নিজস্ব প্রতিনিধি, নোয়াখালী : নোয়াখালীর বাণিজ্যিক কেন্দ্র চৌমুহনী শহরের ডিবি রোডের ব্যবসায়ী মেসার্স নূর জাহান ইলেক্ট্রনিক্সের স্বত্বাধিকারী ইসতিয়াক আলম সোহানের ২ কোটি ৭৬ লাখ ৬৭ হাজার ৯শত ৯৬ টাকা নুর জাহান ইলেক্ট্রনিক্সের কর্মচারী ইয়াবা কারবারী সাইফুল ইসলাম সুজন ও সাকায়েত উল্যাহ যোগসাজসে প্রতারণার মাধ্যমে প্রায় ৩ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। জানা গেছে, প্রতারক সাইফুল ইসলাম সুজন ও সাকায়েত উল্যাহ নুর জাহান ইলেক্ট্রনিক্সে কর্মরত থাকাকালীন ব্যবসায়ী সোহান তাদেরকে বিশ্বাস করে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের দায় দায়িত্ব ছেড়ে দেয়। প্রতারক সুজন ও সাকায়েত উল্যাহ বিভিন্ন গ্রাহক ও বিভিন্ন কোম্পানীর লেনদেনের প্রায় ৩ কোটি টাকা আত্মসাৎ করে উল্টো ব্যবসায়ী ইসতিয়াক আলম সোহানকে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করে যাচ্ছে। প্রতারক সুজন এসএস পিভিসি ইন্ডাস্ট্রিজ কোম্পানীতে চাকুরী করা কালীন বেতন পাওনা হয় ১০ লাখ ২৭ হাজার টাকা। কিন্তু এসএস পিভিসি ইন্ডাস্ট্রিজ হইতে সুজন নগদে ২১ লাখ ৪০ হাজার টাকা গ্রহণ করেন। মোট বেতন হইতে অতিরিক্ত গ্রহন করেন ১১ লাখ ১৩ হাজার ১১ টাকা। সুজন বেতনভূক্ত চাকুরী করা কালীন ডিট ডকুমেন্ট ছাড়া পাইপ ফ্যাক্টুরীর ৩০% শেয়ার দাবী করা বেআইনী। এ ঘটনা বেগমগঞ্জের চৌমুহনীর শহর জুড়ে টক অব দ্যা টাউন। গোপন সূত্রে জানা যায়, প্রতারক সুজন সাকায়েত উল্যাহকে দিয়ে ইয়াবা ব্যবসা পরিচালনা সহ নানা অপরাধমূলক কর্মকান্ড পরিচালনা করছে।