ, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব এবং কতিপয় কিছু সরকারি কর্মকর্তাদের সাথে সখ্যতা তৈরি করে দালালি ও তাঁবেদারির মাধ্যমে নিজেকে প্রতিষ্ঠিতকরে তোলে অল্পদিনেই। এরই ধারাবাহিকতায় সাতক্ষীরার সুনাম ধন্য ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান আহ্ছানিয়া মিশন মসজিদের অনির্বাচিত, অবৈধ কমিটির মাধ্যমে বাগিয়ে নেয় সাধারণ সম্পদকের মত গুরূত্বপুর্ণ পদটি। প্রতিষ্ঠনটির দায়িত্ব গ্রহনের পর থেকে আর্থিক বিষয়ে পিছন ফিরে তাকাতে হয়নি তার। নির্বাহী ক্ষমতার দাপটে দুর্নীতির আখড়ায় পরিণত করেছে আহ্সানিয়া মিশন নামের এই ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানটিকে, এমনটি জানিয়েছেন আহ্ছানিয়া মিশনের ঘর বরাদ্ধ নেয়া ব্যবসায়ীরা। তারা আরও জানান ইতিমধ্যে ঘর বরাদ্দ এবং জিনিসপত্র ক্রয়ের লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়েছেন মুস্তাফিজুর
রহমান উজ্জল ও তার অনির্বাচিত অবৈধ কমিটি। এই অনির্বাচিত অবৈধ কমিটির
নির্বাহী কর্তা নামধারী এই ব্যক্তি এখন মিশন মসজিদ কে নিয়ে ব্যবসা করার চিন্তা ভাবনায় ব্যস্ত সময় পার করছেন। মুসল্লি সাধারণ বলতে শুরু করেছেন, তিনি যা করছেন তাতে মনে হচ্ছে মিশন মসজিদ ও মসজিদের উন্নয়নের জন্য ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গুলি তার পৈত্রিক সম্পত্তি। এমনটি ভাব দেখা যায় তার আচার আচরণে। মুসল্লি সাধারণ খুবি
দুঃক্ষের সাথে বেদনাদায়ক সব ঘটনার বর্ণনা দিয়ে বলেন, পদাধিকার বলে সাতক্ষীরা জেলার আহ্সানিয়া মিশনের সভাপতি পদটি এই জেলার দাযিত্বপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক হয়ে থাকেন। প্রাক্তন জেলা প্রশাসক মোহাম্মাদ ইফতেখার হোসেন এর স্বাক্ষরিত আহ্সানিয়া মিশন এর মূল ভবনের নকশায় দ্বিতীয় তলায় মসজিদের আয়তন রাখা হয় দৈর্ঘ্য ৭১ বর্গ ফুট
এবং প্রস্থ ৪২ বর্গফুট এবং বারান্দা ১৩ ফুট গুণ ২০ ফুট। অনির্বাচিত বর্তমন অবৈধ কমিটির সাধারণ সম্পদক উজ্জ্বল সেটিকে কমিয়ে সম্পূর্ণ ব্যবসায়িক উর্দ্দেশ্যে এবং ব্যক্তি স্বার্থ হাসিলের জন্য মসজিদটি সংক্ষিপ্ত করার পাঁয়তারা চালিযে যাচ্ছে। মসজিদের মুল নকসার পরির্বণ ঘটিয়ে ছোট করে ফেলেছে মসজিদটিকে। বর্তমানে মূল নকশা
ভেঙ্গে মসজিদটির আয়তন করা হয়েছে মাত্র ১৯শ বর্গফুট। অথচ মূল নকশা অনুযায়ী মসজিদেও আয়তন হওয়ার কথা প্রায় ৩২শ বর্গফুট। এখানে সম্পূর্ণ ব্যবসায়িক উদ্দেশে নিজ সার্থে ১২শ বর্গফুট জায়গা মসজিদ থেকে কেটে সুদের প্রতিষ্ঠানকে ভাড়া দেওয়ার জন্য ব্যস্থ হয়ে পড়েছেন তিনি ও তার অবৈধ কমিটি। এমন ঘৃণতম কাজটি করার
