গোবিন্দগঞ্জ (গাইবান্ধা থেকে তাজুল ইসলাম প্রধান
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ পৌর শহর সহ ১৮টি ইউনিয়নে শীতের আগমনে লেপ-তোষক তৈরিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন স্থানীয় কারিগররা। গত শীতের জন্ম হলেও পৌষ ও মাঘ এই দুই মাস শীত মৌসুম হিসাবে বিবেচিত হয়। এলাকার হাজার হাজার মানুষ শীতে কয়েক দিন যাবত ভোর বেলা কুয়াশা জমে থাকছে ঘাসে লতা পাতায়। রাতে কিছুটা শীত অনুভূতি হচ্ছে। পুরোপুরি শীতে শুরু না হলেও অনুভূতি হচ্ছে শীতের আমেজ।


প্রচলিত রীতি অনুযায়ী কার্তিক মাসে মাকাবেলায় আগাম প্রস্ততি হিসাবে হিড়িক পরে গেছে লেপ-তোষক বানানোর দোকানে। গোবিন্দগঞ্জ,মহিমাগঞ্জ,ফাঁসিতলা বাজার,নাকাই হাট,কোমরপুর হাট,কাটাবাড়ী হাট,কামদিয়া,রাজা বিরাট হাটসহ উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলের কারিগররা এরইমধ্যে ব্যস্ত সময় পার করছেন। ক্রেতাদের আনাগোনায় জমজমাট হয়ে পরেছে লেপ-তোষকের দোকানগুলো। ভোর রাতে হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুযাশা পড়ার দৃশ্য গত দুই সপ্তাহ ধরে পরিলক্ষিত হচ্ছে। এ কারণে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার সর্বত্রই লোকজনের গায়ে উঠতে শুরু করেছে হালকা কিংবা মাঝারি ধরনের গরম শীতের কাঁথা।


অনেক পরিবারের লোকজন তাদের বাস্কে ভর্তি রাখা লেপ-তোষক বের করে মেরামত করছে। আবার অনেক পরিবার নতুন করে তৈরি করছে লেপ-তোষক। বিভিন্ন হাট বাজারগুলোতেও পুরাতন কাপড় উঠতে শুরু করেছে


উপজেলার বাগদা বাজারের লেপ-তোষক ব্যবসায়ী আকবর আলী জানান, প্রতিটি ভাল লেপ ৮শ টাকা থেকে ১৫ টাকা এবং প্রতিটি ভাল তোষক এক হাজার টাকা থেকে ১৪শ টাকা পর্যন্ত আমরা বিক্রয় করে থাকে। এছাড়া বিভিন্ন সাইজের লেপ- তোষক বালিশ তৈরি করে গ্রামাঞ্চলে বিক্রয় করা হয়ে থাকে। চলতি মৌসুমে তুলা এবং কাপরের দাম বৃদ্ধি না পাবার কারণে একটু অর্ডার বেশি হচ্ছে।