তানোর(রাজশাহী)প্রতিনিধি: রাজশাহীর তানোর উপজেলা আওয়ামী লীগের (দায়িত্বহীন)সভাপতি গোলাম রাব্বানী ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল-মামুনের মধ্যে চরম মতবিরোধ সৃস্টি হয়েছে বলে রাজনৈতিক অঙ্গনে গুঞ্জন বইছে।এদিকে এখবর ছড়িয়ে পড়লে নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক চাঞ্চল্যর সৃস্টি হয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক নেতা বলেন, প্রথমে রাব্বানী ভাই ও মামুন ভাইকে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে প্রবেশ করতেই দেয়া হয়নি, এনিয়ে তাদের মধ্যে মৃদু কথা কাটাকাটি হয়।জানা গেছে, তানোর উপজেলা আওযামী লীগের রাজনীতিতে স্থানীয় সাংসদ এবং উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি
(দায়িত্বহীন) গোলাম রাব্বানীর মধ্যেদীর্ঘদিনের বিরাজমান কোন্দল-মতবিরোধের কারণ অনুসন্ধান ও  অবসান ঘটাতে কেন্দ্রীয় কমিটি উদ্যোগ নিয়ে ৮ নভেম্বর উভয় পক্ষকে সাংগঠনিক নেতাকর্মীসহ ঢাকায় তলব করে। এরই প্রেক্ষিতে গত ৭ নভেম্বর শনিবার দিবাগত রাতে উভয় পক্ষ নেতাকর্মীদের নিয়ে ঢাকার উদ্দেশ্যে রাজশাহী ত্যাগ করেন। কারণ ৮ নভেম্বর দুপুরে ধানমন্ডি আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে উভয় পক্ষকে নিয়ে বৈঠকে বসার কথা রয়েছে বলে একাধিক সুত্র নিশ্চিত করেছে।প্রত্যক্ষদর্শী সুত্র জানায়, ৮ নভেম্বর রোববার সাংসদ ওমর ফারুক চৌধুরী প্রায় শতাধিক সাংগঠনিক নেতাকর্মী নিয়ে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে প্রবেশ করেন এই বহরে এমন নেতাকর্মীও রয়েছে যারা এতোদিন গোপণে রাব্বানী-মামুনের পক্ষ ছিল এখন এরা প্রকাশ্যে এমপির পক্ষে চলে যাওয়ায় তারা চরম বিপাকে পড়ে।এদিকে এই দৃশ্যে দেখে কার্যালয়ের সামনে রাব্বানী ও মামুন একে অপরকে দোষারোপ করে বাকবিতন্ডতায় জড়িয়ে পড়ে এক পর্যায়ে ক্ষুব্ধ হয়ে রাব্বানী সেখান থেকে চলে আশার উদ্দেশ্যে রওয়ানা দিলেও মামুন একাই কার্যালয়ে প্রবেশের চেস্টা করলেও সঙ্গে কোনো নেতাকর্মী না থাকায় নিরাপত্তা কর্মীরা তাকে বাধা দিয়ে সেখান থেকে ফেরত পাঠায় বলে সুত্রটি নিশ্চিত করেছে। রাজশাহী জেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জুয়েল রানা বলেন, কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে না আসলে বুঝতেই পারতাম কোথায় এমপি মহোদয় আর কোথায় রাব্বানী ভাই। তিনি বলেন, এমপি মহোদয় সুমুদ্রের তিমি আর রাব্বানী ভাই কুঁয়োর ব্যাঙ এই তুলনায় চলে। তিনি বলেন, এক সময় রাব্বানী ভাইয়ের কথায় এমপি মহোদয়ের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে কি সর্বনাশ করেছি  কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এসে সেটি উপলব্ধী করতে পেরেছে, কারন আওয়ামী লীগে ফারুক চৌধুরী ভাইয়ের শেঁকড় কতো গভীরে সেই সম্পর্কে আমাদের ধারনাই নাই। এবিষয়ে জানতে চাইলে গোলাম রাব্বানী ও আব্দুল্লাহ আল-মামুন উভয়েই বলেন, এমন কোনো ঘটনা ঘটেনি, তাদের বিরুদ্ধে এসব অপপ্রচার।