উদ্যোগ গ্রহণ করলে শুক্রবার জুম্মার নামাজ আদায় করতে আসা মুসল্লিদের নামাজ আদায় করার জায়গা সংকুলন না হওয়ায় অনেক কষ্টে নামাজ আদায় করে মুসুল্লিরা।
অনির্বাচিত অবৈধ এই মসজিদ কমিটির সদস্যদের সম্পর্কে বিরুপ মন্তব্য করতে
থাকেন মুসুল্লিরা। তারা বলেন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান মসজিদ কে পুজি করে মসজিদের উন্নয়নে মসজিদের জায়গা ব্যবসায়ীদের কাছে বরাদ্ধ দিয়ে সেখান থেকে আর্থিক লাভবান হওয়ার অপচেষ্টার এহন ঘৃণ্যতম কাজকে কে বা কাহারা সহযোগিতা করছে, সেটি দেখার জন্য চেষ্টা করছেন সাধারণ মুসুল্লিগন। ক্ষোভে দুঃখে ফুসে উঠা মুসুলি-রা আহ্সানিয়া মিশন মসজিদে বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে একদল গণমাধ্যম কর্মীদের কাছে বক্তব্য প্রদানে তুলে ধরেন মসজিদের নানা সমস্যা। অবৈধ উপায়ে আর্বিরভূত অনির্বাচিত এই কমিটির সাধারণ সম্পাদক সম্পর্কে তুলে ধরেন দূর্নীতি ও লুটপাটের কাহিনী। মুসিল্লি গন গণমাধ্যম কর্মীদের কে বলেন কোন ধরণের সাধারণ মিটিং ছাড়াই, গঠিত এই অনির্বাচিত কমিটি কোন অদৃশ্য শক্তি বলে প্রতিষ্ঠান টির ধ্বংসযোগ্য চালিয়ে যাচ্ছেন সেটি আমাদের বোধগম্য নয়। তারা বলেন বর্তমান অনির্বাচিত অবৈধ কমিটির সাধারণ সম্পাদক উজ্জল যার একদিন নুন আনতে পানতা ফুরাতো সেই উজ্জল এখন সুপার পাওয়ারের অধিকারী। আর এই সুপার পাওয়ার খাটিয়ে লুটপাট ও দুর্নীতির আখড়ায় পরিনত করেছে অত্র ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানটিকে। কাদের সহযোগিতায় তিনি এমন সুপার পাওয়ারের অধিকারী হয়েছে এটাই এখন দেখার বিষয়।
মুসুলি-রা বলেন এই মসজিদের পরিচালনা কমিটির অদৃশ্য শক্তির বিরুদ্ধে ফুসে উঠেছেনমসজিদের মুসল্লিসহ এলাকাবাসী। এই মসজিদে বিগত সময়ে কমিটি গঠনে নির্বাচনের মাধ্যমে গঠন করা হতো। কিন্তু চলতি কমিটি কোন নিয়মনীতি না মেনেই কয়েকজন প্রভাবশালী ব্যক্তি নিজেদের স্বার্থ হাসিলের জন্য পকেট কমিটি গঠন করে, এক প্রকার গায়ের জোরে মসজিদ পরিচালনা করছে। মসজিদের মুসল্লিরা আরো অভিযোগ
করেন এই অবৈধ কমিটির সাধারণ সম্পাদক নামধারী উজ্জ্বল এক ওয়াক্ত নামাজ আদায় করেন না এই মসজিদে অথচ তিনি বড় পদ দখল করে আছেন। তাছাড়া মসজিদের ইমাম মোয়াজ্জিন সহ আহ্সানিয়া মিশন এর কর্মচারীদের সাথে সর্বদা অসৎ আচরন করে থাকেন বলে অভিযোগ করেন মুসুল্লিগন।