নিজস্ব প্রতিবেদক  (কুমিল্লা)কুমিল্লার হোমনায় এক মাদ্রাসা ছাত্রীকে নিয়ে পালিয়েছে অনন্তপুর গ্রামের মাওলানা মো. ফারুকী।গত শনিবার উপজেলার মনিপুর গ্রাম থেকে ওই ছাত্রীকে প্রাইভেট পড়ানোর কথা বলে নিয়ে বের হয়ে যায় আর ফেরেনি।দুইদিন পর গতকাল সোমবার রাতে দুই পরিবারের মাঝে মোটা অংকের টাকা লেন-দেনের মাধ্যমে গোপনেই ঘটনা ধামাচাপা দিয়ে ফেলেন।খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ঘারমোড়া ইউনিয়নের মনিপুর গ্রামের মতি মিয়ার মেয়ে খাদিজা আক্তারকে প্রাইভেট পড়াতো মাওলানা ফারুক হোসেন।প্রাইভেট পড়ানোর সুবাধে উভয়ের মধ্যে মন-দেয়া নেয়া শুরু হয়। উভয়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী গত শনিবার প্রাইভেট পড়ার কথা বলে ঘর থেকে বের হয়ে আর ফিরে আসেনি। বিষয়টি খাদিজার বাবা-মা পূর্বেই জানতো। তাই মাওলানার বাড়িতে খোঁজতে আসে এবং তার পরিবারকে অবগত করে। পরে গতকাল সোমবার দুই-পরিবার মিলে খাদিজার ক্ষতিপূরণ বাবত দেড় লাখ টাকা দিয়ে রাতারাতি রফাদফা সেরে ফেলে।মাওলানা ফারুক হোসেন পূর্বেও একইভাবে বিয়ে করে বলে জানায় এলাকাবাসী। সে সংসারে দু’টি সন্তানও রয়েছে।এ বিষয়ে মনিপুর গ্রামের বিশিষ্ট সমাজ সেবক মো. দিদার আলম লিটন বলেন, খাদিজার বাবা মতি মিয়াকে পালিয়ে যাবার বিষয়ে জিজ্ঞেস করেছিলাম। তিনি বলেন, তারা আমাদের হেফাযতেই রয়েছে। আমরা মিটমাট করে ফেলবো। কোন ঝামেলায় যাবো না।তবে দিদার আলম লিটন এসব ঘৃণিত কাজের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন। তিনি বলেন, ওনি মাওলানা হয়ে এসব নোংড়ামি করে সকল মাওলানাদের মুখে চুনকালী দিলো। তার শাস্তি দাবি করছি।এই ঘটনায় মনিপুর গ্রামে বেশ আলোচনা সমালোচনা  হচ্ছে । সবাই প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।