সুনামগঞ্জ প্রতিনিধিঃসুনামগঞ্জ জেলার তাহিরপুর উপজেলার উত্তর শ্রীপুর ইউনিয়নের শ্রীপুর বাজর হতে বৈঠাখালি বাধঁ ও  ডাম্পের বাজারের সামনে পাটলাই নদীতে খাস কালেকশনের টোল আদায়ে ইজারাদার আবুল কালাম পারুল খাঁনকে একই ইউনিয়নের ৯ নং ওর্য়াড সদস্য সাজিনুর মিয়া চক্র কর্তৃক বাঁধা প্রদান ও চাঁদা দাবি সহ সম্প্রতি ওই চক্রটি সাংবাদিকদের মিথ্যা তথ্য প্রদান করে কয়েকটি অনলাইন নিউজ পোর্টাল ও প্রিন্ট পত্রিকায় খাস কালেকশনের নামে চাঁদবাজি  শিরোনামের একটি মিথ্যা সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছেন খাস কালেকশনের এক ইজারাদার আবুল কালাম পারুল খাঁন। (০৬ ডিসেম্ভর রবিবার) দুপুরে বালিয়াঘাট নতুন বাজারে সংবাদ সম্মেলনে ইজারাদার আবুল কালাম খাঁন পারুলএসময় উপস্থিত সাংবাদিকদের সামনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন। লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, আমি আবুল কালাম খাঁন পারুল উপজেলার শ্রীপুর উত্তর ইউনিয়নের শ্রীপুর বাজার হইতে বৈঠাখালী নামক বাধঁ ও ডাম্পের বাজারের সামনে পাঠলাই নদীতে চলাচলকারী কয়লা ও পাথরবাহী নৌকা থেকে টোল আদায়ে (০৫.৪৬.৯০৯২.০০০.১১.০২৩.১৪-২০. ৩৪০(৮) স্মারকে  ১৪২৭ বাংলা সনের চৈত্র থেকে আগামী ৩০ চৈত্র পর্যন্ত এক বছরের জন্য পৃথক টোল আদায়ের জন্য তাহিরপুর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যলয় থেকে খাস কালেকশন নেই। এক বছরের জন্য তাহিরপুর উপজেলা প্রশাসনের কাছ থেকে খাস কালেকশন গ্রহণ করি। আমি সরকরি নিদের্শনা মোতাবেক পাঠলাই নদীতে খাস কালেকশন আদায় করার শুরু থেকেই ৯ ওয়ার্ড সদস্য ও মন্দিয়া গ্রামের সোনা মিয়ার ছেলে সাজিনুর মিয়ার নেতৃত্বে একটি বৈঠাখালি বাঁেধর সামনে পাটলাই নদীতে টোল আদায়ে বাধঁ প্রদানসহ আমার কছে অবৈধভাবে চাঁদা দাবি করে। এবং গত ৩০ নভেম্বন সোমবার রাতে সাজিনুরের নেতৃত্ব একদল চাঁদাবাজ চক্র বৈঠাখালি বাঁধে টোল আদায়ে নিয়োজিত আমার কাছে চাঁদা দাবি করে।তাদের চাহিদা মতো চাঁদা না দিলে টোল আদায় করতে দিবেনা বলেও হুমকি দেয়। এসময় চাঁদাবাজদের তাদের কথা মতো চাঁদার টাকা  না দেয়ায় টোল আদায়কারি শাহ নেওয়াজকে মারপিট করে ২৫ হাজার টাকা ছিনিয়ে নিয়ে যায় তার। পারুল খান আরও বলেন, শিবরামপুর গ্রামের মতিউর রহমান ও সাজিনুর সহ একটি চাঁদাবাজ চক্র দেবত্তর নাম দিয়ে সরকারের রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে আগে এখানে চাঁদাবাজি করতো। এ বছর আমি উপজেলা প্রশাসন থেকে বৈধ ভাবে খাস কালেকশন নিয়ে আসার পর থেকে এ চক্রটি আমার পিছনে লেগেছে এবং আমার ও আমার পরিবারের বিরোদ্ধে অপপ্রচার করছে। আমি তাদেও কথা মতো চাঁদা না দেয়ায সাজিনুর তার নিজস্ব লোক দিয়ে গত ১ ডিসেম্বর মন্দিয়াতা হাটখোলা বাজারে উল্টো আমার বিরোদ্ধে একটি মিথ্যা মানববন্ধন করিয়েছে ডাম্পের বাজার ও শ্রীপুর বাজার ঘাট থেকে টোলের নামে চাদাঁবাজি করছি। যা মিথ্যা ও বানোয়াট। টোল আদায়ের নামে আমি অতিরিক্ত কোন টাকা নিচ্ছিনা কারো কাছ থেকে। আমি সরকারের নির্ধারিত হারেই টোল আদায় করছি।  সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরও বলেন, আমি রাজনৈতিক পরিবারের সন্তান। আমার পিতা উপজেলা আওয়ামিলীগের সভাপতি ও শ্রীপুর উত্তর ইউনিয়ন পরিষদের ৪ বারের সাবেক চেয়ারম্যান। আমি কোন চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িত নয়। বাগলি চুনাপাথর ও কয়লা আমদানি নামে একটি সমিতি রয়েছে। সমিতির নিয়ম অনুযায়ী কতৃপক্ষ ব্যবসা পরিচালনা হয়ে থাকে। এখানে আমার কোন হাত নেই। সাজিনুরের বিরোদ্ধে বড়ছড়া কয়লা আমদানি কারক সমিতি, বাগলি চুনাপাথর ও কয়লা আমদানি কারক সমিতি চাঁদাবাজির মামলা রয়েছে। এ ছাড়াও তার উপর হাটখোলা বাজার সহ কবর স্থানের জায়গা আত্মাসাতের অভিযোগ রয়েছে। এ সময় সংবাদ সম্মেলনে এসময় উপস্থিত ছিলেন, হাজি রফিক মিয়া,আফসর আলী,আ.কাদির,আলাল মিয়া প্রমুখ।